
দেশে সাত মাস ধরে চলছে অতিসংক্রামক হামের প্রাদুর্ভাব। এর মধ্যে কয়েক মাস ধরে মশাবাহিত ডেঙ্গুর প্রকোপ ক্রমেই বাড়ছে। ফলে হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ বেড়েছে। এখন প্রতিদিন এ দুই রোগ মিলিয়ে প্রায় তিন হাজার রোগী সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক হাসপাতালের বহির্বিভাগে বেড়েছে জ্বর, সর্দি-কাশি ও শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণের রোগীর সংখ্যা। বিশেষ করে তৃতীয় পর্যায়ের বা বিশেষায়িত হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ বেশি।
চিকিৎসকেরা বলছেন, নিউমোনিয়া, শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন সংক্রমণ, অ্যাডেনোভাইরাস, রাইনোভাইরাসসহ বিভিন্ন ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীও হাসপাতালে আসছে। এসব রোগের অনেকগুলোর উপসর্গ—জ্বর, সর্দি, কাশি, শরীর ব্যথা ও দুর্বলতা—একে অপরের সঙ্গে মিলে যায়। ফলে শুধু উপসর্গ দেখে রোগ নির্ণয় কঠিন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে ডেঙ্গু, হাম বা অন্যান্য সংক্রমণ শনাক্ত করতে হচ্ছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চলতি বছরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৯ হাজার ১৪৯ জন। নতুন করে আটজনের মৃত্যু হওয়ায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০৯ জনে। হামের ক্ষেত্রেও প্রতিদিন উল্লেখযোগ্যসংখ্যক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। গতকাল সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছে ১ হাজার ১৮৩ জন। আর নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ১০০ জনের। গতকালও হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ১০০ জন।
১৫ মার্চ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে ১ লাখ ৮৪ হাজার ৬৩২ জনের। হাম শনাক্ত হয়েছে প্রায় ২১ হাজার জনের। এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ৬৩ হাজার রোগী। মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৮১ জনের।
ডেঙ্গু ও হামের পাশাপাশি জ্বর, সর্দি-কাশি ও শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণের রোগী বাড়ায় হাসপাতালগুলোর ওপর চাপ আরও বেড়েছে। রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম, নাটোর, খুলনা ও দিনাজপুরের অন্তত ছয়টি হাসপাতালে কথা বলে এমন চিত্র পাওয়া গেছে। কোথাও ডেঙ্গু ওয়ার্ডে শয্যা খালি নেই, কোথাও অতিরিক্ত রোগী; আবার কোথাও শয্যা না পেয়ে মেঝে বা করিডরে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।
রাজধানীর বিশেষায়িত সরকারি হাসপাতালগুলোতে বেড়েছে জ্বরের রোগীর চাপ। গতকাল শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মুন্সিগঞ্জের সাত বছর বয়সী সন্তান দিনারা ইসলামকে (ছদ্মনাম) নিয়ে আসেন মফিজুল ইসলাম (ছদ্মনাম)। চার দিন ধরে জ্বরে ভুগছে শিশুটি। স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েও উন্নতি না হওয়ায় চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে ঢাকায় আনা হয়েছে।
মফিজুল ইসলাম বলেন, ‘মেয়ের জ্বর কেন ভালো হচ্ছে না, তা বুঝতে পারছি না। চিকিৎসক বেশ কিছু পরীক্ষা করতে বলেছেন। তাঁরা ভর্তি করে নেওয়ার কথাও বলেছেন।’ ডেঙ্গু, হামসহ বিভিন্ন রোগ শনাক্তে শিশুটির শরীর থেকে নমুনা নেওয়া হয়েছে।
গাজীপুরের টঙ্গী থেকে কুর্মিটোলা মাল্টিকেয়ার স্পেশালাইজড হাসপাতালে এসেছেন আসলাম আহমেদ (ছদ্মনাম)। তিন দিন ধরে জ্বরে ভুগছেন তিনি। পরিবারের অন্য সদস্যদেরও আগে জ্বর হয়েছিল। সোমবার এ প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলার সময় আসলাম ডেঙ্গু পরীক্ষার ফলের অপেক্ষায় ছিলেন।
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের কার্যালয় সূত্র জানায়, বর্তমানে প্রতিদিন বহির্বিভাগে ৪-৫ হাজার রোগী আসছেন। স্বাভাবিক সময়ে এ সংখ্যা ৩-৪ হাজার থাকে। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রোগীর ৩০-৪০ শতাংশ জ্বর নিয়ে এসেছে। হাসপাতালে ২৫১ জন ডেঙ্গু ও ৪৯ জন হাম রোগী ভর্তি। ১ হাজার ৩৫০ শয্যার হাসপাতালটিতে মোট ভর্তি রোগী থাকে ২২০০ থেকে ২৩০০ জন।
