ফিচার ডেস্ক

চিয়া সিডের পানি খাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কোনো সময় নেই। কখন খাবেন, তা সম্পূর্ণ নির্ভর করে আপনার ব্যক্তিগত পছন্দের ওপর। অনেকে ক্ষুধা দমন করার জন্য চিয়া সিডের পানি খান। সন্ধ্যায় পান করলে রাতে ঘুমানোর আগে ক্ষুধা কমাতে সাহায্য করতে পারে। তবে, যদি অনেকক্ষণ না খেয়ে থাকেন এবং সত্যিই ক্ষুধার্ত হন, তবে শুধু চিয়া সিডের পানি খাওয়ার চেয়ে পুষ্টিকর খাবার খেয়ে শরীরকে শক্তি জোগানোই ভালো।
আমরা জানি, চিয়া সিডের পানির অনেক উপকারিতা রয়েছে। তবে এটি খাওয়ার সময় শরীরের প্রতিক্রিয়ার ওপর বড় প্রভাব ফেলে। দিনের একেবারে শেষে; বিশেষ করে ঘুমানোর ঠিক আগে চিয়া সিডের পানি খাওয়া ভালো নয়। কারণ, চিয়া সিডে প্রচুর আঁশ থাকে, যা শোয়ার আগে খেলে ফোলা ভাব, গ্যাস বা হজমের সমস্যা হতে পারে। এ ধরনের হজমপ্রক্রিয়া ঘুমাতে অসুবিধা তৈরি করতে পারে। শরীরকে অতিরিক্ত কাজ করতে বাধ্য করায় দিনের শক্তির ভারসাম্যও নষ্ট হতে পারে।
এ ছাড়া ভারী খাবারের ঠিক আগে চিয়া সিডের পানি খাওয়াও এড়ানো উচিত। কারণ, এটি পেট ফোলায় এবং ক্ষুধা দমন করে, যা প্রথমে ভালো মনে হলেও সুষম খাবার খাওয়া এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি শোষণে বাধা দিতে পারে।
চিয়া সিডের পানি সকালবেলা বা ব্যায়ামের আগে খাওয়া ভালো। তখন শরীর শক্তি, পানিশূন্যতা রোধ এবং হজমের সুবিধা—সবকিছু ভালোভাবে ব্যবহার করতে পারে। সময়ের দিকে খেয়াল রাখলে সহজে চিয়া সিডের পানির উপকারিতা উপভোগ করতে পারবেন কোনো রকম অস্বস্তি ছাড়াই।

চিয়া সিডের পানি খাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কোনো সময় নেই। কখন খাবেন, তা সম্পূর্ণ নির্ভর করে আপনার ব্যক্তিগত পছন্দের ওপর। অনেকে ক্ষুধা দমন করার জন্য চিয়া সিডের পানি খান। সন্ধ্যায় পান করলে রাতে ঘুমানোর আগে ক্ষুধা কমাতে সাহায্য করতে পারে। তবে, যদি অনেকক্ষণ না খেয়ে থাকেন এবং সত্যিই ক্ষুধার্ত হন, তবে শুধু চিয়া সিডের পানি খাওয়ার চেয়ে পুষ্টিকর খাবার খেয়ে শরীরকে শক্তি জোগানোই ভালো।
আমরা জানি, চিয়া সিডের পানির অনেক উপকারিতা রয়েছে। তবে এটি খাওয়ার সময় শরীরের প্রতিক্রিয়ার ওপর বড় প্রভাব ফেলে। দিনের একেবারে শেষে; বিশেষ করে ঘুমানোর ঠিক আগে চিয়া সিডের পানি খাওয়া ভালো নয়। কারণ, চিয়া সিডে প্রচুর আঁশ থাকে, যা শোয়ার আগে খেলে ফোলা ভাব, গ্যাস বা হজমের সমস্যা হতে পারে। এ ধরনের হজমপ্রক্রিয়া ঘুমাতে অসুবিধা তৈরি করতে পারে। শরীরকে অতিরিক্ত কাজ করতে বাধ্য করায় দিনের শক্তির ভারসাম্যও নষ্ট হতে পারে।
এ ছাড়া ভারী খাবারের ঠিক আগে চিয়া সিডের পানি খাওয়াও এড়ানো উচিত। কারণ, এটি পেট ফোলায় এবং ক্ষুধা দমন করে, যা প্রথমে ভালো মনে হলেও সুষম খাবার খাওয়া এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি শোষণে বাধা দিতে পারে।
চিয়া সিডের পানি সকালবেলা বা ব্যায়ামের আগে খাওয়া ভালো। তখন শরীর শক্তি, পানিশূন্যতা রোধ এবং হজমের সুবিধা—সবকিছু ভালোভাবে ব্যবহার করতে পারে। সময়ের দিকে খেয়াল রাখলে সহজে চিয়া সিডের পানির উপকারিতা উপভোগ করতে পারবেন কোনো রকম অস্বস্তি ছাড়াই।

ঘাড়ের পেছনে বা বগলের নিচে ত্বক কুঁচকে কালো হয়ে যাওয়া মানেই সেটি সব সময় অপরিচ্ছন্নতার লক্ষণ নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় এটি অনেক সময় ‘অ্যাকান্থোসিস নিগ্রিকান্স’ হতে পারে। সাধারণভাবে এটি ক্ষতিকর না হলেও, অনেক ক্ষেত্রে এটি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা অন্যান্য বিপাকীয় সমস্যার
২ দিন আগে
দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
৫ দিন আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
৬ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
৬ দিন আগে