
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ‘ডেঙ্গু রোগী বেশি হলে মানুষকে বাঁচাতে যেমনে পারি অতিরিক্ত ডাক্তার দেওয়া হবে।’
আজ বুধবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর ৪৫ তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে’ এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমার একটাই কথা, একটাকে সবাই মিলে মোকাবিলা করতেছি। অনেকটা এগোচ্ছি আরেকটা আসতেছে। আপনারা দয়া করে যার যার অবস্থান থেকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকবেন। ডেঙ্গুর প্রটোকল মেনটেইন করবেন।’
চিকিৎসকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের অনেক বিরাট বড় সার্কেল সারা বাংলাদেশে। সবাইকে বলবেন, ওই যে বড় বড় ডাক্তাররা যেগুলো বলেছে, অ্যান্টিবায়োটিক না দেওয়া বা আপনার প্লাজমা লিক শুরু হলে প্রত্যেকটা রোগীর প্রতি খেয়াল রাখা। প্লাজমা লিকে সঙ্গে সঙ্গে ফ্লুইড দেওয়া যাতে করে শকে না চলে যায়। এই জিনিসগুলো আপনারা আপনাদের বন্ধুবান্ধবদের বলবেন। যদি সমস্যা হয়, রোগী বেশি হয়ে যায়, আমাদের জানাবেন। আমরা যেমনে পারি ডাক্তার দেব। প্রয়োজনে আপনাদের বাইটা (ভাগ করে) দিয়ে দিব। তবু আমাদের মানুষদের বাঁচাতে হবে।’
জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক অবদানের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘সিপাহি বিপ্লবের মাধ্যমে জনগণ জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে ক্ষমতায় বসিয়েছিল। তিনি দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন এবং রাজনীতির পথ সবার জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন।’ এ সময় জিয়াউর রহমান এবং তাঁর সন্তান আরাফাত রহমান কোকোর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও দেশের জন্য তাঁর নেতৃত্বের সফলতা কামনা করেন মন্ত্রী।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) সাবেক মহাসচিব ডা. মো. আব্দুস সালাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ড্যাবের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কেনান। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সংগঠনটির মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল।

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে শুধু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওপর নির্ভর না করে পানি, শিক্ষা, সমাজকল্যাণ ও স্থানীয় সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়কে নিয়ে সমন্বিত পরিকল্পনা করার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘শুধু ওষুধ বা সিরিঞ্জ দিয়ে
১৫ ঘণ্টা আগে
এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৩৪২ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এর পরেই রয়েছে সিলেট বিভাগ, সেখানে মারা গেছে ১২৫ জন। এ ছাড়া রাজশাহীতে ৯১, ময়মনসিংহে ৭২, চট্টগ্রামে ৬১, বরিশালে ৪৬, খুলনায় ৩২ ও রংপুর বিভাগে ১৩ জন মারা গেছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
দেশের প্রান্তিক ও স্বাস্থ্যসেবায় পিছিয়ে থাকা এলাকায় উন্নত আল্ট্রাসাউন্ড প্রযুক্তির সুবিধা পৌঁছে দিতে ‘হেলথ এক্সপ্রেস’ নামে নতুন কর্মসূচি চালু করেছে উইপ্রো জিই হেলথকেয়ার। কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশের তৃতীয় ও চতুর্থ স্তরের শহরগুলোতে আধুনিক আল্ট্রাসাউন্ড প্রযুক্তি সম্পর্কে চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা
১৬ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৮৭৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ৭৮০ জন মারা গেছে আর হামে মারা গেছে ৯৮ জন।
২ দিন আগে