টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

সেন্ট মার্টিন দ্বীপকে সম্প্রতি মেরিন প্রোটেক্টেড এরিয়া (এমপিএ) ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু দ্বীপের সৈকতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অবাধে চলছে সাইকেল-মোটরসাইকেল। একই সঙ্গে ছেঁড়াদ্বীপে যাতায়াত নিষিদ্ধ হলেও ভাড়ায়চালিত এসব যানবাহন নিয়ে সেখানে যাচ্ছেন অনেকেই। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পরিবেশ-প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য।
জানা গেছে, দ্বীপ ও সৈকতে সাইকেল, মোটরসাইকেল, রিকশা, ভ্যান চালানো নিষেধ হলেও তা কেউ মানছে না। প্রতিদিন ভোর থেকে শেষ বিকেল পর্যন্ত সেখানে অবাধে চলছে সাইকেল-মোটরসাইকেল। মৌসুম ছাড়াও এলাকাবাসীর পাশাপাশি পর্যটকেরা এসব যানবাহন ভাড়ায় নিয়ে সৈকতে ঘোরেন। তবে রমজান হওয়ায় পর্যটক তেমন না থাকলেও মোটরচালিত যান নিয়মিত স্থানীয়দের নিয়ে চলাচল করছে। তবে পর্যটন মৌসুমে যান বহনের মাধ্যমে ঘোরাঘুরি মাত্রাতিরিক্ত।
অপর দিকে সেন্ট মার্টিনের ছেঁড়াদ্বীপে পর্যটকদের যাতায়াত নিষিদ্ধ হলেও অনেকেই সেখানে যান সাইকেল-মোটরসাইকেল নিয়ে। পর্যটকদের ছেঁড়াদ্বীপে নিয়ে যাওয়ার জন্য আছে লাইফ বোট, স্পিডবোটও। এতে হুমকির মুখে পড়ছে পুরো দ্বীপের জীববৈচিত্র্য।
উদ্বেগজনক বিষয় হলো, গত এক বছরে সেন্ট মার্টিনে দুই শতাধিক অটোরিকশা ও দেড় শতাধিক মোটরসাইকেল নামিয়ে রমরমা ব্যবসা করছে দ্বীপের পাশাপাশি বহিরাগত লোকজন। সরকারের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও এসব মোটরযানের সংখ্যা বাড়ছে।
টমটম সমিতির লাইনসম্যান মো. হামিদ জানান, সেন্ট মার্টিনে ১৭৫টি টমটম রয়েছে। ৮০ ভাগ লোক দ্বীপের চালক, বাকিরা দ্বীপের বাইরের। সেন্ট মার্টিন অটো মিনি টমটম ও ভ্যান মালিক সমবায় সমিতি লিমিটেড নামে একটি সংগঠন রয়েছে। এ সংগঠনের আওতায় ১০০ টমটম আছে। সংগঠনটি বর্তমানে নিবন্ধিত বলেও জানান তিনি। এ ছাড়া শতাধিক মোটরসাইকেল রয়েছে; যা ভাড়া দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে থাকে বলে জানা গেছে।
রমজান মাসে পর্যটকদের আনাগোনা কম হলেও আবহাওয়া ভালো থাকলে নিয়মিত পর্যটক যাতায়াত করে থাকে সেন্ট মার্টিনে।
পর্যটন মৌসুমে প্রতিদিন সেন্ট মার্টিনে বিদ্যমান জনসংখ্যার দ্বিগুণ হয়ে ওঠে। পর্যটকের সমাগমে ও ইঞ্জিনচালিত এসব বাহনে হোটেল-কটেজের বর্জ্যে দূষিত হচ্ছে সমুদ্রের নীল জল। সৈকতে ডিম পাড়তে পারছে না মা কচ্ছপ। নিত্য দূষণে বিপন্ন হয়ে পড়েছে সেন্ট মার্টিন। তাই সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ রক্ষায় পর্যটক নিয়ন্ত্রণ ও দূষণ রোধের দাবি সচেতন মহলের।
পর্যটন ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন শুভ জানান, রমজানে মাসে পর্যটক নেই বললেই চলে। রমজানের পর পর্যটক আসতে পারে, তা-ও আবার আবহাওয়া ভালো থাকলে। তবে যানগুলো রয়েছে। পর্যটক না থাকলে এসব যানের ভাড়া থাকে না।
