ডেস্ক রিপোর্ট

টনসিল প্রদাহের মূল কারণ ব্যাকটেরিয়া। এ ছাড়া ভাইরাস, অ্যালার্জি ও মুখগহ্বর সঠিকভাবে পরিষ্কার না করার জন্যও এটি হয়ে থাকে। ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণের জন্য তীব্র ব্যথাসহ টনসিল ফুলে গিয়ে অ্যাকিউট টনসিলাইটিস হয়। এর সঙ্গে জ্বর, কানে ব্যথা থাকতে পারে এবং গলার বিভিন্ন লাসিকা নালি ফুলে যেতে পারে। ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণের তীব্রতা অনুযায়ী অ্যাকিউট টনসিলাইটিসকে চারটি পর্যায়ে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে চতুর্থ পর্যায়ে প্রদাহের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি থাকে। এ সময় উভয় পাশের টনসিল ফুলে পরস্পরকে স্পর্শ করে থাকে এবং খাদ্যনালি বন্ধ হয়ে যায়। বছরে বেশি বার টনসিল প্রদাহে আক্রান্ত হলে তাকে ক্রনিক টনসিলাইটিস বলে।
চিকিৎসা
» পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশ্রাম নিতে হবে।
» তরল খাবার খেতে হবে।
» চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক, অ্যান্টি-হিস্টামিন ট্যাবলেট খেতে হবে।
» তীব্র ব্যথা ও জ্বর থাকলে ব্যথানাশক ওষুধ খেতে হবে।
» কুসুম গরম পানিতে লবণ বা অ্যান্টিসেপটিক সলিউশন মিশিয়ে দিনে অন্তত তিনবার গড়গড়া করতে হবে।
প্রতিরোধ
» শীতকালে গলা ও কান ঠান্ডা লাগা থেকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় গরম কাপড় পরতে হবে।
» খাবার খাওয়ার পর ভালোভাবে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে।
» দিনে দুবার দাঁত পরিষ্কার করার অভ্যাস করতে হবে।

টনসিল প্রদাহের মূল কারণ ব্যাকটেরিয়া। এ ছাড়া ভাইরাস, অ্যালার্জি ও মুখগহ্বর সঠিকভাবে পরিষ্কার না করার জন্যও এটি হয়ে থাকে। ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণের জন্য তীব্র ব্যথাসহ টনসিল ফুলে গিয়ে অ্যাকিউট টনসিলাইটিস হয়। এর সঙ্গে জ্বর, কানে ব্যথা থাকতে পারে এবং গলার বিভিন্ন লাসিকা নালি ফুলে যেতে পারে। ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণের তীব্রতা অনুযায়ী অ্যাকিউট টনসিলাইটিসকে চারটি পর্যায়ে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে চতুর্থ পর্যায়ে প্রদাহের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি থাকে। এ সময় উভয় পাশের টনসিল ফুলে পরস্পরকে স্পর্শ করে থাকে এবং খাদ্যনালি বন্ধ হয়ে যায়। বছরে বেশি বার টনসিল প্রদাহে আক্রান্ত হলে তাকে ক্রনিক টনসিলাইটিস বলে।
চিকিৎসা
» পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশ্রাম নিতে হবে।
» তরল খাবার খেতে হবে।
» চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক, অ্যান্টি-হিস্টামিন ট্যাবলেট খেতে হবে।
» তীব্র ব্যথা ও জ্বর থাকলে ব্যথানাশক ওষুধ খেতে হবে।
» কুসুম গরম পানিতে লবণ বা অ্যান্টিসেপটিক সলিউশন মিশিয়ে দিনে অন্তত তিনবার গড়গড়া করতে হবে।
প্রতিরোধ
» শীতকালে গলা ও কান ঠান্ডা লাগা থেকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় গরম কাপড় পরতে হবে।
» খাবার খাওয়ার পর ভালোভাবে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে।
» দিনে দুবার দাঁত পরিষ্কার করার অভ্যাস করতে হবে।

তীব্র শীতের কারণে হাসপাতালগুলোতে ঠান্ডাজনিত রোগীর চাপ বাড়ছে। রোগীদের মধ্যে বেশির ভাগই শিশু। আক্রান্তদের অধিকাংশই জ্বর, সর্দি-কাশি, ডায়রিয়া, পেটের পীড়া ও নিউমোনিয়ায় ভুগছে। সরকারি হাসপাতালে শয্যার চেয়ে রোগী বেশি হওয়ায় বাধ্য হয়ে মেঝে ও বারান্দায় রেখে চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।
৯ ঘণ্টা আগে
সুইস খাদ্যপ্রতিষ্ঠান নেসলে ঘোষণা করেছে, তারা ফ্রান্স, জার্মানি, অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক, ইতালি, সুইডেনসহ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ থেকে কিছু ব্যাচের শিশুখাদ্য ফর্মুলা প্রত্যাহার করছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
দেশের বেসরকারি প্যাথলজিক্যাল ল্যাবগুলোর কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ফেরাতে জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আজ সোমবার জারি করা নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বা মেডিকেল অফিসারকে নিজ হাতে
১ দিন আগে
দেশে তিন সপ্তাহ ধরে তীব্র শীত চলছে। কিছু অঞ্চলে দিনের তাপমাত্রা নেমে গেছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে। এই অবস্থায় সারা দেশে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপ বেড়েছে। হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত দুই মাসে প্রায় ১ লাখ বিভিন্ন বয়সের মানুষ শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
২ দিন আগে