
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে শুধু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওপর নির্ভর না করে পানি, শিক্ষা, সমাজকল্যাণ ও স্থানীয় সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়কে নিয়ে সমন্বিত পরিকল্পনা করার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘শুধু ওষুধ বা সিরিঞ্জ দিয়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। এর জন্য সবার আগে রোগ প্রতিরোধে (প্রিভেনশন) জোর দিতে হবে।’
আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এসডিজি বাস্তবায়ন ও পর্যালোচনা সম্পর্কিত জাতীয় সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা, আইনশৃঙ্খলা ও জেন্ডার বৈষম্য কমানোর পাশাপাশি এসডিজির তৃতীয় লক্ষ্য (এসডিজি-৩) অর্জনে স্বাস্থ্য খাতের সঙ্গে পানি, শিক্ষা ও সমাজকল্যাণের মতো খাতগুলোকে একত্র করতে হবে। শুধু ওষুধ বা স্যালাইন দিয়ে এসডিজি-৩ অর্জন সম্ভব নয়। এর মূল ভিত্তি হতে হবে রোগ প্রতিরোধ।
গ্রামাঞ্চলের স্যানিটেশন ব্যবস্থা ও মানুষের স্বাস্থ্যকর অভ্যাসের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, বিশুদ্ধ পানি নিশ্চিত করার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধে মানুষকে সচেতন করতে হবে। বাজারঘাটসহ বিভিন্ন জায়গায় অপরিষ্কার হাতে জিনিসপত্র ধরার পর সেই হাত ও টাকা দিয়েই আবার লেনদেন করা হচ্ছে। এ ধরনের অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস ও জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনতে হবে।
উপকূলীয় এলাকার পানির সংকটের কথা তুলে ধরে সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে সুপেয় পানির তীব্র সংকট ও লবণাক্ততার কারণে মানুষ দূষিত পানি পান করতে বাধ্য হচ্ছে। গত মাসে প্যারিস সম্মেলনে বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আশ্বাসও পাওয়া গেছে।
শিশুদের অতিরিক্ত মোবাইল ও স্ক্রিন ব্যবহারের পাশাপাশি জাঙ্ক ফুড ও ফাস্টফুডের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করতে অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
পরিকল্পনা কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, শুধু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওপর দায়িত্ব চাপালে এসডিজি অর্জন সম্ভব নয়। পানি, স্বরাষ্ট্র, সমাজকল্যাণ ও স্থানীয় সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়কে নিয়ে সমন্বিত পরিকল্পনা করতে হবে। অন্তত দুই মাস পরপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর বৈঠক করে যৌথভাবে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, ‘বিচ্ছিন্নভাবে কোনো উদ্যোগ নয়, সব মন্ত্রণালয়ের যৌথ কর্মপদ্ধতি ও বাস্তবায়নের মাধ্যমেই এসডিজি লক্ষ্য অর্জন করতে হবে।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের সম্মানিত ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন পানি সম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এবং গেস্ট অব অনার ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য আন্না মিনজ।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যসচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমীমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৩৪২ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এর পরেই রয়েছে সিলেট বিভাগ, সেখানে মারা গেছে ১২৫ জন। এ ছাড়া রাজশাহীতে ৯১, ময়মনসিংহে ৭২, চট্টগ্রামে ৬১, বরিশালে ৪৬, খুলনায় ৩২ ও রংপুর বিভাগে ১৩ জন মারা গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশের প্রান্তিক ও স্বাস্থ্যসেবায় পিছিয়ে থাকা এলাকায় উন্নত আল্ট্রাসাউন্ড প্রযুক্তির সুবিধা পৌঁছে দিতে ‘হেলথ এক্সপ্রেস’ নামে নতুন কর্মসূচি চালু করেছে উইপ্রো জিই হেলথকেয়ার। কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশের তৃতীয় ও চতুর্থ স্তরের শহরগুলোতে আধুনিক আল্ট্রাসাউন্ড প্রযুক্তি সম্পর্কে চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা
৩ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৮৭৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ৭৮০ জন মারা গেছে আর হামে মারা গেছে ৯৮ জন।
১ দিন আগে
যৌনবাহিত সংক্রমণ বা এসটিআই (সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ইনফেকশন)-এর হার নির্ণয় করা সহজ নয়। এসব সংক্রমণের অনেক বাহকের মধ্যেই কোনো উপসর্গই দেখা যায় না। আবার দেখা গেলেও অনেকে লুকিয়ে রাখেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থাও সর্বত্র সমান নয়। আর ঝুঁকিপূর্ণ যৌন আচরণ সহজেই নজর এড়িয়ে যায়। কারণ যৌন সম্পর্ক—সৌভাগ্যবশত
১ দিন আগে