আজকের পত্রিকা ডেস্ক

এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে কারও মৃত্যু হয়নি। তবে এ সময়ে সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরও ১৯০ জন রোগী।
আজ শুক্রবার (৮ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ অ্যান্ড ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্যমতে, বিভাগ অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) নতুন করে আক্রান্তের মধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৩ জন। এ ছাড়া ঢাকা বিভাগের অন্যান্য এলাকায় ২৭ জন, বরিশাল বিভাগে ৪০, ময়মনসিংহ বিভাগে তিন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৫০, খুলনা বিভাগে সাত ও সিলেট বিভাগে তিনজন ভর্তি হয়।
চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর মাসভিত্তিক মৃত্যুর তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে সর্বোচ্চ ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আগস্ট মাসের প্রথম আট দিনে মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের। এ ছাড়া জুনে মারা গেছে ১৯ জন, জানুয়ারিতে ১০, ফেব্রুয়ারিতে তিন, এপ্রিলে সাত, মে মাসে তিনজন এবং মার্চ মাসে কোনো মৃত্যু হয়নি।
এ ছাড়া চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে মোট ২৩ হাজার ৪১০ জন। এর মধ্যে ৫৮ দশমিক ৭ শতাংশ পুরুষ এবং ৪১ দশমিক ৩ শতাংশ নারী। আর বর্তমানে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে ১ হাজার ৩১৭ জন। তাদের মধ্যে ঢাকায় ৩৮৭ জন চিকিৎসাধীন।

এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে কারও মৃত্যু হয়নি। তবে এ সময়ে সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরও ১৯০ জন রোগী।
আজ শুক্রবার (৮ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ অ্যান্ড ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্যমতে, বিভাগ অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) নতুন করে আক্রান্তের মধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৩ জন। এ ছাড়া ঢাকা বিভাগের অন্যান্য এলাকায় ২৭ জন, বরিশাল বিভাগে ৪০, ময়মনসিংহ বিভাগে তিন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৫০, খুলনা বিভাগে সাত ও সিলেট বিভাগে তিনজন ভর্তি হয়।
চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর মাসভিত্তিক মৃত্যুর তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে সর্বোচ্চ ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আগস্ট মাসের প্রথম আট দিনে মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের। এ ছাড়া জুনে মারা গেছে ১৯ জন, জানুয়ারিতে ১০, ফেব্রুয়ারিতে তিন, এপ্রিলে সাত, মে মাসে তিনজন এবং মার্চ মাসে কোনো মৃত্যু হয়নি।
এ ছাড়া চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে মোট ২৩ হাজার ৪১০ জন। এর মধ্যে ৫৮ দশমিক ৭ শতাংশ পুরুষ এবং ৪১ দশমিক ৩ শতাংশ নারী। আর বর্তমানে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে ১ হাজার ৩১৭ জন। তাদের মধ্যে ঢাকায় ৩৮৭ জন চিকিৎসাধীন।

তীব্র শীতের কারণে হাসপাতালগুলোতে ঠান্ডাজনিত রোগীর চাপ বাড়ছে। রোগীদের মধ্যে বেশির ভাগই শিশু। আক্রান্তদের অধিকাংশই জ্বর, সর্দি-কাশি, ডায়রিয়া, পেটের পীড়া ও নিউমোনিয়ায় ভুগছে। সরকারি হাসপাতালে শয্যার চেয়ে রোগী বেশি হওয়ায় বাধ্য হয়ে মেঝে ও বারান্দায় রেখে চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।
৬ ঘণ্টা আগে
সুইস খাদ্যপ্রতিষ্ঠান নেসলে ঘোষণা করেছে, তারা ফ্রান্স, জার্মানি, অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক, ইতালি, সুইডেনসহ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ থেকে কিছু ব্যাচের শিশুখাদ্য ফর্মুলা প্রত্যাহার করছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
দেশের বেসরকারি প্যাথলজিক্যাল ল্যাবগুলোর কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ফেরাতে জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আজ সোমবার জারি করা নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বা মেডিকেল অফিসারকে নিজ হাতে
১ দিন আগে
দেশে তিন সপ্তাহ ধরে তীব্র শীত চলছে। কিছু অঞ্চলে দিনের তাপমাত্রা নেমে গেছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে। এই অবস্থায় সারা দেশে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপ বেড়েছে। হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত দুই মাসে প্রায় ১ লাখ বিভিন্ন বয়সের মানুষ শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
২ দিন আগে