
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও আট শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাসপাতালে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৮৬ জন। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ৩৩ জন ও নিশ্চিত হাম রোগী ৫৩ জন।
আজ শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। এতে গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার তথ্য জানানো হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ঢাকায় তিনজন, সিলেটে দুজন, চট্টগ্রামে একজন ও ময়মনসিংহে দুজন মারা গেছে। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যু হয়েছে ৫৮৩ শিশুর। এর মধ্যে হামের উপসর্গে দেশে ৪৯৩ শিশুর মৃত্যুর তথ্য জানা গেছে। এ সময়ে হাম শনাক্তের পর মারা গেছে ৯০ শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৬৯ হাজার ৬১২। এ সময় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৫৫ হাজার ৭০৫ শিশু। তবে এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ৫২ হাজার ৫০ শিশু বাড়ি ফিরেছে। অন্যদিকে, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৮ হাজার ৯৯৬।

তদন্তে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনায় একাধিক ত্রুটি, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ঘাটতি, পরিবেশগত সমস্যা এবং দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক ও নার্সদের অবহেলার চিত্র উঠে আসে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়। তবে তাদের ব্যাখ্যা সন্তোষজনক না হওয়ায় গত ১১ জুন হাসপাতালটির
১৪ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই পাঁচজনসহ গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গে মারা গেছে ৭৩০ জন। একই সময়ে হামে মৃত্যু হয়েছে ৯৫ জনের। অর্থাৎ, হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮২৫ জনে।
১৭ ঘণ্টা আগে
সরকারের তথ্য বলছে, আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নতুন করে ৯৯০ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ দেখা গেল ১ লাখ ২৩ হাজার ৭৫৩ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় ল্যাব পরীক্ষায় নতুন করে আরও ১০৭ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে আজ
২ দিন আগে
গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরও ৪৫৮ জন। আজ রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
২ দিন আগে