
সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২৫১ জন ডেঙ্গু রোগী।
আজ বুধবার (৮ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত) নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ঢাকা মহানগরে (উত্তর ও দক্ষিণ সিটি) ৫৭, ঢাকা বিভাগে (মহানগরের বাইরে) ১৯, চট্টগ্রাম বিভাগে ৪০, খুলনা বিভাগে ৪০, রাজশাহী বিভাগে ১২, বরিশাল বিভাগে ৬৬, ময়মনসিংহ বিভাগে ১৫ ও সিলেট বিভাগে দুজন রয়েছে।
চলতি বছরে এ পর্যন্ত ৬ হাজার ৮৭৫ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে ৬৬০ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশে মোট ৭ হাজার ৫৫৭ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে। এই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে জুন মাসে। এই মাসে আক্রান্তের সংখ্যা ২ হাজার ৯০৭।
চলতি মাসে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ১ হাজার ৪৯৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ৬১ দশমিক ৪ শতাংশ পুরুষ ও ৩৮ দশমিক ৬ শতাংশ নারী।
এ বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ১১ জন পুরুষ ও ১১ জন নারী রয়েছে।

ওষুধের দাম সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখাই ওষুধনীতির একমাত্র বা মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়। রোগীর সামর্থ্যের মধ্যে প্রয়োজনীয় ওষুধের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মানসম্মত ওষুধের উৎপাদন ও সরবরাহ টেকসই রাখতে বাস্তবসম্মত মূল্য নির্ধারণ প্রয়োজন।
২১ ঘণ্টা আগে
দেশে গত এক দিনে ডেঙ্গুতে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এডিস মশাবাহিত এই রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরও ৯০৭ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, চলতি বছর ডেঙ্গুতে এ নিয়ে মোট ৮৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে চলতি মাসেই মারা গেছে ৩৪ জন।
১ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৩৭৬ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এর পরেই রয়েছে সিলেট বিভাগ, সেখানে মারা গেছে ১৪২ জন। এ ছাড়া বরিশালে ৪৯, চট্টগ্রামে ৬৪, খুলনায় ৩৩, ময়মনসিংহে ৭৪, রাজশাহীতে ৯২ ও রংপুর বিভাগে ১৪ জন মারা গেছে।
১ দিন আগে
হৃদ্পেশিতে রক্ত ও অক্সিজেন সরবরাহকারী কোনো করোনারি ধমনি বন্ধ হয়ে গেলে সাধারণত হার্ট অ্যাটাক বা মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন ঘটে। ফলে হৃৎযন্ত্রের প্রয়োজনীয় অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবরাহ ব্যাহত হয়। দীর্ঘ সময় এই অবস্থা চলতে থাকলে হৃদ্পেশির ক্ষতি এমনকি মৃত্যুও হতে পারে।
১ দিন আগে