
দেশে হামে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময় উপসর্গ নিয়ে ১০ শিশু মারা গেছে।
আজ মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল সোমবার সকাল ৮টা থেকে আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত এক শিশুর মৃত্যু হলেও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও ১০ শিশুর। এছাড়া নতুন করে হাম শনাক্ত হয়েছে ২২৪ শিশুর। এছাড়া উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে ১২৩৬ শিশুর।
এ নিয়ে দেশে ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ২১ শিশুর। আর একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে ১২৮ শিশুর মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
এছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে সবচেয়ে বেশি ২৫৬ শিশু ভর্তি হয়েছে ঢাকার হাসপাতালগুলোতে। সবচেয়ে কম ১৫ শিশু ভর্তি হয়েছে ময়মনসিংহে।

বাংলাদেশে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া হাম প্রাদুর্ভাবের কারণে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে। সাম্প্রতিক ইতিহাসে এটিই সম্ভবত সবচেয়ে প্রাণঘাতী ঢেউ, যেখানে ১০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে—যাদের বেশির ভাগই শিশু।
৭ ঘণ্টা আগে
বিংশ শতাব্দীর শেষে (১৯৯৯ সাল পর্যন্ত) বাংলাদেশে জীবাণুঘটিত সংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাব উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে। অন্যদিকে একবিংশ শতাব্দীর শুরু থেকে ডায়াবেটিস, কিডনি ও হৃদ্রোগের মতো অসংক্রামক রোগের প্রকোপ দ্রুত বৃদ্ধি পেতে থাকে। বর্তমানে দেশে অসুস্থতায় মৃত্যুর দুই-তৃতীয়াংশের বেশি ঘটে অসংক্রামক ও দীর্ঘ
১৫ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত সারা দেশে ১১৮টি শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। একই সময়ে হামে মারা গেছে ২০টি শিশু। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ২৮২টি শিশুর। একই সময়ে হাম শনাক্ত হয়েছে ১৮০ জনের।
১ দিন আগে
হাম রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার পাশাপাশি সরকারকে টিকাদান কর্মসূচি শক্তিশালী করার কথা জানিয়েছে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম (এনডিএফ)। আজ সোমবার বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের (এনডিএফ) আয়োজনে হাম রোগবিষয়ক সেমিনারে এসব কথা বলা হয়।
১ দিন আগে