
যুক্তরাষ্ট্রে ৯/১১-এর মতো বড় ধরনের কোনো হামলা চালিয়ে তার দায় ইরানের ওপর চাপানোর গভীর ষড়যন্ত্র চলছে বলে দাবি করেছেন ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান আলী লারিজানি। তাঁর দাবি, কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইন নেটওয়ার্কের সঙ্গে সম্পৃক্ত কিছু ব্যক্তি এই ষড়যন্ত্রের পেছনে রয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সের এক পোস্টে আলী লারিজানি বলেছেন, ‘আমি শুনেছি, এপস্টেইন গ্যাং-এর বাকি সদস্যরা ৯/১১-এর মতো একটি ঘটনা ঘটানোর পরিকল্পনা করেছে এবং এর জন্য ইরানকে অভিযুক্ত করার নীল নকশা তৈরি করেছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ইরান এই ধরনের সন্ত্রাসী পরিকল্পনার বিরোধী এবং আমেরিকান জনগণের সঙ্গে আমাদের কোনো যুদ্ধ নেই।’
উল্লেখ্য, ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আল-কায়েদার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ১৯ ব্যক্তি চারটি উড়োজাহাজ ছিনতাই করে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি স্থানে আত্মঘাতী হামলা চালান। এর মধ্যে দুটি উড়োজাহাজ আঘাত হানে নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার বা টুইন টাওয়ারে। তৃতীয় উড়োজাহাজ ভার্জিনিয়ায় মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগনে ও চতুর্থটি পেনসিলভানিয়ায়। ভয়াবহ ওই হামলায় প্রাণ হারান প্রায় ৩ হাজার মানুষ। এটি ‘নাইন-ইলেভেন’ নামে পরিচিত পায়।
সম্প্রতি একের পর এক মার্কিন প্রভাবশালী ও ধনকুবেরদের সঙ্গে জেফরি এপস্টেইনের সম্পর্কের নথিপত্র (এপস্টেইন ফাইল) প্রকাশ হচ্ছিল। ঠিক এই সময়ই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের ওপর হামলা চালিয়েছে।
যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জেফরি এপস্টেইনকে একজন ‘কুখ্যাত ব্যক্তি’ হিসেবে অবহিত করেছেন। তবে ট্রাম্পের সঙ্গে এপস্টেইনের একাধিক ছবি রয়েছে, যা থেকে বোঝা যায় একসময় তাদের মধ্যে বেশ ভালো সম্পর্ক ছিল।
এপস্টেইন ফাইল হলো কুখ্যাত যৌন নিপীড়ক ও নারী-শিশু পাচারকারী জেফরি এপস্টেইন–সম্পর্কিত নথি, প্রমাণ ও আদালতের রেকর্ডের একটি বিশাল সংগ্রহ। ২০১৯ সালে কারাগারে মৃত্যুর (আত্মহত্যা) পর থেকে এই ফাইলগুলো নিয়ে মানুষের মধ্যে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধ আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই শেষ হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট। আজ রোববার এবিসি নিউজের ‘দিস উইক’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেছেন। যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ বৃদ্ধি এবং জ্বালানি...
১৪ মিনিট আগে
বিশ্বজুড়ে সৌদি তেলের ক্রেতাদের কাছে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, তারা লোহিত সাগর থেকে তেল পেতে পারেন, আবার পারস্য উপসাগর থেকেও পেতে পারেন। এই অনিশ্চয়তা দেখে সৌদির এক নিয়মিত তেল ক্রেতা মন্তব্য করেছেন, ‘এই যুদ্ধ কবে শেষ হবে আর আমি কবে তেল পাব, তা জানতে এখন আমাকে ইরানে ফোন করলেই বোধ হয় ভালো হবে।’
৩৯ মিনিট আগে
মধ্যপ্রাচ্যের ছোট্ট কিন্তু তেলসমৃদ্ধ দেশ কুয়েত আবারও এক নতুন যুদ্ধের ছায়ায় পড়ল। কয়েক দশক আগে বিধ্বংসী সংঘাতের ক্ষত বহন করা এই দেশটি এখন আবার উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। কারণ চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনা এবং ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার আশঙ্কা গোটা উপসাগরীয় অঞ্চলকে অস্থির করে তুলেছে।
১ ঘণ্টা আগে
বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহনের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি সব দেশের জন্য বন্ধ করা হয়নি, তবে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের কোনো জাহাজ এই পথে চলতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে ইরান। আজ রোববার লন্ডনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-আরাবি আল-জাদিদে (দ্য নিউ আরব) প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে এই মন্তব্য করেন ইরানের
২ ঘণ্টা আগে