
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধ আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই শেষ হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট। আজ রোববার এবিসি নিউজের ‘দিস উইক’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেছেন। যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ বৃদ্ধি এবং জ্বালানি খরচ কমে আসবে বলেও তিনি পূর্বাভাস দিয়েছেন।
ক্রিস রাইট বলেন, ‘আমি মনে করি, এই সংঘাত আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে—হয়তো তার চেয়েও দ্রুত হতে পারে। যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর আমরা তেলের সরবরাহে পুনরায় গতি ফিরতে দেখব এবং এর ফলে জ্বালানির দামও কমে আসবে।’
তবে জ্বালানিমন্ত্রীর এই আশাবাদের ঠিক উল্টো সুর শোনা গেছে খোদ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কণ্ঠে। যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি এখনই কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে প্রস্তুত নন। যদিও তাঁর মতে তেহরান যুদ্ধবিরতির জন্য আলোচনার টেবিলে বসতে উদ্গ্রীব, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র আরও কঠিন শর্তের জন্য লড়াই চালিয়ে যাবে।
শনিবার এনবিসি নিউজের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প অত্যন্ত আক্রমণাত্মক মেজাজে বলেন, প্রয়োজনে ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্র আবারও বোমাবর্ষণ করতে পারে।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবারই মার্কিন যুদ্ধবিমান ওই দ্বীপের সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছিল। ট্রাম্প বলেন, ‘ইরান চুক্তি করতে চায়, কিন্তু আমি তা চাই না।’
ট্রাম্প আরও জানিয়েছেন, তেলবাহী জাহাজ চলাচলের পথ পরিষ্কার করতে হরমুজ প্রণালির উত্তর দিকে ইরানের উপকূলীয় অঞ্চলে মার্কিন বাহিনী তাদের আক্রমণের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে দেবে।
একদিকে জ্বালানি সচিব যেখানে দ্রুত যুদ্ধ শেষের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন, অন্যদিকে খোদ প্রেসিডেন্ট সেখানে হামলা আরও জোরদার করার এবং শর্তের বিষয়ে অনড় থাকার ঘোষণা দিয়েছেন। হোয়াইট হাউসের এই পরস্পরবিরোধী বার্তা বিশ্বজুড়ে নতুন করে ধোঁয়াশা ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

ইসরায়েলি নাগরিকদের উদ্দেশে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আপনারা বাইরে বেরোন, নির্মল বাতাস নিন, তবে অবশ্যই সুরক্ষিত আশ্রয়ের কাছাকাছি থাকবেন। আপনাদের এই মনোবল আমাকে, সরকারকে, আইডিএফ এবং মোসাদকে শক্তি জোগাচ্ছে।’
৬ মিনিট আগে
পাকিস্তানের পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বেলুচিস্তানের স্বাধীনতার দাবিতে সক্রিয় একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের হামলাকে সমর্থন জানিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের অবস্থান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়া এবং সম্ভাব্য সমর্থন পাওয়ার কৌশল হতে পারে।
২৪ মিনিট আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, তেহরান যুদ্ধ বন্ধে একটি চুক্তি করতে উদগ্রীব, কিন্তু শর্তগুলো ‘মনঃপূত’ না হওয়ায় তিনি তাতে রাজি হননি। ট্রাম্পের এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে আরাঘচি বলেন, ‘না, আমরা কখনোই যুদ্ধবিরতির অনুরোধ করিনি এবং এমনকি আমরা আলোচনার প্রস্তাবও দিইনি।’
১ ঘণ্টা আগে
তিনি কোনো সুনির্দিষ্ট দেশের নাম উল্লেখ না করে জানান, ইতিমধ্যে বেশ কিছু দেশ নিরাপদ যাতায়াতের বিষয়ে আলোচনার জন্য ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের পরমাণু অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতির কথা স্বীকার করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের পরমাণু স্থাপনাগুলো এখন ধ্বংসস্তূপের নিচে।
১ ঘণ্টা আগে