
ইসরায়েলের ছয় সদস্যের যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা ভেঙে দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। আজ সোমবার প্রকাশিত কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকালই তিনি যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
গতকাল রোববার সন্ধ্যায় রাজনৈতিক-নিরাপত্তা মন্ত্রিসভার বৈঠকে ইসরায়েলি নেতা এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন। মন্ত্রিসভা থেকে মধ্যপন্থী নেতা বেনি গান্তজ পদত্যাগের ঘোষণার পর নতুন একটি যুদ্ধ মন্ত্রিসভা গঠনের জন্য নেতানিয়াহুকে চাপ প্রয়োগ করে আসছিল অতি-ডানপন্থী জোটের অংশীদাররা। বেনি গান্তজের পদত্যাগের মাধ্যমে নেতানিয়াহুর অতি–ডানপন্থী মন্ত্রিসভার একমাত্র মধ্যপন্থী শক্তিরও বিদায় ঘটে।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর তীব্র সমালোচনা করে পদত্যাগের ঘোষণা দেন বেনি গান্তজ। তিনি বলেন, ‘সত্যিকারের বিজয় অর্জনের পথে আমাদের বাধা দিচ্ছেন নেতানিয়াহু। ভারী হৃদয় নিয়ে কিন্তু পূর্ণ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তাই জরুরি সরকার ছেড়ে যাচ্ছি।’
আগাম নির্বাচনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এমন নির্বাচন হওয়া উচিত, যা শেষ পর্যন্ত এমন একটি সরকার প্রতিষ্ঠা করবে, যা জনগণের আস্থা অর্জন এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সক্ষম হবে। আমি নেতানিয়াহুকে আহ্বান জানাই, একটি সর্বসম্মত নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করুন।’
ইসরায়েলের জাতীয়তাবাদী নেতা ও অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ এবং জাতীয় নিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রী ইতামার বেন-গাভির যুদ্ধকালীন নতুন মন্ত্রিসভার আহ্বান জানিয়ে আসছেন। যুক্তরাষ্ট্রসহ মিত্রদের কাছ থেকে সংযমের আহ্বান সত্ত্বেও ইসরায়েলকে গাজায় বোমাবর্ষণ চালিয়ে যাওয়ার দাবি জানিয়েছেন এই দুই অতি–ডানপন্থী মন্ত্রী।
এদিকে, হামাসের হাতে জিম্মি ইসরায়েলিদের মুক্তি নিশ্চিতের জন্য দেশের ভেতর-বাইরে অব্যাহত চাপের মুখে রয়েছেন নেতানিয়াহু। তার জোটের কট্টরপন্থী শরিকদের চাপেও রয়েছেন এই ইসরায়েলি নেতা।
স্মোট্রিচ এবং বেন-গাভিরকে গুরুত্ব দিয়ে নেতানিয়াহু নতুন যুদ্ধ মন্ত্রিসভা গঠন করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে সেই মন্ত্রিসভাকেও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্কের পরীক্ষা দিতে হবে।

ইসরায়েলের ছয় সদস্যের যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা ভেঙে দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। আজ সোমবার প্রকাশিত কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকালই তিনি যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
গতকাল রোববার সন্ধ্যায় রাজনৈতিক-নিরাপত্তা মন্ত্রিসভার বৈঠকে ইসরায়েলি নেতা এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন। মন্ত্রিসভা থেকে মধ্যপন্থী নেতা বেনি গান্তজ পদত্যাগের ঘোষণার পর নতুন একটি যুদ্ধ মন্ত্রিসভা গঠনের জন্য নেতানিয়াহুকে চাপ প্রয়োগ করে আসছিল অতি-ডানপন্থী জোটের অংশীদাররা। বেনি গান্তজের পদত্যাগের মাধ্যমে নেতানিয়াহুর অতি–ডানপন্থী মন্ত্রিসভার একমাত্র মধ্যপন্থী শক্তিরও বিদায় ঘটে।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর তীব্র সমালোচনা করে পদত্যাগের ঘোষণা দেন বেনি গান্তজ। তিনি বলেন, ‘সত্যিকারের বিজয় অর্জনের পথে আমাদের বাধা দিচ্ছেন নেতানিয়াহু। ভারী হৃদয় নিয়ে কিন্তু পূর্ণ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তাই জরুরি সরকার ছেড়ে যাচ্ছি।’
আগাম নির্বাচনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এমন নির্বাচন হওয়া উচিত, যা শেষ পর্যন্ত এমন একটি সরকার প্রতিষ্ঠা করবে, যা জনগণের আস্থা অর্জন এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সক্ষম হবে। আমি নেতানিয়াহুকে আহ্বান জানাই, একটি সর্বসম্মত নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করুন।’
ইসরায়েলের জাতীয়তাবাদী নেতা ও অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ এবং জাতীয় নিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রী ইতামার বেন-গাভির যুদ্ধকালীন নতুন মন্ত্রিসভার আহ্বান জানিয়ে আসছেন। যুক্তরাষ্ট্রসহ মিত্রদের কাছ থেকে সংযমের আহ্বান সত্ত্বেও ইসরায়েলকে গাজায় বোমাবর্ষণ চালিয়ে যাওয়ার দাবি জানিয়েছেন এই দুই অতি–ডানপন্থী মন্ত্রী।
এদিকে, হামাসের হাতে জিম্মি ইসরায়েলিদের মুক্তি নিশ্চিতের জন্য দেশের ভেতর-বাইরে অব্যাহত চাপের মুখে রয়েছেন নেতানিয়াহু। তার জোটের কট্টরপন্থী শরিকদের চাপেও রয়েছেন এই ইসরায়েলি নেতা।
স্মোট্রিচ এবং বেন-গাভিরকে গুরুত্ব দিয়ে নেতানিয়াহু নতুন যুদ্ধ মন্ত্রিসভা গঠন করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে সেই মন্ত্রিসভাকেও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্কের পরীক্ষা দিতে হবে।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৫ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৮ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৯ ঘণ্টা আগে