জেরুসালেম পোস্টের প্রতিবেদন

ইরানে হামলায় অংশ নিয়েছিল ইসরায়েলের অন্তত শতাধিক যুদ্ধবিমান। এই শতাধিক যুদ্ধবিমানের মধ্যে সর্বাধুনিক যুদ্ধবিমান ইফ-৩৫ ও ছিল। দেশটিতে হামলা চালাতে ইসরায়েলের যুদ্ধবিমানগুলো প্রায় ২ হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিয়েছিল। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেরুসালেম পোস্টের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বিদেশি বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে জেরুসালেম পোস্ট জানিয়েছে, ইরানে হামলা অংশ হিসেবে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো প্রথমে সিরিয়ার রাডার নেটওয়ার্কে হামলা চালায়। যাতে ইরান সিরিয়ার কাছ থেকে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলোর অবস্থান সম্পর্কে জানতে না পারে। এরপরই ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো ইরানের দিকে রওনা হয়।
ইরানে হামলা সম্পন্ন হয়েছে জানিয়ে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ঘোষণা দিয়েছে যে, আইডিএফ ইরানের ভূখণ্ডের কৌশলগত স্থাপনার ওপর হামলা চালিয়েছে এবং এই অপারেশন শেষ হয়েছে। এক বিবৃতিতে তারা বলেছে, ‘ইরানের বিভিন্ন অঞ্চলের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আইডিএফ সুনির্দিষ্ট ও লক্ষ্যভিত্তিক হামলা চালিয়েছে। আমাদের (যুদ্ধ) বিমান নিরাপদে দেশে ফিরে এসেছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইরান ইসরায়েল রাষ্ট্র ও এর নাগরিকদের ওপর হামলার প্রতিক্রিয়ায় এই পাল্টা হামলা পরিচালনা করা হয়েছে। পাল্টা হামলা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং মিশন সফল।’
এদিকে, বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইডিএফ জানিয়েছে—ইসরায়েলি বিমানবাহিনী গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির স্থাপনায় আঘাত করেছে। এসব স্থাপনায় তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র দিয়েই ইরান ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছিল। এসব ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের নাগরিকদের জন্য সরাসরি ও তাৎক্ষণিক হুমকি তৈরি করেছিল। ইসরায়েলি বাহিনী আরও জানিয়েছে, তারা ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যাটারি এবং অতিরিক্ত ইরানি আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতায়ও আঘাত হেনেছে।
বিদেশি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে জেরুসালেম পোস্ট জানিয়েছে, ‘এই বৃহৎ আক্রমণে ১০০ টিরও বেশি যুদ্ধবিমান অংশ নিয়েছিল। যার মধ্যে ‘ইফ-৩৫ অ্যাডাইর’ স্টেলথ ফাইটার অন্যতম। এই আক্রমণের জন্য ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলোকে প্রায় ২০০০ কিলোমিটার পাড়ি দিতে হয়েছে।’
এ ধরনের একটি অভিযানের শুরুতে সাধারণত প্রাথমিক আক্রমণগুলো রাডার ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা লক্ষ্য করে চালানো হয়। যাতে পরে সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত হানার সময় এসব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বাধা হয়ে দাঁড়াতে না পারে। এই হামলার শুরুতে সিরিয়ায় একটি সমন্বিত হামলায় দেশটির রাডার ব্যবস্থাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। যাতে ইরান ইসরায়েলের পরিকল্পনা সম্পর্কে অবগত হতে না পারে।
এদিকে, ইরানের তিনটি প্রদেশের একাধিক সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করে হামলা চালিয়েছিল ইসরায়েল। তবে ঠিক কতগুলো স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছিল সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেয়নি দেশটি। তেহরান দাবি করেছে, ইসরায়েলি হামলায় ক্ষয়ক্ষতি সামান্যই।
ইরানের ন্যাশনাল এয়ার ডিফেন্স হেডকোয়ার্টার্স জানিয়েছে, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান তেহরান, খুজেস্তান ও ইলাম প্রদেশের সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছিল। এক বিবৃতিতে ইরানের এই বাহিনী জানিয়েছে, ইসরায়েল তেহরান, খুজেস্তান ও ইলাম প্রদেশে সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণ চালিয়েছে।

