
বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম। সোমবার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী ব্যারেল প্রতি তেলের দাম ৩ ডলারেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পর ইউরোপীয় ইউনিয়নও রাশিয়ার তেল রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে এমন আশঙ্কার মুখে এই দাম বৃদ্ধির খবর এল। সোমবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
সোমবার অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের মূল্য ৩ দশমিক ৪০ ডলার বা ৩ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১১ দশমিক ৩৩ ডলারে। চলতি সপ্তাহে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর সরকার ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মধ্যে রাশিয়ার ওপর কী কী বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা এবং শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া যায় সে বিষয়ে আলোচনার ঠিক প্রাক্কালে তেলের এই মূল্যবৃদ্ধি ঘটল।
তবে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর সরকার এখন রাশিয়ার তেল রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে কিনা তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ইউরোপীয় ইউনিয়নের তেলের চাহিদা পূরণের বিকল্প উৎস নিশ্চিত না করে রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ করবে না।
এ দিকে, সোমবার নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুট বলেছেন, ‘নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি অবাস্তব। কারণ ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো এখনো জ্বালানি চাহিদা মেটাতে রাশিয়ার তেল-গ্যাসের ওপর নির্ভর করে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন স্বল্প সময়ের নোটিশে নিজেদের রাশিয়ার তেল-গ্যাসের সরবরাহ থেকে নিজেদের বিচ্ছিন্ন করতে পারে না।’
ভিলনিয়াসে লিথুয়ানিয়ার প্রেসিডেন্ট গিতানাস নাউসেদার সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্ক রুট আরও বলেন, ‘ইউরোপের পূর্ব ও পশ্চিম অংশে অনেক শোধনাগার এখনো সম্পূর্ণরূপে রাশিয়ার তেলের ওপর নির্ভর করে, গ্যাসের বিষয়ে রাশিয়ার ওপর নির্ভরতা আরও ভয়াবহ। আমাদের সেই নির্ভরতা দূর করতে হবে। এটি যত দ্রুত সম্ভব করা দরকার, কিন্তু আমরা একদিনেই তা করতে পারব না।’

বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম। সোমবার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী ব্যারেল প্রতি তেলের দাম ৩ ডলারেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পর ইউরোপীয় ইউনিয়নও রাশিয়ার তেল রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে এমন আশঙ্কার মুখে এই দাম বৃদ্ধির খবর এল। সোমবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
সোমবার অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের মূল্য ৩ দশমিক ৪০ ডলার বা ৩ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১১ দশমিক ৩৩ ডলারে। চলতি সপ্তাহে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর সরকার ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মধ্যে রাশিয়ার ওপর কী কী বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা এবং শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া যায় সে বিষয়ে আলোচনার ঠিক প্রাক্কালে তেলের এই মূল্যবৃদ্ধি ঘটল।
তবে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর সরকার এখন রাশিয়ার তেল রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে কিনা তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ইউরোপীয় ইউনিয়নের তেলের চাহিদা পূরণের বিকল্প উৎস নিশ্চিত না করে রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ করবে না।
এ দিকে, সোমবার নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুট বলেছেন, ‘নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি অবাস্তব। কারণ ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো এখনো জ্বালানি চাহিদা মেটাতে রাশিয়ার তেল-গ্যাসের ওপর নির্ভর করে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন স্বল্প সময়ের নোটিশে নিজেদের রাশিয়ার তেল-গ্যাসের সরবরাহ থেকে নিজেদের বিচ্ছিন্ন করতে পারে না।’
ভিলনিয়াসে লিথুয়ানিয়ার প্রেসিডেন্ট গিতানাস নাউসেদার সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্ক রুট আরও বলেন, ‘ইউরোপের পূর্ব ও পশ্চিম অংশে অনেক শোধনাগার এখনো সম্পূর্ণরূপে রাশিয়ার তেলের ওপর নির্ভর করে, গ্যাসের বিষয়ে রাশিয়ার ওপর নির্ভরতা আরও ভয়াবহ। আমাদের সেই নির্ভরতা দূর করতে হবে। এটি যত দ্রুত সম্ভব করা দরকার, কিন্তু আমরা একদিনেই তা করতে পারব না।’

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৫ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৭ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৮ ঘণ্টা আগে