গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধের দাবানল পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার এই সংঘাতে কেবল ইরান নয়, প্রতিবেশী দেশগুলোতেও ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। বিভিন্ন দেশের সরকারি ও বেসরকারি সূত্রের তথ্যানুযায়ী হতাহতের একটি পূর্ণাঙ্গ চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো।
এই যুদ্ধে ইরানের বাইরে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে লেবানন। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৩৪৫ জন নিহত হয়েছে, যাদের মধ্যে ১২৫ জনই শিশু। এ ছাড়া আহত হয়েছে ৪ হাজার ৪০ জনের বেশি।
ইসরায়েলে এ পর্যন্ত ২৮ জন নিহত হয়েছে, যাদের মধ্যে ১০ জন ইসরায়েলি সেনা লেবাননে যুদ্ধের সময় প্রাণ হারিয়েছে। অন্যদের মধ্যে প্রায় সবাই বেসামরিক নাগরিক। দেশটিতে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৩ হাজার ২২৩ জন। অন্যদিকে মার্কিন বাহিনীর ১৩ জন সদস্য যুদ্ধক্ষেত্রে এবং ২ জন অন্য কারণে নিহত হয়েছে। এ ছাড়া দুই শতাধিক মার্কিন সেনা আহত হয়েছে।
উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) ১২ জন নিহত ও ১৬৯ জন আহত হয়েছে। কুয়েতে ছয়জন, ওমানে তিনজন, বাহরাইনে তিনজন এবং সৌদি আরবে দুজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ছাড়া কাতারে ১৬ জন এবং জর্ডানে ২০ জন আহত হয়েছে।
এ ছাড়া অভ্যন্তরীণ সংঘাতের জেরে ইরাকে প্রাণ হারিয়েছে ১০৭ জনের বেশি। সিরিয়ায় চারজন এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরে আরও চারজন নিহত হয়েছে।

ইরানের পুরস্কারপ্রাপ্ত মানবাধিকার আইনজীবী নাসরিন সোতুদেহকে তেহরানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তাঁর পরিবার। তবে গ্রেপ্তারের পর থেকে তাঁর অবস্থান এখনো অজানা। এই ঘটনায় দেশটির নাগরিক সমাজের ওপর সরকারের দমন-পীড়ন নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মানবাধিকারকর্মীরা।
১ ঘণ্টা আগে
ইরান যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘন ঘন অবস্থান পরিবর্তন ও স্ববিরোধী মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ। আজ বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দক্ষিণ কোরিয়ায় এক রাষ্ট্রীয় সফরকালে তিনি অভিযোগ করেন, ট্রাম্পের এই অসংলগ্ন আচরণ বিশ্বজুড়ে বিভ্রান্তি তৈরি করছে।
২ ঘণ্টা আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহতের সংখ্যা ২ হাজার ছাড়িয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জানানো হয়, এ পর্যন্ত অন্তত ২ হাজার ৭৬ জন নিহত এবং ২৬ হাজার ৫০০ জন আহত হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘ওটা মাটির অনেক গভীরে, আমি ওসবের পরোয়া করি না।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সব সময় স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সেদিকে নজর রাখব।’ অথচ এক দিন আগেও তিনি যুদ্ধের মূল লক্ষ্য হিসেবে ‘ইরানি শাসনের পতন’ ও ‘পারমাণবিক সক্ষমতা নির্মূল’ করার কথা জোর দিয়ে বলেছিলেন।
২ ঘণ্টা আগে