
আফ্রিকার দেশ নাইজেরিয়ায় তেলবাহী ট্যাংকার বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৭। স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার নাইজেরিয়ার জিগাওয়া প্রদেশের একটি এলাকায় এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। দেশটি জাতীয় জরুরি সেবা বিভাগের জিগাওয়া ইউনিট প্রাণহানির সংখ্যা নিশ্চিত করেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
নাইজেরিয়ায় সাম্প্রতিক সময়ে চরমপন্থী গোষ্ঠীর ব্যাপক উত্থান ঘটেছে। যার ফলে, দেশটির নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই ট্যাংকার বিস্ফোরণের ঘটনা ও এতে প্রাণহানির সংখ্যা সাম্প্রতিক সময়ে দেশটিতে সবচেয়ে ভয়াবহ একটি ঘটনা।
জিগাওয়া প্রদেশের জাতীয় জরুরি সেবা বিভাগের প্রধান কর্মকর্তা হারুনা মাইরিগা দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ১৪৭ বলে জানিয়েছেন। এর আগে, গতকাল এই দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা জানানো হয়েছিল ৯৪ এবং আহতের সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছিল প্রায় ৫০।
স্থানীয় পুলিশের মুখপাত্র লাওয়ান শিসু আদম বলেন, ট্যাংকারটি নাইজেরিয়া প্রাচীন শহর কানো থেকে উত্তরের ইয়োবে প্রদেশের দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে রাজধানী আবুজা থেকে প্রায় ৫৩০ কিলোমিটার উত্তরে জিগাওয়া প্রদেশের টাউরা নামক স্থানীয় সরকার এলাকার মাজিয়া শহরের কাছে চালক ট্যাংকারটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। ফলে এটি উল্টে গিয়ে জ্বালানি ছড়িয়ে পড়ে এবং আগুন ধরে বিস্ফোরণ ঘটে।
শিসু আদম বলেন, ট্যাংকারটি পড়ে যাওয়ার পর স্থানীয়রা সেটি থেকে তেল সংগ্রহে হুড়োহুড়ি শুরু করে দেয়। একপর্যায়ে সেখানে আগুন লেগে গেলে তা দ্রুতই আশপাশের গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে এবং এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। তিনি জানান, আহতদের রিঙ্গিম ও হাদেজিয়া শহরে বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে তাদের চিকিৎসা চলছে।
নাইজেরিয়ার সড়ক যোগাযোগ অবকাঠামোর যথেষ্ট খারাপ। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে অধিকাংশ সড়কেই বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। যার কারণে ভরা, ব্যাপক দুর্ঘটনা ঘটে এবং প্রতি বছর কয়েক ডজন মানুষ প্রাণ হারায়। সর্বশেষ গত মাসে নাইজেরিয়া মধ্যাঞ্চলে একটি ট্রাক ও ট্যাংকারের সংঘর্ষ হয়। সেই সংঘর্ষে অন্তত ৪৮ জন প্রাণ হারান।

আফ্রিকার দেশ নাইজেরিয়ায় তেলবাহী ট্যাংকার বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৭। স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার নাইজেরিয়ার জিগাওয়া প্রদেশের একটি এলাকায় এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। দেশটি জাতীয় জরুরি সেবা বিভাগের জিগাওয়া ইউনিট প্রাণহানির সংখ্যা নিশ্চিত করেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
নাইজেরিয়ায় সাম্প্রতিক সময়ে চরমপন্থী গোষ্ঠীর ব্যাপক উত্থান ঘটেছে। যার ফলে, দেশটির নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই ট্যাংকার বিস্ফোরণের ঘটনা ও এতে প্রাণহানির সংখ্যা সাম্প্রতিক সময়ে দেশটিতে সবচেয়ে ভয়াবহ একটি ঘটনা।
জিগাওয়া প্রদেশের জাতীয় জরুরি সেবা বিভাগের প্রধান কর্মকর্তা হারুনা মাইরিগা দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ১৪৭ বলে জানিয়েছেন। এর আগে, গতকাল এই দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা জানানো হয়েছিল ৯৪ এবং আহতের সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছিল প্রায় ৫০।
স্থানীয় পুলিশের মুখপাত্র লাওয়ান শিসু আদম বলেন, ট্যাংকারটি নাইজেরিয়া প্রাচীন শহর কানো থেকে উত্তরের ইয়োবে প্রদেশের দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে রাজধানী আবুজা থেকে প্রায় ৫৩০ কিলোমিটার উত্তরে জিগাওয়া প্রদেশের টাউরা নামক স্থানীয় সরকার এলাকার মাজিয়া শহরের কাছে চালক ট্যাংকারটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। ফলে এটি উল্টে গিয়ে জ্বালানি ছড়িয়ে পড়ে এবং আগুন ধরে বিস্ফোরণ ঘটে।
শিসু আদম বলেন, ট্যাংকারটি পড়ে যাওয়ার পর স্থানীয়রা সেটি থেকে তেল সংগ্রহে হুড়োহুড়ি শুরু করে দেয়। একপর্যায়ে সেখানে আগুন লেগে গেলে তা দ্রুতই আশপাশের গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে এবং এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। তিনি জানান, আহতদের রিঙ্গিম ও হাদেজিয়া শহরে বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে তাদের চিকিৎসা চলছে।
নাইজেরিয়ার সড়ক যোগাযোগ অবকাঠামোর যথেষ্ট খারাপ। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে অধিকাংশ সড়কেই বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। যার কারণে ভরা, ব্যাপক দুর্ঘটনা ঘটে এবং প্রতি বছর কয়েক ডজন মানুষ প্রাণ হারায়। সর্বশেষ গত মাসে নাইজেরিয়া মধ্যাঞ্চলে একটি ট্রাক ও ট্যাংকারের সংঘর্ষ হয়। সেই সংঘর্ষে অন্তত ৪৮ জন প্রাণ হারান।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৩ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৬ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৭ ঘণ্টা আগে