দ্বীপের বাসিন্দা কেফায়েত উল্লাহ জানান, অটোগুলো বন্ধ করা দুষ্কর হবে। যেহেতু দ্বীপে মোটরযান ছাড়া চলাচলের জন্য তেমন রাস্তা নেই। প্রায় সব রাস্তাই বালু দিয়ে তৈরি। যদি পাকা রাস্তা নির্মাণ করা হয়, দ্বীপের লোকজন অটো থেকে ফিরে আসবে বলে জানান তিনি।
স্থানীয় পরিবেশবাদীরা বলছেন, এমপিএ ঘোষণার কিছুদিনের জন্য সংশ্লিষ্টদের তৎপরতা দেখো গেলে পর্যায়ক্রমে বন্ধ হয়ে যায়। সেই সঙ্গে পরিবেশ অধিদপ্তর শুধু সৈকতের কিছু জায়গায় ব্যানার দিয়েই তাদের দায়িত্ব শেষ করেছে। সৈকতে তাদের কোনো তদারকি নেই।
কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজমুল হুদা বলেন, ‘শিগগির সেন্ট মার্টিন থেকে মোটরযান নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছি। তবে স্থানীয় ও পর্যটকদের সুবিধার জন্য মোটরবিহীন অর্থাৎ প্যাডেলওয়ালা ভ্যান ও রিকশা চলাচল করতে পারবে।’
টেকনাফ সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো, এরফানুল হক চৌধুরী সৈকতে সাইকেল, মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ করাসহ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কাজ করছেন তাঁরা। এটি প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান হওয়ায় পর্যায়ক্রমে সবকিছু করা হবে বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, চলতি মাসের শুরুতে জাহাজ চলাচল বন্ধ হওয়ায় পর্যটকদের যাতায়াত কমে গেছে।

সেন্ট মার্টিন দ্বীপকে সম্প্রতি মেরিন প্রোটেক্টেড এরিয়া (এমপিএ) ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু দ্বীপের সৈকতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অবাধে চলছে সাইকেল-মোটরসাইকেল। একই সঙ্গে ছেঁড়াদ্বীপে যাতায়াত নিষিদ্ধ হলেও ভাড়ায়চালিত এসব যানবাহন নিয়ে সেখানে যাচ্ছেন অনেকেই। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পরিবেশ-প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য।
জানা গেছে, দ্বীপ ও সৈকতে সাইকেল, মোটরসাইকেল, রিকশা, ভ্যান চালানো নিষেধ হলেও তা কেউ মানছে না। প্রতিদিন ভোর থেকে শেষ বিকেল পর্যন্ত সেখানে অবাধে চলছে সাইকেল-মোটরসাইকেল। মৌসুম ছাড়াও এলাকাবাসীর পাশাপাশি পর্যটকেরা এসব যানবাহন ভাড়ায় নিয়ে সৈকতে ঘোরেন। তবে রমজান হওয়ায় পর্যটক তেমন না থাকলেও মোটরচালিত যান নিয়মিত স্থানীয়দের নিয়ে চলাচল করছে। তবে পর্যটন মৌসুমে যান বহনের মাধ্যমে ঘোরাঘুরি মাত্রাতিরিক্ত।
অপর দিকে সেন্ট মার্টিনের ছেঁড়াদ্বীপে পর্যটকদের যাতায়াত নিষিদ্ধ হলেও অনেকেই সেখানে যান সাইকেল-মোটরসাইকেল নিয়ে। পর্যটকদের ছেঁড়াদ্বীপে নিয়ে যাওয়ার জন্য আছে লাইফ বোট, স্পিডবোটও। এতে হুমকির মুখে পড়ছে পুরো দ্বীপের জীববৈচিত্র্য।
উদ্বেগজনক বিষয় হলো, গত এক বছরে সেন্ট মার্টিনে দুই শতাধিক অটোরিকশা ও দেড় শতাধিক মোটরসাইকেল নামিয়ে রমরমা ব্যবসা করছে দ্বীপের পাশাপাশি বহিরাগত লোকজন। সরকারের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও এসব মোটরযানের সংখ্যা বাড়ছে।
