
টাইফয়েড জ্বর প্রতিরোধে ১২ লাখ ৯৪ হাজার ৬৯ (প্রায় ১৩ লাখ) শিশুকে টিকা দেবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। আজ বুধবার দুপুরে ডিএনসিসির নগর ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। সম্মেলনের আয়োজন করে ডিএনসিসির স্বাস্থ্য বিভাগ।
ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী বলেন, আগামী ১২ অক্টোবর থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত টাইফয়েড টিকা দেওয়া হবে। এই দিনগুলোতে (সরকারি ছুটি ছাড়া) প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত টিকা গ্রহণের সময় নির্ধারণ করেছে ডিএনসিসি। এ ছাড়া ডিএনসিসির ১০টি অঞ্চল ভাগ করে ৬৬৬টি কেন্দ্রে মাসব্যাপী ২ হাজার ১৮১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৭ লাখ ৬০ হাজার ৭৯০ জন এবং কমিউনিটির প্রায় ৫ লাখ ৩৩ হাজার ২৭৯ জনকে টাইফয়েড টিকা দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, নার্সারি থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত সবাইকে টিকা দেওয়া হবে। ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী সব শিশু বিনা মূল্যে এক ডোজ করে টাইফয়েড টিকা পাবে।
জন্মনিবন্ধন না থাকলেও টিকা দেওয়া হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী বলেন, বাধ্যতামূলক জন্মনিবন্ধন থাকা প্রয়োজন। কিন্তু কারও যদি নিবন্ধন না থাকে তাহলে বিকল্প ব্যবস্থায় টিকা দেওয়া যাবে। তবে টিকা গ্রহণের জন্য অবশ্যই www.vaxepi.govt.bd এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নিবন্ধন করতে হবে।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মাহমুদা আলী বলেন, নবম শ্রেণির অনেক শিক্ষার্থীর বয়স ১৫ বছরের বেশি হতে পারে। রেজিস্ট্রেশন করলে তারাও টিকা পাবে।
সংবাদ সম্মেলনে টিকা গ্রহণের আগে ও পরে করণীয় সম্পর্কে কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়। সেখানে বলা হয়, টিকা গ্রহণের আগে সকালের নাশতা খেয়ে আসতে হবে, অর্থাৎ খালি পেটে টিকা নেওয়া যাবে না। টিকা গ্রহণের পর অন্তত ৩০ মিনিট টিকাদান কেন্দ্রে বসে থাকতে হবে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়, এই টিকা নতুন হলেও অন্যান্য টিকার মতোই সামান্য প্রতিক্রিয়া, যেমন— টিকা দেওয়ার স্থানে চামড়া লাল হওয়া, সামান্য ব্যথা, অল্প জ্বর, মাথাব্যথা, ক্লান্তিভাব, মাংসপেশিতে ব্যথা ইত্যাদি দেখা দিতে পারে, যেগুলো এমনিতেই ভালো হয়ে যাবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির উপপ্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ইমদাদুল হক, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ফিরোজ আলম।

আজ মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল সোমবার সকাল ৮টা থেকে আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, নতুন করে হাম শনাক্ত হয়েছে ২২৪ শিশুর। এছাড়া উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে ১২৩৬ শিশুর।
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া হাম প্রাদুর্ভাবের কারণে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে। সাম্প্রতিক ইতিহাসে এটিই সম্ভবত সবচেয়ে প্রাণঘাতী ঢেউ, যেখানে ১০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে—যাদের বেশির ভাগই শিশু।
৯ ঘণ্টা আগে
বিংশ শতাব্দীর শেষে (১৯৯৯ সাল পর্যন্ত) বাংলাদেশে জীবাণুঘটিত সংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাব উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে। অন্যদিকে একবিংশ শতাব্দীর শুরু থেকে ডায়াবেটিস, কিডনি ও হৃদ্রোগের মতো অসংক্রামক রোগের প্রকোপ দ্রুত বৃদ্ধি পেতে থাকে। বর্তমানে দেশে অসুস্থতায় মৃত্যুর দুই-তৃতীয়াংশের বেশি ঘটে অসংক্রামক ও দীর্ঘ
১৭ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত সারা দেশে ১১৮টি শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। একই সময়ে হামে মারা গেছে ২০টি শিশু। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ২৮২টি শিশুর। একই সময়ে হাম শনাক্ত হয়েছে ১৮০ জনের।
১ দিন আগে