আজকের পত্রিকা ডেস্ক

রাজধানী তেহরান ত্যাগ করার জন্য ইরানিদের উদ্দেশে সতর্কবার্তা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপরই এই শহরের বাসিন্দাদের মধ্যে ভয়, উদ্বেগ ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। শহর ছাড়ার প্রধান রাস্তাগুলোতে গাড়ির দীর্ঘ সারি দেখা গেছে।
আজ মঙ্গলবার যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে এক বাসিন্দা বলেন, ‘আজ তেহরান ছেড়ে যাওয়ার সময় শহরটা বেশ ফাঁকা লাগছিল। তবুও জানি অনেকে এখনো শহরের ভেতরে রয়ে গেছেন, যাঁদের কোথাও যাওয়ার উপায় নেই।’
বিবিসি জানিয়েছে, তেহরান ছাড়ার এই প্রবণতা শুরু হয়েছে ট্রাম্পের বার্তার পরপরই। কেউ কেউ গতকাল সোমবারই শহর ছেড়েছেন। আবার অনেকে আজ সকালে ঘুম থেকে উঠে খবর দেখে বেরিয়ে পড়েছেন। তবে সবাই যে শহর ছাড়তে পারছেন, এমন নয়।
একজন বললেন, ‘আমার দাদা ৯০ বছর বয়সী এবং কিডনি ফেইলিওরের রোগী। দাদি সম্প্রতি হাঁটুতে অস্ত্রোপচার করিয়েছেন। তাঁদের নিয়ে দীর্ঘপথে যাওয়া সম্ভব নয়। তাই আমরা সবাই থেকে গেছি, যেন প্রয়োজনে তাঁদের পাশে থাকতে পারি।’
শহরের বাইরের প্রত্যন্ত অঞ্চলে গেলে ওষুধ, হাসপাতাল বা ক্লিনিকের নাগাল পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে অনেকের পক্ষে বাস্তবিক অর্থেই শহর ছাড়ার সুযোগ নেই।
আরেক বাসিন্দা বললেন, ‘আমার বেশির ভাগ প্রতিবেশী তেহরান ছেড়ে চলে গেছে। কিন্তু আমি রয়ে গেছি। যাব কোথায়? আমার পুরো জীবন তেহরানে গড়ে উঠেছে।’
তবে সংকটকালে তেহরান ছেড়ে চলে যাওয়া মানুষের জন্য গ্রামাঞ্চলের মানুষেরা তাঁদের বাড়ি খুলে দিয়েছেন। কেউ কেউ আবার যাঁদের গাড়ি নেই, নিজ গাড়িতে করে তাঁদের দূরদুরান্তে পৌঁছে দিচ্ছেন। তবে এসব প্রয়োজনের তুলনায় সামান্য।
এই পরিস্থিতিতে কেউ কেউ ইরানি সরকারের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এমন একজন বললেন, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র যদি মানুষের জীবনের প্রতি সামান্যও গুরুত্ব দিত, তাহলে এতসব সতর্কবার্তার পর অন্তত রাজধানী শহরের জন্য কোনো পরিকল্পনা বা সহায়তা নিয়ে এগিয়ে আসত। কিন্তু এখন দরিদ্র মানুষজনকে হাজারো কষ্ট করে শহর ছাড়ার চেষ্টা করতে হচ্ছে।’
এদিকে সরকারিভাবে এখন পর্যন্ত রাজধানী তেহরান ছাড়ার কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। তাদের মতে, এটি ‘শত্রুর মানসিক যুদ্ধ’ বা মনস্তাত্ত্বিক চাপের অংশ। সরকারের পক্ষে থাকা কিছু অনলাইন ব্যবহারকারীও এই বার্তার পেছনে ‘ভুয়া আতঙ্ক’ ছড়ানোর কথা বলছেন। তাঁরা বলছেন—তেহরান নিরাপদ। যদিও এই শহরে এখন প্রতিদিনই ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটছে।

