
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নিশ্চিত হামে কোনো মৃত্যু নেই।
আজ শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে সর্বশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এই হিসাব গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত।
সরকারের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৮৬ জনের। গত ১৫ মার্চ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত হাম শনাক্ত হয়েছে ৩ হাজার ২৭৮ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৪২ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬২৪ জন।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কোনো মৃত্যু নেই। ১৫ মার্চ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে চারজনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মৃত্যু হয়েছে ১৭৮ জনের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, ১৫ মার্চ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৪ হাজার ৫২২ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে ছাড়া পেয়েছে ১১ হাজার ৭৫১ জন।
উল্লেখ্য, গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত তথ্যে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা ৩৭ বলা হলেও আজ তা সংশোধন করে ৩৫ করা হয়েছে। বরগুনা জেলায় ভুলক্রমে দুজনের মৃত্যুকে নিশ্চিত হাম হিসেবে গণনা করা হয়েছিল বলে জানানো হয়।
আরও পড়ুন:

কখনো বিয়ে করেননি, এমন প্রাপ্তবয়স্কদের বিবাহিতদের তুলনায় ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। এমনটাই উঠে এসেছে গবেষণায়। ৪০ লাখের বেশি ক্যানসার রোগীর তথ্য বিশ্লেষণ করে এ কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা।
৭ ঘণ্টা আগে
আমাদের বারো মাসে তেরো পার্বণের দেশে গ্রীষ্মের দাবদাহ নিয়মিত বিষয়। গরমে শরীর সতেজ রাখা এখন বড় চ্যালেঞ্জ। তৃষ্ণা মেটাতে আমরা কখনো ফ্রিজের বরফশীতল পানি, কখনো এনার্জি ড্রিংক আবার কখনো পথের ধারের শরবতে চুমুক দিই। কিন্তু শরীরের অভ্যন্তরীণ বিজ্ঞানের সঙ্গে এই পানীয়গুলো সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
১০ ঘণ্টা আগে
ভ্যাপসা গরম আর গুমোট আবহাওয়ায় এরই মধ্যে জনজীবন ওষ্ঠাগত। বাইরের তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীর ‘থার্মোরেগুলেশন’ প্রক্রিয়ায় নিজেকে ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করে। কিন্তু এই গরমে আমরা এমন কিছু খাবার খাই, যা অনেক সময় শরীরের এই শীতলকরণ প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করে। আমাদের অতিপরিচিত কিছু খাদ্যাভ্যাস শরীরকে ভেতর...
১১ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব কণ্ঠ দিবস ছিল ১৬ এপ্রিল। কণ্ঠস্বরের গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং কণ্ঠজনিত সমস্যার প্রতিরোধ ও প্রতিকার নিয়ে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা গড়ে তোলার জন্য দিবসটি পালন করা হয়। ১৯৯৯ সালে ব্রাজিলিয়ান সোসাইটি অব ভয়েস প্রথম এই উদ্যোগ নেয়।
১১ ঘণ্টা আগে