
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের এইচআইভি আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসাসেবা কেন্দ্রে (এআরটি সেন্টার) ২০২৫ সালে ৩ হাজার ৯৪২ জনের এইচআইভি পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে এইচআইভি পজিটিভ (এইডস আক্রান্ত) শনাক্ত হয়েছেন ৮১ জন। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ১৫ জন মারা গেছেন।
আজ বুধবার সকালে চমেক হাসপাতালের চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগের সেমিনার হলে অনুষ্ঠিত মানবাধিকার ও এইচআইভি-বিষয়ক ‘বাংলাদেশে এইচআইভি মোকাবিলায় গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক কর্মশালায় এই তথ্য জানানো হয়েছে। কর্মশালার উদ্দেশ্য ছিল এইচআইভি-সম্পর্কিত সচেতনতা বৃদ্ধি, আক্রান্ত ব্যক্তিদের মানবাধিকার সুরক্ষা এবং এ বিষয়ে দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশনে গণমাধ্যমের ভূমিকা জোরদার করা।
কর্মশালায় রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন, উপপরিচালক মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী এবং চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান জুনায়েদ মাহমুদ খান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জুনায়েদ মাহমুদ খান।
মূল প্রবন্ধে বাংলাদেশে এইচআইভির বর্তমান পরিস্থিতি, ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি, সামাজিক কলঙ্ক ও বৈষম্য দূরীকরণ এবং মানবাধিকারভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে এইচআইভি বিষয়ে সঠিক তথ্য প্রচার, জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও ভুল ধারণা দূর করতে গণমাধ্যমের কার্যকর ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
কর্মশালায় চট্টগ্রামে কর্মরত বিভিন্ন ইলেকট্রনিক, অনলাইন ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকেরা অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীরা এইচআইভি-সংক্রান্ত সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে তথ্যের যথার্থতা, আক্রান্ত ব্যক্তির গোপনীয়তা রক্ষা ও বৈষম্যমুক্ত ভাষা ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তার ওপর মতামত দেন।
বক্তারা বলেন, এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহানুভূতিশীল ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলার পাশাপাশি সমাজে সচেতনতা বাড়াতে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এ লক্ষ্যে সাংবাদিকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন প্রকাশের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয় কর্মশালায়।

দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৯৪২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ নিয়ে চলতি মাসে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪২ জনে।
৮ ঘণ্টা আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে এ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে—৪৫১ জনের। এরপর রয়েছে সিলেট বিভাগ, যেখানে মারা গেছে ১৭৭ জন। এ ছাড়া চট্টগ্রামে ৮৪, রাজশাহীতে ৯৩, বরিশালে ৬০, ময়মনসিংহে ৭৯, খুলনায় ৪৪ ও রংপুর বিভাগে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
হার্ট অ্যাটাকের পর স্টেন্ট (রিং নামে বহুল পরিচিত) বসানো কিংবা বাইপাস সার্জারি করে বাড়ি ফিরলেই হৃদ্যন্ত্রের চিকিৎসার শেষ হয় না। এসব চিকিৎসাপদ্ধতির পরও আবার হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোকসহ গুরুতর জটিলতার ঝুঁকি থাকে। এই ঝুঁকি কমাতে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার গুরুত্বপূর্ণ ওষুধগুলোর একটি হলো স্ট্যাটিন ধরনের ওষুধ।
১ দিন আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চলতি বছরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দেশে মোট ২৩৩ জনের মৃত্যু হলো। মাসভিত্তিক হিসাবে জানুয়ারিতে ২, ফেব্রুয়ারিতে ২, মে মাসে ১, জুনে ১৩, জুলাইয়ে ৩৬, আগস্টে ৪৩ জন মারা গেছে।
১ দিন আগে