যেকোনো বিবেচনায় ব্লাড ক্যানসার ভয়াবহ রোগ। কিন্তু খুব দ্রুত ও যথাসময়ে চিকিৎসা শুরু হলে রোগীর ভালো সাড়া পাওয়া যায়।
শিশুদের যেসব ক্যানসার হয়ে থাকে, তার মধ্যে বেশি হয় লিউকোমিয়া বা ব্লাড ক্যানসার। সারা বিশ্বে শিশুদের সব ক্যানসারের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ হলো লিউকোমিয়া। প্রতিবছর আড়াই থেকে তিন হাজার শিশু লিউকোমিয়ায় আক্রান্ত হয়।
লিউকোমিয়া কী
লিউকোমিয়া বোনম্যারো বা অস্থিমজ্জার রোগ। রক্তে যেসব কণিকা থাকে, সেগুলো অস্থিমজ্জায় তৈরি হয় এবং ধাপে ধাপে পরিপক্ব বা ম্যাচিউর হয়ে রক্তে আসে। যদি কোনো কারণে পরিপক্বতার ধাপগুলো সঠিকভাবে না হয় বা ম্যাচিউরেশন অ্যারেস্ট হয়, তখনই লিউকোমিয়া রোগ হয়।
রোগের কারণ
লিউকোমিয়ার এককভাবে কোনো কারণ এখনো পর্যন্ত জানা যায়নি। তবে কিছু জেনেটিক মিউটেশন ও ক্রোমোজোমের অস্বাভাবিকতা এই রোগের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত বলে
জানা যায়।
লিউকোমিয়া মূলত দুই প্রকার:
১. অ্যাকিউট লিউকোমিয়া
২. ক্রনিক লিউকোমিয়া
লিউকোমিয়ার লক্ষণ
লিউকোমিয়ার লক্ষণগুলো প্রকাশ পেলে দেরি না করে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। প্রাথমিকভাবে শিশুর রক্তের সিবিসি পরীক্ষা করাতে হবে এবং পরে প্রয়োজন অনুসারে বোনম্যারো ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করতে হবে। যত দ্রুত রোগ নির্ণয় সম্পন্ন হবে শিশুটির সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা ততই বৃদ্ধি পাবে।
চিকিৎসার পদ্ধতি
প্রাথমিক পর্যায়ে রোগটি ধরা পড়লে সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে এর নিরাময় সম্ভব।
লেখক: শিশু হেমাটোলজি ও অনকোলোজি বিশেষজ্ঞ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সভাপতিত্বে ১০ জুলাই সন্ধ্যায় দেশের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে এক জরুরি ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিবসহ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভাগীয় পরিচালক এবং দেশের সব সিভিল সার্জন অংশ নেন। সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য মাঠপর্যায়ে...
৫ ঘণ্টা আগে
শিশু এবং স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য ফল শুধু ভিটামিনই সরবরাহ করে না; অল্প বয়স থেকে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গঠনে সাহায্য করে। শিক্ষার্থীদের কাছেও মিষ্টির পরিবর্তে ফল স্বাস্থ্যকর নাশতা হতে পারে। এটি সুস্বাদু এবং স্বাস্থ্যকরভাবে খাওয়ার সঠিক উপায় জেনে রাখা জরুরি। অনেকে ফলের পুষ্টিগুণ তাদের পরিপাকতন্ত্র
১৩ ঘণ্টা আগে
আমরা অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম নিয়ে দুশ্চিন্তা করি। সে ক্ষেত্রে মনোযোগ থাকে মূলত মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন, হাতের স্মার্টফোন কিংবা কবজির স্মার্টওয়াচ আপনার শরীরের ওপর কী ধরনের স্থায়ী প্রভাব ফেলছে? গবেষক ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকা, টাইপ করা
১৪ ঘণ্টা আগে
ভুলে যাওয়ার প্রবণতা কিংবা মনোযোগের অভাব আধুনিক জীবনের একটি বড় সমস্যা। তবে কৃত্রিম কোনো ওষুধ ছাড়াই শুধু দৈনন্দিন জীবনযাত্রা আর খাদ্যাভ্যাসে কিছু পরিবর্তন এনেই স্মৃতিশক্তি প্রখর করা সম্ভব। সচেতনভাবে এই অভ্যাসগুলো প্রতিদিনের রুটিনে জড়িয়ে নিলে দীর্ঘকাল ধরে মস্তিষ্কের তীক্ষ্ণতা বজায় রাখা সম্ভব।
১৫ ঘণ্টা আগে