রাজধানী তেহরান ত্যাগ করার জন্য ইরানিদের উদ্দেশে সতর্কবার্তা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপরই এই শহরের বাসিন্দাদের মধ্যে ভয়, উদ্বেগ ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। শহর ছাড়ার প্রধান রাস্তাগুলোতে গাড়ির দীর্ঘ সারি দেখা গেছে।
আজ মঙ্গলবার যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে এক বাসিন্দা বলেন, ‘আজ তেহরান ছেড়ে যাওয়ার সময় শহরটা বেশ ফাঁকা লাগছিল। তবুও জানি অনেকে এখনো শহরের ভেতরে রয়ে গেছেন, যাঁদের কোথাও যাওয়ার উপায় নেই।’
বিবিসি জানিয়েছে, তেহরান ছাড়ার এই প্রবণতা শুরু হয়েছে ট্রাম্পের বার্তার পরপরই। কেউ কেউ গতকাল সোমবারই শহর ছেড়েছেন। আবার অনেকে আজ সকালে ঘুম থেকে উঠে খবর দেখে বেরিয়ে পড়েছেন। তবে সবাই যে শহর ছাড়তে পারছেন, এমন নয়।
একজন বললেন, ‘আমার দাদা ৯০ বছর বয়সী এবং কিডনি ফেইলিওরের রোগী। দাদি সম্প্রতি হাঁটুতে অস্ত্রোপচার করিয়েছেন। তাঁদের নিয়ে দীর্ঘপথে যাওয়া সম্ভব নয়। তাই আমরা সবাই থেকে গেছি, যেন প্রয়োজনে তাঁদের পাশে থাকতে পারি।’
শহরের বাইরের প্রত্যন্ত অঞ্চলে গেলে ওষুধ, হাসপাতাল বা ক্লিনিকের নাগাল পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে অনেকের পক্ষে বাস্তবিক অর্থেই শহর ছাড়ার সুযোগ নেই।
আরেক বাসিন্দা বললেন, ‘আমার বেশির ভাগ প্রতিবেশী তেহরান ছেড়ে চলে গেছে। কিন্তু আমি রয়ে গেছি। যাব কোথায়? আমার পুরো জীবন তেহরানে গড়ে উঠেছে।’
তবে সংকটকালে তেহরান ছেড়ে চলে যাওয়া মানুষের জন্য গ্রামাঞ্চলের মানুষেরা তাঁদের বাড়ি খুলে দিয়েছেন। কেউ কেউ আবার যাঁদের গাড়ি নেই, নিজ গাড়িতে করে তাঁদের দূরদুরান্তে পৌঁছে দিচ্ছেন। তবে এসব প্রয়োজনের তুলনায় সামান্য।
এই পরিস্থিতিতে কেউ কেউ ইরানি সরকারের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এমন একজন বললেন, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র যদি মানুষের জীবনের প্রতি সামান্যও গুরুত্ব দিত, তাহলে এতসব সতর্কবার্তার পর অন্তত রাজধানী শহরের জন্য কোনো পরিকল্পনা বা সহায়তা নিয়ে এগিয়ে আসত। কিন্তু এখন দরিদ্র মানুষজনকে হাজারো কষ্ট করে শহর ছাড়ার চেষ্টা করতে হচ্ছে।’
এদিকে সরকারিভাবে এখন পর্যন্ত রাজধানী তেহরান ছাড়ার কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। তাদের মতে, এটি ‘শত্রুর মানসিক যুদ্ধ’ বা মনস্তাত্ত্বিক চাপের অংশ। সরকারের পক্ষে থাকা কিছু অনলাইন ব্যবহারকারীও এই বার্তার পেছনে ‘ভুয়া আতঙ্ক’ ছড়ানোর কথা বলছেন। তাঁরা বলছেন—তেহরান নিরাপদ। যদিও এই শহরে এখন প্রতিদিনই ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটছে।

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দাবি করেছে দেশটির সরকার। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে এক তরুণের ফাঁসি কার্যকরের সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে এসেছে তারা। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর অবস্থান থেকে খানিকটা সরে এসেছেন।
৩৬ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন ধরনের ইমিগ্র্যান্ট বা অভিবাসী ভিসা দেয়। স্থগিতের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে পরিবারভিত্তিক অভিবাসী ভিসা। এর আওতায়—মার্কিন নাগরিকের স্বামী/স্ত্রীর ভিসা (আইআর-১, সিআর-১), বাগদত্ত/বাগদত্তা ভিসা (কে-১), মার্কিন নাগরিকের পরিবারের সদস্যদের ভিসা (আইআর-২, আইআর-৫, এফ-১, এফ-৩ ও এফ-৪)...
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক হামলা আপাতত স্থগিত রাখার ইঙ্গিত দেওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে সরবরাহ–সংক্রান্ত উদ্বেগ কিছুটা কমেছে। এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম মাত্র একদিনেই ৪ শতাংশের বেশি কমে গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ গ্রিনল্যান্ড দ্বীপ মার্কিন নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা আবারও জোর দিয়ে বলছেন। তবে তাঁর এমন ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ইউরোপের কয়েক দেশের একটি সম্মিলিত বাহিনী দ্বীপটিতে পৌঁছেছে।
৩ ঘণ্টা আগে