বুরকিনা ফাঁসোতে অস্ত্রধারীদের হামলায় অন্তত ১০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। বুরকিনা ফাসোর উত্তরাঞ্চলীয় একটি গ্রামঞ্চলে ওই হামলা এবং হতাহতের ঘটনা ঘটে। দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স সোমবার এক প্রতিবেদনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অস্ত্রধারীরা দেশটির সেনো প্রদেশের সেইতেঙ্গা সম্প্রদায়ের ওপর গত শনিবার রাতে হামলা চালায়। ওই হামলায়ই প্রাণহানীর ঘটনা ঘটে। ধারণা করা হচ্ছে, সীমান্তবর্তী ওই গ্রামটিতে যারা হামলা চালিয়েছে তাঁরা আল–কায়েদা এবং ইসলামিক স্টেটের সঙ্গে সম্পৃক্ত।
এদিকে, স্থানীয় নিরাপত্তা বাহিনী নিহতের সংখ্যা ১০০ জন বললেও স্থানীয় একটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, মৃতের সংখ্যা ১৬৫ জন। তবে, সূত্রটির দেওয়া তথ্যের সতত্য নিশ্চিত করতে পারেনি রয়টার্স। ধারণা করা হচ্ছে, সোমবারের পর যেকোনো সময় মৃতের প্রকৃত সংখ্যা জানাতে পারে।
অপরদিকে, জাতিসংঘ এই হামলায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটি ‘ব্যাপক হতাহত’ হয়েছে উল্লেখ করে বলেছে, স্থানীয় প্রশাসনের উচিত দ্রুত আক্রমণকারীদের বিচারের আওতায় আনা।
এদিকে, ওই ঘটনার আগে গত বৃহস্পতিবার অস্ত্রধারীদের হামলায় অন্তত ১১ জন সামরিক পুলিশের মৃত্যু হয়েছে। সবমিলিয়ে, ১১ জন পুলিশসহ ওই ১০০ জনের মৃত্যু বিগত ৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে, গত বছরের জুনে দেশটির উত্তর–পূর্বাঞ্চলীয়দের হামলায় অন্তত ১৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

ভারত মহাসাগরে মার্কিন সাবমেরিন থেকে ছোড়া টর্পেডো হামলায় নিহত ৮৪ জন ইরানি নাবিকের মরদেহ ইরানে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে শ্রীলঙ্কা। গত ৪ মার্চ যুদ্ধের মূল রণক্ষেত্র থেকে অনেক দূরে আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইরানি ফ্রিগেট ‘আইআরআইএস ডেনা’ ডুবিয়ে দেওয়ার নয় দিন পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো।
৩৩ মিনিট আগে
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি, দক্ষিণ আফ্রিকায় শ্বেতাঙ্গরা নির্যাতিত হচ্ছে। তাই তিনি শরণার্থী হিসেবে তাদের যুক্তরাষ্ট্রে নিচ্ছেন। কিন্তু বাস্তবে অনেক শ্বেতাঙ্গ দক্ষিণ আফ্রিকান উন্নত জীবনের আশায় নিজেদের দেশেই ফিরে যাচ্ছেন।
২ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান সামরিক সংঘাতের উত্তাপ বাড়লেও তাতে সরাসরি জড়াতে নারাজ ইউরোপের শক্তিশালী দেশ জার্মানি। জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রেডরিক মার্জ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও তার মিত্রদের সঙ্গে পশ্চিমা বিশ্বের যে যুদ্ধাবস্থা তৈরি হয়েছে, বার্লিন কোনোভাবেই সেই যুদ্ধের অংশ হত
২ ঘণ্টা আগে
নারীদের জন্য বাধ্যতামূলক ঋতুকালীন ছুটি বা ‘মেনস্ট্রুয়াল লিভ’ সংক্রান্ত আইন করা হলে তা কর্মক্ষেত্রে তাঁদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। আদালত মনে করেন, এমন আইন থাকলে নিয়োগকর্তারা নারীদের চাকরিতে নিতে অনাগ্রহী হবেন।
২ ঘণ্টা আগে