হাসপাতালের পরিচালক ডা. নন্দ দুলাল সাহা বলেন, ‘হাসপাতালে হাম ও ডেঙ্গুর চাপ রয়েছে। এর ওপর জ্বরের রোগী বাড়ছে। বিশেষায়িত জেনারেল হাসপাতাল হওয়ায় অন্যান্য জটিল রোগী তো রয়েছেই। চিকিৎসকের তেমন সংকট না থাকলেও নার্স ও ওয়ার্ড বয়ের অভাব রয়েছে। শয্যার বাইরে রোগী ভর্তির হার বেশি।’
১ হাজার ২০০ শয্যার কুর্মিটোলা মাল্টিকেয়ার স্পেশালাইজড হাসপাতালে প্রতিদিন বহির্বিভাগে আসছে ৬৫০০-৭৫০০ রোগী। তাদের ৩০-৪০ শতাংশ জ্বর নিয়ে আসে। জরুরি বিভাগে প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার রোগী আসে, যাদের প্রায় ৭০ শতাংশের জ্বর ও ভাইরাসজনিত জটিলতা রয়েছে।
কুর্মিটোলার হাসপাতালটিতে বর্তমানে ৯১ জন ডেঙ্গু ও ৪৭ জন হাম রোগী ভর্তি। কর্তৃপক্ষ জানায়, প্লাটিলেট ৫০ হাজারের নিচে না নামলে এবং ডেঙ্গু চিকিৎসার নির্দেশনা অনুযায়ী অন্য কোনো জটিলতা না থাকলে সাধারণত তারা ডেঙ্গু রোগী ভর্তি করে না। জরুরি বিভাগের ৪০টি শয্যা প্রায় সব সময়ই পূর্ণ থাকে। সেখানে ছয় ঘণ্টা পর্যবেক্ষণের পর রোগীকে বাড়িতে পাঠানো হয় অথবা প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য হাসপাতালে রেফার করা হয়।
এই হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মো. সাইদুর রহমান বলেন, ‘যতই কষ্ট হোক, চিকিৎসায় কোনো ঘাটতি রাখা যাবে না। যারা এখানে চিকিৎসার জন্য আসছে, তাদের কেউ কেউ জটিল অবস্থায় আসে। ফলে সীমিত সম্পদ নিয়েই আমাদের খুব তৎপর থাকতে হয়।’
মেডিসিন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বর, সর্দি-কাশি ও শ্বাসকষ্টের রোগীদের মধ্যে নিউমোনিয়া ও বিভিন্ন ধরনের শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ দেখা যাচ্ছে। নিউমোনিয়া ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ছত্রাকের কারণে হতে পারে। আরএসভি, অ্যাডেনোভাইরাস, রাইনোভাইরাসসহ বিভিন্ন ভাইরাস কাশি-হাঁচি, শ্বাসতন্ত্রের নিঃসরণ এবং দূষিত হাত বা অন্য কিছুর সংস্পর্শে ছড়াতে পারে।
ঢাকা সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট (মেডিসিন) ডা. আরিফুল বাসার বলেন, ‘এই সময়ে হাম ও ডেঙ্গু ছাড়াও বিভিন্ন ভাইরাস ও শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণের রোগী দেখা যাচ্ছে। ইনফ্লুয়েঞ্জা, অ্যাডেনোভাইরাস, আরএসভি ভাইরাসসহ কিছু ভাইরাসের সংক্রমণের পরিবেশ দেখা যাচ্ছে।’
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. মো. নুরুল ইসলাম বলেন, হাম ও ডেঙ্গুর রোগীরাই হাসপাতালের শয্যা অকুপাই (পূর্ণ) করে রেখেছে। স্থানীয় ব্যবস্থাপনায় হাসপাতালগুলো কাজ করছে। যেমন মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নতুন একটি ডেঙ্গু ওয়ার্ড করা হয়েছে, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫০ শয্যার ফিল্ড হাসপাতাল করা হয়েছে। খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতালে নতুন একটি ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে।
নুরুল ইসলাম আরও বলেন, ‘সিভিল সার্জন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও পরিচালকের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে। ঠিক কোন কোন ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটল, নতুন কোনো রোগ দেখা দিল কি না, এসব আইইডিসিআর দেখছে।’
খুলনা ১০০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম গাজী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গত তিন-চার মাসে বহির্বিভাগের রোগী বেড়ে প্রতিদিন ১৪০০-১৫০০ জনে দাঁড়িয়েছে। আগে আসত ৭০০-৮০০ জন। বাড়তি রোগীদের বড় অংশই জ্বরের।’
নিজে সদ্য ডেঙ্গু থেকে আরোগ্যের পথে থাকা এ চিকিৎসক কর্মকর্তা জানান, খুলনা জেনারেল হাসপাতালে প্রতিদিন ১৫০-২০০ জনের ডেঙ্গু পরীক্ষা করা হচ্ছে। বর্তমানে ৩১ জন ডেঙ্গু রোগী এবং ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে আরও ৩৯ জন ভর্তি রয়েছে। রোগী ভর্তির হার ১৫০ শতাংশের বেশি। স্যালাইন ও পরীক্ষার কিটের সংকট না থাকলেও শয্যাসংকট বড় সমস্যা।
ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রতিদিন বহির্বিভাগে অনেক বেশি রোগী দেখতে হচ্ছে। একেকজন চিকিৎসককে অন্তত ২০০ রোগীকে বহির্বিভাগে পরামর্শ দিতে হচ্ছে।
সরকারের তথ্য অনুযায়ী, খুলনায় ডেঙ্গুর চাপ বাড়ছে। বিভাগে বর্তমানে ১ হাজার ১০০-এর বেশি ডেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি। চলতি বছরে ভর্তি হয়েছে সোয়া ১১ হাজার। আর মারা গেছে ৩৮ জন।
চট্টগ্রামের ফৌজদারহাটের বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেসের (বিআইটিআইডি) ২০ শয্যার সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল ও ১০০ শয্যার হাসপাতালে রোগীর চাপ বেড়েছে। স্বাভাবিক সময়ে বহির্বিভাগে ৩০০-৫০০ রোগী এলেও এখন আসছে দ্বিগুণের বেশি—৭০০-৮০০ জন। বাড়তি রোগীদের বড় অংশের জ্বর, ঠান্ডা ও নিউমোনিয়ার উপসর্গ রয়েছে। বর্তমানে ভর্তি থাকা ১৯৪ জনের মধ্যে ৫৪ জন হাম ও ৩৪ জন ডেঙ্গু রোগী। অন্যদের মধ্যে রয়েছে জ্বর, ইনফ্লুয়েঞ্জা, ডায়রিয়া, কলেরা ও টাইফয়েডের রোগী।
বিআইটিআইডির পরিচালক ডা. ইফতেখার আহম্মদ বলেন, ‘আমরা কোনো রোগীকে ফেরত পাঠাই না। বেশি জটিল যেমন আইসিইউর প্রয়োজন হলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে পাঠাই। অনেক রোগী শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে আসে, অক্সিজেন প্রয়োজন হয়। তখন তাকে মেঝেতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া যায় না। কিন্তু আমাদের বিকল্পও কিছু করার থাকে না। আমাদের ধারণা ছিল, হাম কমে যাবে। ডেঙ্গুর প্রস্তুতি ছিল। কিন্তু হাম কমল না।’
নাটোরের ৫০ শয্যার সিংড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর চাপ বেড়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মুজাহিদুল ইসলাম জানান, প্রতিদিন ৭০০-৮০০ রোগী আসছে। তাদের মধ্যে জ্বর ও ঠান্ডার রোগীও রয়েছে।
উত্তরের জেলা দিনাজপুরেও বাড়ছে জ্বরের রোগী। ৫০০ শয্যার দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগী ভর্তির হার ২৫০ শতাংশের বেশি। বহির্বিভাগে প্রতিদিন গড়ে প্রায় পৌনে দুই হাজার রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে। হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. জাহাঙ্গীর কবির জানান, চলতি বছরে দুই শতাধিক ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে ১৩ জন হাম রোগী ভর্তি রয়েছে। ২১ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর—তিন দিনে ৬৮ জন জ্বরের রোগী ও পাঁচজন নিউমোনিয়ার রোগী ভর্তি হয়েছে।

এডিস মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও আটজনের মৃত্যু হয়েছে। এতে করে চলতি সেপ্টেম্বর মাসেই ডেঙ্গুতে প্রাণ হারালেন ১১২ জন। আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক হালনাগাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব তথ্য জানা গেছে...
১১ ঘণ্টা আগে
হামে মৃত্যু থামছেই না। গতকাল বুধবার সকাল ৮টা থেকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকায় তিনজন ও সিলেটে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে হাম ও উপসর্গে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১ হাজার ৮১ জনে...
১২ ঘণ্টা আগে
দেশে ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে আজ বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৮৬৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
১ দিন আগে
ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা তরী। নিজের কাজগুলো নিজেই করতে পছন্দ করেন। তবে ইদানীং কিছু বিষয় নিয়ে বেশ সমস্যায় পড়ছেন তিনি। রান্নাঘরে গিয়ে কেন গিয়েছিলেন, মনে পড়ছে না। কাউকে কল দিতে ফোন হাতে নিয়েছেন, কিন্তু মনে পড়ছে না কাকে কল দেবেন। কিছু খুঁজতে পাশের ঘরে গেছেন, সেখানে গিয়ে ভুলে গেছেন, কী খুঁজতে এসেছেন।
২ দিন আগে