
তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা আট গুণ বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সংস্থার পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে সতর্ক করে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পে তুরস্ক ও সিরিয়ায় মৃতের সংখ্যা যা জানা গেছে, সেটা পর্যাপ্ত নয়। এই সংখ্যা এখনকার তুলনায় আট গুণ পর্যন্ত বাড়তে পারে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, সিরিয়া ও তুরস্কে মৃতের সংখ্যা ৪ হাজার ৮০০ ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে তুরস্কে ৩ হাজার ৩৮১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আর আহত ১৫ হাজারের বেশি। সিরিয়ায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪০০ জনে।
তবে ডব্লিউএইচও সতর্ক করেছে, এই সংখ্যা আট গুণের মতো বাড়তে পারে। কারণ, উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপের মধ্যে একের পর এক মৃতদেহ খুঁজে পাচ্ছে।
ডব্লিউএইচওর সিনিয়র ইমার্জেন্সি অফিসার ক্যাথরিন স্মলউড বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, ‘আমরা সব সময় ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে একই চিত্র দেখতে পাই। শুরুর দিকে হতাহতের সংখ্যা যা থাকে, পরবর্তী সপ্তাহে তা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।’
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, ভূমিকম্পটি স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার ভোর ৪টা ১৭ মিনিটের দিকে তুরস্কের গাজিয়ানটেপ শহরের কাছে ১৭ দশমিক ৯ কিলোমিটার গভীরতায় অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল গাজিয়ানটেপ প্রদেশের নুরদাগি থেকে ২৩ কিলোমিটার পূর্ব দিকে ছিল। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮। ভূমিকম্পটি যখন হয়, তখন বেশির ভাগ মানুষ ঘুমাচ্ছিল। শক্তিশালী এই ভূমিকম্পের কয়েক ঘণ্টা পরই আরেকটি বড় ধরনের ভূমিকম্প হয়। পরের ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল তুরস্কের কাহরামানমারাস প্রদেশের এলবিস্তান এলাকায়। ইউএসজিএস জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৫।
এদিকে মর্মান্তিক এই ভূমিকম্পের ঘটনায় তুরস্কে সাত দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। হতাহতদের স্মরণে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এক মিনিটের নীরবতা পালন করা হয়েছে। ভূমিকম্পের কারণে দেখা দেওয়া চরম মানবিক সংকট মোকাবিলায় তুরস্ক ও সিরিয়াকে তাৎক্ষণিকভাবে সহায়তা দেওয়ার কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ইসরায়েল, রাশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশ।

তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা আট গুণ বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সংস্থার পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে সতর্ক করে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পে তুরস্ক ও সিরিয়ায় মৃতের সংখ্যা যা জানা গেছে, সেটা পর্যাপ্ত নয়। এই সংখ্যা এখনকার তুলনায় আট গুণ পর্যন্ত বাড়তে পারে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, সিরিয়া ও তুরস্কে মৃতের সংখ্যা ৪ হাজার ৮০০ ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে তুরস্কে ৩ হাজার ৩৮১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আর আহত ১৫ হাজারের বেশি। সিরিয়ায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪০০ জনে।
তবে ডব্লিউএইচও সতর্ক করেছে, এই সংখ্যা আট গুণের মতো বাড়তে পারে। কারণ, উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপের মধ্যে একের পর এক মৃতদেহ খুঁজে পাচ্ছে।
ডব্লিউএইচওর সিনিয়র ইমার্জেন্সি অফিসার ক্যাথরিন স্মলউড বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, ‘আমরা সব সময় ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে একই চিত্র দেখতে পাই। শুরুর দিকে হতাহতের সংখ্যা যা থাকে, পরবর্তী সপ্তাহে তা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।’
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, ভূমিকম্পটি স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার ভোর ৪টা ১৭ মিনিটের দিকে তুরস্কের গাজিয়ানটেপ শহরের কাছে ১৭ দশমিক ৯ কিলোমিটার গভীরতায় অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল গাজিয়ানটেপ প্রদেশের নুরদাগি থেকে ২৩ কিলোমিটার পূর্ব দিকে ছিল। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮। ভূমিকম্পটি যখন হয়, তখন বেশির ভাগ মানুষ ঘুমাচ্ছিল। শক্তিশালী এই ভূমিকম্পের কয়েক ঘণ্টা পরই আরেকটি বড় ধরনের ভূমিকম্প হয়। পরের ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল তুরস্কের কাহরামানমারাস প্রদেশের এলবিস্তান এলাকায়। ইউএসজিএস জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৫।
এদিকে মর্মান্তিক এই ভূমিকম্পের ঘটনায় তুরস্কে সাত দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। হতাহতদের স্মরণে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এক মিনিটের নীরবতা পালন করা হয়েছে। ভূমিকম্পের কারণে দেখা দেওয়া চরম মানবিক সংকট মোকাবিলায় তুরস্ক ও সিরিয়াকে তাৎক্ষণিকভাবে সহায়তা দেওয়ার কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ইসরায়েল, রাশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশ।

ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
৭ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
৮ ঘণ্টা আগে