বর্তমানে নারী ও পুরুষ সবার সাধারণ সমস্যা চুল পড়ে যাওয়া। নিয়মিত শ্যাম্পু করা হচ্ছে, নামীদামি তেল থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রসাধনী ব্যবহার করা হচ্ছে চুলে। তবুও কোনোভাবে চুল পড়া কমছে না। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে, অস্বাস্থ্যকর ও অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস এবং এ সময়ের আলোচিত কিছু ডায়েট।
দৈনিক খাবারের তালিকায় সুষম খাদ্যের পাশাপাশি কিছু প্রয়োজনীয় খাদ্যকে গুরুত্ব দিতে হবে, যা চুল পড়া রোধে সাহায্য করবে।
খাদ্যতালিকায় যা রাখবেন
প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার চুলের বৃদ্ধি, সুস্থতা, ঘনত্ব ও ক্ষয় রোধ করতে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার অতুলনীয়। এ ধরনের খাবার হিসেবে খাদ্যতালিকায় থাকতে হবে ডিম, মুরগি, বিভিন্ন ধরনের বাদাম, বিন, মটরশুঁটি ইত্যাদি।
ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার
ভিটামিন এ-তে আছে রেটিনয়েড। এটি চুল গজানোর হার বাড়ায় ও সিবাম উৎপাদন করে। ভিটামিন এ-এর অভাবে চুলের আর্দ্রতা হারায় ও চুল শুকিয়ে প্রাণহীন হয়ে যায়। মাছের তেল, দুধ, মিষ্টিকুমড়া, টমেটো, গাজর, মিষ্টি আলু ইত্যাদি ভিটামিন এ-সমৃদ্ধ খাদ্য। এ ছাড়া ভিটামিন ই, সি, বি ও ডির অভাবে চুলের অনেক ক্ষতি হয়ে থাকে এবং চুল পড়ে যায়। সবুজ শাক, পেঁপে, পুঁইশাক, পালংশাক, ধনেপাতা, ব্রোকলি, দানাজাতীয় খাবার, বিভিন্ন ধরনের ডাল, ডিমের কুসুম, সামুদ্রিক মাছ, পেয়ারা, আমলকী, কমলালেবু, কামরাঙা, বাদাম তেল, জলপাইয়ের তেল ইত্যাদিতে চুলের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন পাওয়া যায়।
আয়োডিনযুক্ত খাবার
সামুদ্রিক খাবার, স্ট্রবেরি, পনির, দই, দুধ, চিংড়ি, সামুদ্রিক মাছ, কলা, আনারস ইত্যাদি খাবারে প্রচুর পরিমাণে আয়োডিন রয়েছে, যা চুল পড়া রোধে কাজ করে।
আয়রনসমৃদ্ধ খাবার
শরীরে আয়রনের ঘাটতি হলে চুলের গোড়ায় পুষ্টির অভাব হয়। চুলের গোড়া আলগা হয়ে চুল পড়া শুরু করে। তাই আয়রনের ঘাটতি পূরণে নিয়মিত সবুজ শাকসবজি খেতে হবে। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আছে, যা চুলের গোড়া মজবুত করে এবং মাথার ত্বক
ভালো রাখে।
লেখক: পুষ্টিবিদ, লেজার ট্রিট
আরও পড়ুন:

অনেক মানুষই প্রতিদিন অন্তত এক কাপ কফি পান করেন। নিয়মিত ক্যাফেইন গ্রহণ শরীরের জন্য কতটা ভালো বা খারাপ, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা করছেন বিজ্ঞানীরা। সম্প্রতি ইউরোপিয়ান জার্নাল অব নিউট্রিশনে প্রকাশিত এক গবেষণায় কফি পানের সঙ্গে শরীরের বিপাকক্রিয়া, হৃদ্যন্ত্র ও রক্তে শর্করার স্বাস্থ্যের বিভিন্ন...
৬ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, সব মিলিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৯৩ জনের। এর মধ্যে চলতি মাসে ৩৯ জন মারা গেছে। আর জানুয়ারিতে দুই, ফেব্রুয়ারিতে দুই, মে মাসে এক, জুনে ১৩ ও জুলাইয়ে ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।
১ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৩৮৮ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এর পরেই রয়েছে সিলেট বিভাগ, সেখানে মারা গেছে ১৪৯ জন। এ ছাড়া বরিশালে ৫৩, চট্টগ্রামে ৬৪, খুলনায় ৩৪, ময়মনসিংহে ৭৪, রাজশাহীতে ৯২ ও রংপুর বিভাগে ১৪ জন মারা গেছে।
১ দিন আগে
দেশে গত এক দিনে ডেঙ্গুতে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এডিস মশাবাহিত এই রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরও ৯৯৬ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, চলতি বছর ডেঙ্গুতে এ নিয়ে মোট ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে চলতি মাসেই মারা গেছে ৩৬ জন।
২ দিন আগে