
ইরানের আকাশসীমায় ভূপাতিত মার্কিন যুদ্ধবিমানের একজন ক্রু সদস্যকে সফলভাবে উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ ও বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
পেন্টাগনের দুজন কর্মকর্তা সিবিএস নিউজকে জানিয়েছেন, নিখোঁজ ক্রু সদস্যদের সন্ধানে মধ্য ইরানে চালানো ব্যাপক তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযানের মাধ্যমে মার্কিন বিশেষ বাহিনী একজনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। ওই ক্রু সদস্য বর্তমানে মার্কিন বাহিনীর নিরাপদ হেফাজতে এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন বলে জানা গেছে।
ভূপাতিত যুদ্ধবিমানটি ঠিক কোন মডেলের, তা নিয়ে শুরুতে ধোঁয়াশা থাকলেও মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিধ্বস্ত বিমানটি সম্ভবত এফ-১৫। সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি এটি এফ-১৫ ই স্ট্রাইক ইগল হয়ে থাকে, তবে সেখানে সাধারণত দুজন ক্রু (একজন পাইলট) থাকেন। ফলে দ্বিতীয় পাইলট বা ক্রু সদস্যের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

ইরানের ভূখণ্ডে একটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার পর দক্ষিণ ইরানে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনার পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পরিস্থিতির একটি সামগ্রিক চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো।
২৯ মিনিট আগে
এই যুদ্ধবিমানের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর দুই আসনবিশিষ্ট ককপিট। সামনের আসনে পাইলট বসে বিমানটি নিয়ন্ত্রণ করেন। পেছনের আসনে বসেন একজন ক্রু। তাঁর সামনে চারটি স্ক্রিন থাকে ও তাঁর প্রধান কাজ হলো লক্ষ্যবস্তু নির্বাচন করা এবং প্রতিটি হামলার জন্য অস্ত্রগুলোকে সঠিকভাবে প্রোগ্রাম করা।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার কথা বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে স্বীকার করেছেন মার্কিন এক কর্মকর্তা। সেই যুদ্ধবিমানের পাইলটদের খুঁজতে মার্কিন একটি উদ্ধারকারী হেলিকপ্টার ওই এলাকায় গেলে সেটিকেও ভূপাতিত করা হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
টানা পঞ্চম সপ্তাহে গড়ানো ইরান যুদ্ধের আর্থিক চাপ এই বাজেটে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। মার্কিন গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, রুদ্ধদ্বার কংগ্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়েছে, এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিদিনের খরচ প্রায় ২০০ কোটি (২ বিলিয়ন) ডলারে পৌঁছেছে।
৩ ঘণ্টা আগে