আজকের পত্রিকা ডেস্ক

লবণ আমাদের খাদ্যতালিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলেও, অতিরিক্ত লবণ খাওয়া শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। শুধু রক্তচাপ বাড়ানোই নয়, এটি ত্বকের ফোলাভাব বা মুখমণ্ডলের স্ফীতিরও একটি প্রধান কারণ হতে পারে—এমনটাই উঠে এসেছে সাম্প্রতিক একটি গবেষণায়।
গবেষণায় দেখা গেছে, বেশি লবণ খেলে শরীর অতিরিক্ত পানি ধরে রাখে। এর ফলে মুখ, চোখের নিচে, হাত বা পায়ে ফোলাভাব দেখা দেয়। এই অবস্থা সাধারণত পানির ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে হয়। বিশ্বের প্রাপ্তবয়স্করা গড়ে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৩১০ মিলিগ্রাম সোডিয়াম গ্রহণ করেন, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত দৈনিক সীমার (২ হাজার মিলিগ্রাম) দ্বিগুণেরও বেশি।
কেন এমন হয়?
লবণের মধ্যে থাকা সোডিয়াম শরীরে জমে গিয়ে পানি ধরে রাখার প্রবণতা তৈরি করে। শরীর তখন নিজের ভারসাম্য রাখতে বাড়তি পানি জমিয়ে রাখে, যা মুখমণ্ডলে ও বিশেষ করে চোখের নিচে ফোলাভাব তৈরি করে।
তবে শুধু লবণ নয়, মুখ ফোলা বা ত্বকে স্ফীতির আরও কিছু কারণ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অ্যালার্জি, হরমোনজনিত সমস্যা, কিডনির অসুস্থতা, ঘুমের ঘাটতি, পানিশূন্যতা, সাইনাসের সমস্যা, থাইরয়েডের অসংগতি, কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, অ্যালকোহল গ্রহণ ইত্যাদি।
সমাধান কী?
লবণজনিত ফোলাভাব কমাতে বেশি পানি পান করা প্রয়োজন। পাশাপাশি প্রক্রিয়াজাত খাবার কমিয়ে সুষম ও স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। শসা, তরমুজের মতো প্রাকৃতিক খাবার শরীর থেকে বাড়তি পানি বের করে দিতে সাহায্য করে।
স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ও ত্বক সতেজ রাখতে লবণের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা অত্যন্ত জরুরি। নিয়মিত পানি পান, পর্যাপ্ত ঘুম এবং সঠিক খাদ্যাভ্যাস এই সমস্যার সহজ সমাধান হতে পারে।

লবণ আমাদের খাদ্যতালিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলেও, অতিরিক্ত লবণ খাওয়া শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। শুধু রক্তচাপ বাড়ানোই নয়, এটি ত্বকের ফোলাভাব বা মুখমণ্ডলের স্ফীতিরও একটি প্রধান কারণ হতে পারে—এমনটাই উঠে এসেছে সাম্প্রতিক একটি গবেষণায়।
গবেষণায় দেখা গেছে, বেশি লবণ খেলে শরীর অতিরিক্ত পানি ধরে রাখে। এর ফলে মুখ, চোখের নিচে, হাত বা পায়ে ফোলাভাব দেখা দেয়। এই অবস্থা সাধারণত পানির ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে হয়। বিশ্বের প্রাপ্তবয়স্করা গড়ে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৩১০ মিলিগ্রাম সোডিয়াম গ্রহণ করেন, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত দৈনিক সীমার (২ হাজার মিলিগ্রাম) দ্বিগুণেরও বেশি।
কেন এমন হয়?
লবণের মধ্যে থাকা সোডিয়াম শরীরে জমে গিয়ে পানি ধরে রাখার প্রবণতা তৈরি করে। শরীর তখন নিজের ভারসাম্য রাখতে বাড়তি পানি জমিয়ে রাখে, যা মুখমণ্ডলে ও বিশেষ করে চোখের নিচে ফোলাভাব তৈরি করে।
তবে শুধু লবণ নয়, মুখ ফোলা বা ত্বকে স্ফীতির আরও কিছু কারণ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অ্যালার্জি, হরমোনজনিত সমস্যা, কিডনির অসুস্থতা, ঘুমের ঘাটতি, পানিশূন্যতা, সাইনাসের সমস্যা, থাইরয়েডের অসংগতি, কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, অ্যালকোহল গ্রহণ ইত্যাদি।
সমাধান কী?
লবণজনিত ফোলাভাব কমাতে বেশি পানি পান করা প্রয়োজন। পাশাপাশি প্রক্রিয়াজাত খাবার কমিয়ে সুষম ও স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। শসা, তরমুজের মতো প্রাকৃতিক খাবার শরীর থেকে বাড়তি পানি বের করে দিতে সাহায্য করে।
স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ও ত্বক সতেজ রাখতে লবণের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা অত্যন্ত জরুরি। নিয়মিত পানি পান, পর্যাপ্ত ঘুম এবং সঠিক খাদ্যাভ্যাস এই সমস্যার সহজ সমাধান হতে পারে।

ঘাড়ের পেছনে বা বগলের নিচে ত্বক কুঁচকে কালো হয়ে যাওয়া মানেই সেটি সব সময় অপরিচ্ছন্নতার লক্ষণ নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় এটি অনেক সময় ‘অ্যাকান্থোসিস নিগ্রিকান্স’ হতে পারে। সাধারণভাবে এটি ক্ষতিকর না হলেও, অনেক ক্ষেত্রে এটি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা অন্যান্য বিপাকীয় সমস্যার
২ দিন আগে
দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
৫ দিন আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
৬ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
৬ দিন আগে