ইরানে হামলায় অংশ নিয়েছিল ইসরায়েলের অন্তত শতাধিক যুদ্ধবিমান। এই শতাধিক যুদ্ধবিমানের মধ্যে সর্বাধুনিক যুদ্ধবিমান ইফ-৩৫ ও ছিল। দেশটিতে হামলা চালাতে ইসরায়েলের যুদ্ধবিমানগুলো প্রায় ২ হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিয়েছিল। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেরুসালেম পোস্টের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বিদেশি বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে জেরুসালেম পোস্ট জানিয়েছে, ইরানে হামলা অংশ হিসেবে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো প্রথমে সিরিয়ার রাডার নেটওয়ার্কে হামলা চালায়। যাতে ইরান সিরিয়ার কাছ থেকে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলোর অবস্থান সম্পর্কে জানতে না পারে। এরপরই ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো ইরানের দিকে রওনা হয়।
ইরানে হামলা সম্পন্ন হয়েছে জানিয়ে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ঘোষণা দিয়েছে যে, আইডিএফ ইরানের ভূখণ্ডের কৌশলগত স্থাপনার ওপর হামলা চালিয়েছে এবং এই অপারেশন শেষ হয়েছে। এক বিবৃতিতে তারা বলেছে, ‘ইরানের বিভিন্ন অঞ্চলের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আইডিএফ সুনির্দিষ্ট ও লক্ষ্যভিত্তিক হামলা চালিয়েছে। আমাদের (যুদ্ধ) বিমান নিরাপদে দেশে ফিরে এসেছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইরান ইসরায়েল রাষ্ট্র ও এর নাগরিকদের ওপর হামলার প্রতিক্রিয়ায় এই পাল্টা হামলা পরিচালনা করা হয়েছে। পাল্টা হামলা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং মিশন সফল।’
এদিকে, বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইডিএফ জানিয়েছে—ইসরায়েলি বিমানবাহিনী গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির স্থাপনায় আঘাত করেছে। এসব স্থাপনায় তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র দিয়েই ইরান ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছিল। এসব ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের নাগরিকদের জন্য সরাসরি ও তাৎক্ষণিক হুমকি তৈরি করেছিল। ইসরায়েলি বাহিনী আরও জানিয়েছে, তারা ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যাটারি এবং অতিরিক্ত ইরানি আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতায়ও আঘাত হেনেছে।
বিদেশি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে জেরুসালেম পোস্ট জানিয়েছে, ‘এই বৃহৎ আক্রমণে ১০০ টিরও বেশি যুদ্ধবিমান অংশ নিয়েছিল। যার মধ্যে ‘ইফ-৩৫ অ্যাডাইর’ স্টেলথ ফাইটার অন্যতম। এই আক্রমণের জন্য ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলোকে প্রায় ২০০০ কিলোমিটার পাড়ি দিতে হয়েছে।’
এ ধরনের একটি অভিযানের শুরুতে সাধারণত প্রাথমিক আক্রমণগুলো রাডার ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা লক্ষ্য করে চালানো হয়। যাতে পরে সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত হানার সময় এসব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বাধা হয়ে দাঁড়াতে না পারে। এই হামলার শুরুতে সিরিয়ায় একটি সমন্বিত হামলায় দেশটির রাডার ব্যবস্থাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। যাতে ইরান ইসরায়েলের পরিকল্পনা সম্পর্কে অবগত হতে না পারে।
এদিকে, ইরানের তিনটি প্রদেশের একাধিক সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করে হামলা চালিয়েছিল ইসরায়েল। তবে ঠিক কতগুলো স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছিল সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেয়নি দেশটি। তেহরান দাবি করেছে, ইসরায়েলি হামলায় ক্ষয়ক্ষতি সামান্যই।
ইরানের ন্যাশনাল এয়ার ডিফেন্স হেডকোয়ার্টার্স জানিয়েছে, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান তেহরান, খুজেস্তান ও ইলাম প্রদেশের সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছিল। এক বিবৃতিতে ইরানের এই বাহিনী জানিয়েছে, ইসরায়েল তেহরান, খুজেস্তান ও ইলাম প্রদেশে সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণ চালিয়েছে।

গত মাসে এসটিসি এই অঞ্চলটি দখলের পর সৌদি জোটের পক্ষ থেকে এটিই প্রথম সরাসরি প্রাণঘাতী হামলা। এর আগে সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনী হাজরামাউতের সামরিক স্থাপনাগুলো ‘শান্তিপূর্ণভাবে’ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ঘোষণা দেয়। কিন্তু ওই ঘোষণা দেওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিমান হামলা শুরু হয়।
১১ মিনিট আগে
রাশিয়ার টানা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামো বিপর্যস্ত। তবে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহে দীর্ঘস্থায়ী সংকটের মধ্যেও জীবন থেমে থাকেনি দেশটির মানুষের। বরং অন্ধকার, শীত আর অনিশ্চয়তার সঙ্গে লড়াই করে তারা নতুন নতুন উপায়ে টিকে থাকার পথ খুঁজে নিচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন সময়ে ইরান সরকারের দমন-পীড়নের শিকার পানাহি আরও লিখেছেন, ‘সামষ্টিক যন্ত্রণা এখন রাজপথের প্রতিবাদের ভাষায় পরিণত হয়েছে। এই বিক্ষোভের লক্ষ্য ইতিহাসকে এগিয়ে নেওয়া। যখন হারানোর কিছু থাকে না, তখন ভয় উবে যায়। সব কণ্ঠস্বর এক হয়, নীরবতা ভেঙে যায় এবং ফিরে আসার কোনো পথ থাকে না।’
১ ঘণ্টা আগে
জাপানের বর্তমান পার্লামেন্ট ভবনটি ১৯৩৬ সালে নির্মিত হয়েছিল। মজার বিষয় হলো, জাপানে নারীদের ভোটাধিকার পাওয়ার (১৯৪৫ সাল) এক দশক আগে ভবনটি তৈরি হয়। ১৯৪৬ সালে প্রথম নারী সংসদ সদস্যরা এখানে বসার সুযোগ পান। ফলে ঐতিহাসিকভাবেই ভবনটি পুরুষদের আধিপত্য ও প্রয়োজন অনুযায়ী নকশা করা হয়েছিল।
১ ঘণ্টা আগে