
যেকোনো সময় ভারী খাবার খাওয়ার পর হজমশক্তি স্বাভাবিকভাবে ধীর হয়ে যায়। এতে পেট ফাঁপা, বদহজম, পেটব্যথা ও বমির মতো নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। কারণ, হজমপ্রক্রিয়ার জন্য শরীরকে যথেষ্ট শক্তি ব্যয় করতে হয়।
বয়স বেড়ে যাওয়া, পুষ্টির ঘাটতি কিংবা হঠাৎ করে বেশি খাওয়ার কারণে যদি এনজাইমের উৎপাদন কমে যায়, তাহলে খাবার হজম হতে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি সময় দরকার হয়। আর তখনই পেট ভারী বোধ হয়। বেশি তেল মসলাযুক্ত খাবার, স্যাচুরেটেড ফ্যাট, ভাজাপোড়া এবং অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার বেশি খাওয়ার ফলে পেটে গ্যাস তৈরি হতে পারে।
ঈদুল আজহায় ভারী খাবার খাওয়া হয় বেশি। এতে অস্বস্তি বাড়ে। এ থেকে দূরে থাকতে কিছু খাবার খেতে হবে। তাতে হজমপ্রক্রিয়া দ্রুত হবে। দেখে নিন, এই ঈদে কোন খাবারগুলো আপনাকে স্বস্তি দিতে পারে—
হালকা গরম পানি: খাবার খাওয়ার ৩০-৪০ মিনিট পর হালকা গরম পানি পান করতে পারেন। এর সঙ্গে একটু লেবুর রস আর সামান্য লবণ মিশিয়ে খেলে শরীরে বিপাকের হার বাড়বে এবং টক্সিন বেরিয়ে যায়। তবে খাওয়ার মাঝখানে পানি পান করবেন না। এ ছাড়া খাওয়ার পরপরই চা বা কফি পান করবেন না। এই ধরনের পানীয়ে ফেনোলিক নামক যৌগ ও ক্যাফেইন থাকে, যা খাবার থেকে পুষ্টি শোষণ করতে বাধা দেয়।
দই: যেকোনো ভারী খাবার খাওয়ার ১৫-২০ মিনিট পর প্রোবায়োটিক খাবার খান। ভালো উপকার পাবেন টক দই খেলে। এটি দ্রুত হজমশক্তি দেওয়ার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করবে। দইয়ের সঙ্গে ভাজা জিরা মিশিয়ে নিতে পারেন।
বোরহানি: খাবার খাওয়ার পর বোরহানি, লাচ্ছি বা মাঠা পান করতে পারেন। এগুলো হজমে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
আদা ও জিরা ভেজানো পানি: আদায় রয়েছে জিঞ্জেরল নামক উপাদান। এটি দ্রুত খাবার ভাঙতে এবং বমি ভাব কমাতে সাহায্য করে। জিরায় থাকা বিভিন্ন উপাদান পেটের গ্যাস কমাতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। তবে খাবার খাওয়ার পর বোতলজাত জিরাপানি পান করবেন না।
মৌরি বীজ: মৌরি পরিপাকতন্ত্রের পেশি শিথিল করতে সাহায্য করে বলে বদহজম, পেট ফাঁপা ও গ্যাসের অস্বস্তি ভাব কমে। ভারী খাবারের পরে এক চা-চামচ মৌরি বীজ চিবিয়ে খান।
অ্যাপল সিডার ভিনেগার: অ্যাপল সিডার ভিনেগার হজমের জন্য চমৎকার। পানির সঙ্গে মিশিয়ে পান করলে এটি পাকস্থলীতে আরও অ্যাসিড তৈরি করতে সাহায্য করে, যা খাবার ভাঙার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ভারী খাবারের আগে বা পরে এক গ্লাস পানিতে এক চা-চামচ অ্যাপল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে পান করলে পেট ভালো রাখতে সাহায্য করবে।
ফল: অনেকে জানি, ফল খেলে হজম শক্তি বাড়ে। সে ক্ষেত্রে এনজাইমসমৃদ্ধ ফল বেছে নেওয়া ভালো। যেমন পেঁপে বা আনারস। পেঁপেতে থাকা পাপাইন এনজাইম এবং আনারসে থাকা ব্রোমেলেন এনজাইম প্রোটিন নরম করে, যা ভারী খাবার হজমে সহায়তা করে। তবে যাঁদের আগে থেকে পেটের সমস্যা আছে, তাঁরা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে আনারস বা পেঁপে খাবেন।
ডিটক্স পানীয়: ভারী খাবার খাওয়ার পর পানিতে সামান্য লেবু মিশিয়ে শসা, পুদিনাপাতা কিংবা তেঁতুল ভেজানো পানি পান করতে পারেন। এতে উন্নত হবে হজমশক্তি।
লিনা আকতার, পুষ্টিবিদ, রাইয়ান হেলথ কেয়ার হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার, দিনাজপুর

ওষুধের দাম সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখাই ওষুধনীতির একমাত্র বা মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়। রোগীর সামর্থ্যের মধ্যে প্রয়োজনীয় ওষুধের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মানসম্মত ওষুধের উৎপাদন ও সরবরাহ টেকসই রাখতে বাস্তবসম্মত মূল্য নির্ধারণ প্রয়োজন।
৯ ঘণ্টা আগে
দেশে গত এক দিনে ডেঙ্গুতে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এডিস মশাবাহিত এই রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরও ৯০৭ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, চলতি বছর ডেঙ্গুতে এ নিয়ে মোট ৮৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে চলতি মাসেই মারা গেছে ৩৪ জন।
১০ ঘণ্টা আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৩৭৬ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এর পরেই রয়েছে সিলেট বিভাগ, সেখানে মারা গেছে ১৪২ জন। এ ছাড়া বরিশালে ৪৯, চট্টগ্রামে ৬৪, খুলনায় ৩৩, ময়মনসিংহে ৭৪, রাজশাহীতে ৯২ ও রংপুর বিভাগে ১৪ জন মারা গেছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
হৃদ্পেশিতে রক্ত ও অক্সিজেন সরবরাহকারী কোনো করোনারি ধমনি বন্ধ হয়ে গেলে সাধারণত হার্ট অ্যাটাক বা মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন ঘটে। ফলে হৃৎযন্ত্রের প্রয়োজনীয় অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবরাহ ব্যাহত হয়। দীর্ঘ সময় এই অবস্থা চলতে থাকলে হৃদ্পেশির ক্ষতি এমনকি মৃত্যুও হতে পারে।
১৪ ঘণ্টা আগে