টমটম সমিতির লাইনসম্যান মো. হামিদ জানান, সেন্ট মার্টিনে ১৭৫টি টমটম রয়েছে। ৮০ ভাগ লোক দ্বীপের চালক, বাকিরা দ্বীপের বাইরের। সেন্ট মার্টিন অটো মিনি টমটম ও ভ্যান মালিক সমবায় সমিতি লিমিটেড নামে একটি সংগঠন রয়েছে। এ সংগঠনের আওতায় ১০০ টমটম আছে। সংগঠনটি বর্তমানে নিবন্ধিত বলেও জানান তিনি। এ ছাড়া শতাধিক মোটরসাইকেল রয়েছে; যা ভাড়া দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে থাকে বলে জানা গেছে।
রমজান মাসে পর্যটকদের আনাগোনা কম হলেও আবহাওয়া ভালো থাকলে নিয়মিত পর্যটক যাতায়াত করে থাকে সেন্ট মার্টিনে।
পর্যটন মৌসুমে প্রতিদিন সেন্ট মার্টিনে বিদ্যমান জনসংখ্যার দ্বিগুণ হয়ে ওঠে। পর্যটকের সমাগমে ও ইঞ্জিনচালিত এসব বাহনে হোটেল-কটেজের বর্জ্যে দূষিত হচ্ছে সমুদ্রের নীল জল। সৈকতে ডিম পাড়তে পারছে না মা কচ্ছপ। নিত্য দূষণে বিপন্ন হয়ে পড়েছে সেন্ট মার্টিন। তাই সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ রক্ষায় পর্যটক নিয়ন্ত্রণ ও দূষণ রোধের দাবি সচেতন মহলের।
পর্যটন ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন শুভ জানান, রমজানে মাসে পর্যটক নেই বললেই চলে। রমজানের পর পর্যটক আসতে পারে, তা-ও আবার আবহাওয়া ভালো থাকলে। তবে যানগুলো রয়েছে। পর্যটক না থাকলে এসব যানের ভাড়া থাকে না।
দ্বীপের বাসিন্দা কেফায়েত উল্লাহ জানান, অটোগুলো বন্ধ করা দুষ্কর হবে। যেহেতু দ্বীপে মোটরযান ছাড়া চলাচলের জন্য তেমন রাস্তা নেই। প্রায় সব রাস্তাই বালু দিয়ে তৈরি। যদি পাকা রাস্তা নির্মাণ করা হয়, দ্বীপের লোকজন অটো থেকে ফিরে আসবে বলে জানান তিনি।
স্থানীয় পরিবেশবাদীরা বলছেন, এমপিএ ঘোষণার কিছুদিনের জন্য সংশ্লিষ্টদের তৎপরতা দেখো গেলে পর্যায়ক্রমে বন্ধ হয়ে যায়। সেই সঙ্গে পরিবেশ অধিদপ্তর শুধু সৈকতের কিছু জায়গায় ব্যানার দিয়েই তাদের দায়িত্ব শেষ করেছে। সৈকতে তাদের কোনো তদারকি নেই।
কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজমুল হুদা বলেন, ‘শিগগির সেন্ট মার্টিন থেকে মোটরযান নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছি। তবে স্থানীয় ও পর্যটকদের সুবিধার জন্য মোটরবিহীন অর্থাৎ প্যাডেলওয়ালা ভ্যান ও রিকশা চলাচল করতে পারবে।’
টেকনাফ সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো, এরফানুল হক চৌধুরী সৈকতে সাইকেল, মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ করাসহ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কাজ করছেন তাঁরা। এটি প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান হওয়ায় পর্যায়ক্রমে সবকিছু করা হবে বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, চলতি মাসের শুরুতে জাহাজ চলাচল বন্ধ হওয়ায় পর্যটকদের যাতায়াত কমে গেছে।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