
কোভিডের কারণে বন্ধ হওয়ার ৫ বছর পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট পুনরায় চালু এবং আধুনিকায়ন করা হয়েছে। গতকাল শনিবার (১১ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হাসপাতালের নতুন ভবনের ১০ তলায় এ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম।
উদ্বোধন শেষে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম বলেন, কোভিড শুরুর পর থেকে ঢাকা মেডিকেলের বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্টের যে অবকাঠামো ছিল তা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় কার্যক্রম চেঞ্জ হয়ে যায়। তারপর থেকে বন্ধ থাকে। এরপর ২০২৩ সালে যখন চালু করার চেষ্টা করা হলেও বিভিন্ন কারণে চালু করা সম্ভব হয়নি। আজ সম্পূর্ণ রূপে এটা চালু করা হলো।
তিনি আরও বলেন, ‘এই চিকিৎসা একটা কস্টলি চিকিৎসা, সরকারের পক্ষ থেকে আমরা একটা ফান্ড এডুকেশন দিয়েছি। রোগীদের প্রতি আমাদের অনুরোধ থাকবে যাঁদের সামর্থ্য আছে, তাঁরা সুযোগটা নিতে যাবেন না। যাঁদের সামর্থ্য নাই তাঁরাই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে সুযোগটা নেবেন।’
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান বলেন, ‘আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর এখান থেকে বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট কার্যক্রম বন্ধ থাকার কথা জানানো হয়। এরপর পুনর্গঠন করে পুনর্স্থাপন করে যে জায়গায় রিপেয়েবল ছিল, সে জায়গায় রিপেয়ার করা হয়েছে। এটা আন্তর্জাতিক মানের বিএমটি ইউনিট। এখানে সব ধরনের ল্যাব ফ্যাসিলিটিজ আছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল এবং স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল থেকে দুইজন দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষক আছে। সেই দুজন প্রশিক্ষিত হেমাটোলোজিস্টের তত্ত্বাবধানে এবং ঢাকা মেডিকেলে একজন আছে তাঁদের দ্বারা চলবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে সরকারে কর্মরত হেমাটোলজিস্টদের মধ্যে বিএমটি ট্রেইনড যারা আছেন তাদের সবাইকে একসঙ্গে করে এই সেন্টার চালু করা হয়েছে। আমরা আশা করি, এটা একটি টেকনিক্যাল বডি হিসেবে কাজ করবে। এখানে বর্তমানে ৫ জন ভর্তি আছে। আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের সর্বোচ্চ বিএমটি এখানে হবে আশা করছি।’
এছাড়া হাসপাতালের নতুন সংযোজন সিসিইউর নতুন বেড, নতুন কয়েকটি আল্ট্রাসনোগ্রাম, কয়েকটি টিকিট কাউন্টার ঘুরে দেখেন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান।
অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. আসাদুজ্জামান, উপপরিচালক ডা. মো. আশরাফুল আলম, সহকারী পরিচালক ডা. মো. আব্দুর রহমানসহ সব কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

দেশে হাম রোগীর সংখ্যা ও মৃত্যুর হার হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় তা নিয়ন্ত্রণে সরকার আগামীকাল সোমবার থেকে সারা দেশে জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি শুরু করছে। হামের টিকার জরুরি এই ক্যাম্পেইন শুরু হয় গত ৫ এপ্রিল।
১ ঘণ্টা আগে
সরকারের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১৬৫ জনের। গত ১৫ মার্চ থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত হাম শনাক্ত হয়েছে ৩ হাজার ৪৪৩ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৯৭ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৮০৪ জন।
৩ ঘণ্টা আগে
সরকারের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৮৬ জনের। গত ১৫ মার্চ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত হাম শনাক্ত হয়েছে ৩ হাজার ২৭৮ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৪২ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬২৪ জন।
১ দিন আগে
কখনো বিয়ে করেননি, এমন প্রাপ্তবয়স্কদের বিবাহিতদের তুলনায় ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। এমনটাই উঠে এসেছে গবেষণায়। ৪০ লাখের বেশি ক্যানসার রোগীর তথ্য বিশ্লেষণ করে এ কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা।
১ দিন আগে