নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সম্প্রতি বিজ্ঞপ্তি ছাড়া অ্যাডহক ভিত্তিতে ৬৫ জন চিকিৎসক নিয়োগ দিয়েছিল বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট। এ নিয়ে বিতর্ক দেখা দিলে গতকাল শনিবার নিয়োগ বাতিল করে কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি আজ রোববার (২০ জুলাই) বিকেলে নিশ্চিত করেছেন পরিচালক অধ্যাপক মাহবুবুল আলম।
ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, নিয়োগ বাতিলের পাশাপাশি নতুন করে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সমসংখ্যক চিকিৎসক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মাহবুবুল আলম বলেন, নিয়োগ নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। তাই পরিচালনা বোর্ডের সভায় আলোচনা শেষে সর্বসম্মতভাবে এ নিয়োগ বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এখন নিয়ম অনুযায়ী বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নতুনভাবে নিয়োগ দেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ১২ ও ১৩ এপ্রিল হাসপাতালের পরিচালনা বোর্ডের ২২ ও ২৩তম সভার পর ৪ জুলাই ৬৫ জন চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়। হাসপাতালে অস্থায়ী ভিত্তিতে কর্মরত চিকিৎসকদের একটি অংশকে কোনো প্রকার প্রক্রিয়া ছাড়াই নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।
এদিকে তদন্ত কমিটি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছ ও পক্ষপাতদুষ্টের সত্যতা পায় বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। এতে পর্ষদের শীর্ষ পদের ব্যক্তিরা ও হাসপাতালের কর্তাব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পছন্দের প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, পরীক্ষা নেওয়া, খাতা মূল্যায়ন, মেধাক্রম অনুযায়ী ফল প্রকাশ ও প্রজ্ঞাপন ছাড়া এ নিয়োগ বাতিল করে নতুন নিয়োগের আহ্বান জানিয়ে আসছিলেন চিকিৎসকেরা।
এদিকে ১৪ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৫ উপলক্ষে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম বলেন, বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালে পরীক্ষা ছাড়া নিয়োগের বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে কী কারণে এমন নিয়োগ দেওয়া হলো, সেই ব্যাখ্যাও চাওয়া হয়েছে। তিনি আরও যোগ করেন, ‘তদন্ত শেষে আইনিভাবে যা যা দরকার, তা করা হবে। আমরা কোনো বেআইনি কাজ করব না এবং বেআইনি কাজকে প্রশ্রয় দেব না।’
উপদেষ্টার ওই বক্তব্যের এক সপ্তাহ পর নিয়োগ বাতিল করে নতুন নিয়োগের কথা জানিয়েছে ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ।

সম্প্রতি বিজ্ঞপ্তি ছাড়া অ্যাডহক ভিত্তিতে ৬৫ জন চিকিৎসক নিয়োগ দিয়েছিল বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট। এ নিয়ে বিতর্ক দেখা দিলে গতকাল শনিবার নিয়োগ বাতিল করে কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি আজ রোববার (২০ জুলাই) বিকেলে নিশ্চিত করেছেন পরিচালক অধ্যাপক মাহবুবুল আলম।
ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, নিয়োগ বাতিলের পাশাপাশি নতুন করে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সমসংখ্যক চিকিৎসক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মাহবুবুল আলম বলেন, নিয়োগ নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। তাই পরিচালনা বোর্ডের সভায় আলোচনা শেষে সর্বসম্মতভাবে এ নিয়োগ বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এখন নিয়ম অনুযায়ী বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নতুনভাবে নিয়োগ দেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ১২ ও ১৩ এপ্রিল হাসপাতালের পরিচালনা বোর্ডের ২২ ও ২৩তম সভার পর ৪ জুলাই ৬৫ জন চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়। হাসপাতালে অস্থায়ী ভিত্তিতে কর্মরত চিকিৎসকদের একটি অংশকে কোনো প্রকার প্রক্রিয়া ছাড়াই নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।
এদিকে তদন্ত কমিটি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছ ও পক্ষপাতদুষ্টের সত্যতা পায় বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। এতে পর্ষদের শীর্ষ পদের ব্যক্তিরা ও হাসপাতালের কর্তাব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পছন্দের প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, পরীক্ষা নেওয়া, খাতা মূল্যায়ন, মেধাক্রম অনুযায়ী ফল প্রকাশ ও প্রজ্ঞাপন ছাড়া এ নিয়োগ বাতিল করে নতুন নিয়োগের আহ্বান জানিয়ে আসছিলেন চিকিৎসকেরা।
এদিকে ১৪ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৫ উপলক্ষে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম বলেন, বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালে পরীক্ষা ছাড়া নিয়োগের বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে কী কারণে এমন নিয়োগ দেওয়া হলো, সেই ব্যাখ্যাও চাওয়া হয়েছে। তিনি আরও যোগ করেন, ‘তদন্ত শেষে আইনিভাবে যা যা দরকার, তা করা হবে। আমরা কোনো বেআইনি কাজ করব না এবং বেআইনি কাজকে প্রশ্রয় দেব না।’
উপদেষ্টার ওই বক্তব্যের এক সপ্তাহ পর নিয়োগ বাতিল করে নতুন নিয়োগের কথা জানিয়েছে ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ।

ঘাড়ের পেছনে বা বগলের নিচে ত্বক কুঁচকে কালো হয়ে যাওয়া মানেই সেটি সব সময় অপরিচ্ছন্নতার লক্ষণ নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় এটি অনেক সময় ‘অ্যাকান্থোসিস নিগ্রিকান্স’ হতে পারে। সাধারণভাবে এটি ক্ষতিকর না হলেও, অনেক ক্ষেত্রে এটি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা অন্যান্য বিপাকীয় সমস্যার
২ দিন আগে
দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
৫ দিন আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
৬ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
৬ দিন আগে