সম্পাদকীয়

নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ীতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার খবর ছাপা হয়েছে রোববারের আজকের পত্রিকায়। এ ধরনের বিরোধ নতুন নয়। জমিজমা নিয়ে বিরোধ শুধু প্রতিবেশীদের সঙ্গে হয় না, আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গেও হয়। আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি একসময় হতো। কিন্তু ইদানীং মানুষ অসহিষ্ণু হয়ে উঠছে। আলোচনার জায়গা দখল করেছে মারপিট, খুনোখুনি। স্বার্থ চিন্তা, অসংযত লোভ এবং নানা ভেদজ্ঞানই হয়তো মানুষকে ক্রমাগত সংকীর্ণ ও অসংযত হওয়ার পথে ঠেলতে ঠেলতে এখন একটা চরম অবস্থার মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে।
সহনশীলতা একটি সামাজিক মূল্যবোধ। সমাজের স্থিতিশীলতা নষ্ট হলে সহনশীলতাও আর থাকতে পারে না। মানুষ ক্রমাগত জ্ঞান-বিজ্ঞানে এগিয়ে যাচ্ছে। মানুষ যতই অজানাকে জানছে, ততই তার মধ্যে অস্থিরতাও বাড়ছে। আরও জানার আগ্রহ মানুষের তৃপ্তি কেড়ে নিয়েছে। সারাক্ষণ তার মধ্যে চাওয়া-পাওয়ার তীব্রতা বাড়ছে। মনের মধ্যে চাপ বাড়ছে। আর এই ক্রমবর্ধমান চাপ মানুষের জীবনকে ধৈর্যহীন করে তুলছে। ধৈর্যের অভাব একদিকে মানুষের আত্মবিশ্বাস টলিয়ে দিচ্ছে, অন্যদিকে তার সাহসও কমিয়ে দিচ্ছে। ও বুঝি আমাকে ছাড়িয়ে গেল, আমি বুঝি তার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়লাম, ওর হলো, আমার হলো না—এমনতর সব ঘটনার তাড়া মানুষকে সহনশীল থাকতে দিচ্ছে না।
মানুষ যেভাবে ক্রমেই বিদ্বেষপরায়ণ ও হিংসুটে স্বভাবের হয়ে উঠছে, তাতে সহনশীল হওয়ার প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে। মানুষের নানা কারণেই সহনশীল হওয়া উচিত। পারস্পরিক সম্পর্কগুলো অমলিন রাখার জন্য, মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধের জন্য, আস্থা ও ভালোবাসার বন্ধন দৃঢ় করার জন্য সহনশীলতার বিকল্প নেই। সবচেয়ে বড় কথা, সহনশীল হলে ক্ষতির চেয়ে লাভই হয় বেশি। সহনশীলতার অভাব মানুষে-মানুষে তিক্ততা বাড়ায়, মানুষের ওপর মানুষের আস্থা চলে যায়।
অথচ সহনশীলতা মানুষের একটি গুণ। অবশ্য সব মানুষের মধ্যে এই গুণ সমানভাবে না-ও থাকতে পারে। কেউ হয়তো জন্মগতভাবে বা পারিবারিক অনুশাসনের মাধ্যমে এই গুণের অধিকারী হয়, আবার কেউবা শিক্ষার মাধ্যমেও এটা আয়ত্ত করতে পারেন বা করেন। এই গুণের চর্চাও বিভিন্ন পর্যায়ে হতে পারে। পরিবারে, প্রতিষ্ঠানে, সমাজে, কর্মক্ষেত্রে এবং রাষ্ট্রের বৃহত্তর পরিসরে সহনশীলতার চর্চা কিন্তু অপকারের চেয়ে উপকারই বেশি করে।
সহনশীলতা রপ্ত করা খুব কঠিন কিছু নয়। অতিরিক্ত পাওয়ার লোভ সংবরণ করলে অনেক সমস্যারই স্বাভাবিক সমাধান হতে পারে। ছাড় দেওয়ার মানসিকতাই সহনশীলতার মূলমন্ত্র। মনটা একটু উদার করলে, অন্যের কথা বা মতটা ধৈর্য নিয়ে শুনলে, অন্যের ওপর কিছু চাপিয়ে দেওয়ার মনোভাব না থাকলেই সহনশীল হওয়া যায়। সহনশীলতা সম্প্রীতি বাড়ায়, মানুষে-মানুষে ভুল-বোঝাবুঝি কমায়।
যার যতটুকু আছে তা নিয়ে খুশি থাকা এবং অন্যেরটা জোর করে কেড়ে নেওয়ার মানসিকতা পরিহার করতে পারলে হানাহানির পরিবেশ তৈরি হবে না। কিন্তু তেমন অবস্থা কি আর হবে? জাতীয় রাজনীতি হিংসার পথ না ছাড়লে সমাজ কীভাবে সুস্থির হবে?

নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ীতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার খবর ছাপা হয়েছে রোববারের আজকের পত্রিকায়। এ ধরনের বিরোধ নতুন নয়। জমিজমা নিয়ে বিরোধ শুধু প্রতিবেশীদের সঙ্গে হয় না, আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গেও হয়। আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি একসময় হতো। কিন্তু ইদানীং মানুষ অসহিষ্ণু হয়ে উঠছে। আলোচনার জায়গা দখল করেছে মারপিট, খুনোখুনি। স্বার্থ চিন্তা, অসংযত লোভ এবং নানা ভেদজ্ঞানই হয়তো মানুষকে ক্রমাগত সংকীর্ণ ও অসংযত হওয়ার পথে ঠেলতে ঠেলতে এখন একটা চরম অবস্থার মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে।
সহনশীলতা একটি সামাজিক মূল্যবোধ। সমাজের স্থিতিশীলতা নষ্ট হলে সহনশীলতাও আর থাকতে পারে না। মানুষ ক্রমাগত জ্ঞান-বিজ্ঞানে এগিয়ে যাচ্ছে। মানুষ যতই অজানাকে জানছে, ততই তার মধ্যে অস্থিরতাও বাড়ছে। আরও জানার আগ্রহ মানুষের তৃপ্তি কেড়ে নিয়েছে। সারাক্ষণ তার মধ্যে চাওয়া-পাওয়ার তীব্রতা বাড়ছে। মনের মধ্যে চাপ বাড়ছে। আর এই ক্রমবর্ধমান চাপ মানুষের জীবনকে ধৈর্যহীন করে তুলছে। ধৈর্যের অভাব একদিকে মানুষের আত্মবিশ্বাস টলিয়ে দিচ্ছে, অন্যদিকে তার সাহসও কমিয়ে দিচ্ছে। ও বুঝি আমাকে ছাড়িয়ে গেল, আমি বুঝি তার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়লাম, ওর হলো, আমার হলো না—এমনতর সব ঘটনার তাড়া মানুষকে সহনশীল থাকতে দিচ্ছে না।
মানুষ যেভাবে ক্রমেই বিদ্বেষপরায়ণ ও হিংসুটে স্বভাবের হয়ে উঠছে, তাতে সহনশীল হওয়ার প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে। মানুষের নানা কারণেই সহনশীল হওয়া উচিত। পারস্পরিক সম্পর্কগুলো অমলিন রাখার জন্য, মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধের জন্য, আস্থা ও ভালোবাসার বন্ধন দৃঢ় করার জন্য সহনশীলতার বিকল্প নেই। সবচেয়ে বড় কথা, সহনশীল হলে ক্ষতির চেয়ে লাভই হয় বেশি। সহনশীলতার অভাব মানুষে-মানুষে তিক্ততা বাড়ায়, মানুষের ওপর মানুষের আস্থা চলে যায়।
অথচ সহনশীলতা মানুষের একটি গুণ। অবশ্য সব মানুষের মধ্যে এই গুণ সমানভাবে না-ও থাকতে পারে। কেউ হয়তো জন্মগতভাবে বা পারিবারিক অনুশাসনের মাধ্যমে এই গুণের অধিকারী হয়, আবার কেউবা শিক্ষার মাধ্যমেও এটা আয়ত্ত করতে পারেন বা করেন। এই গুণের চর্চাও বিভিন্ন পর্যায়ে হতে পারে। পরিবারে, প্রতিষ্ঠানে, সমাজে, কর্মক্ষেত্রে এবং রাষ্ট্রের বৃহত্তর পরিসরে সহনশীলতার চর্চা কিন্তু অপকারের চেয়ে উপকারই বেশি করে।
সহনশীলতা রপ্ত করা খুব কঠিন কিছু নয়। অতিরিক্ত পাওয়ার লোভ সংবরণ করলে অনেক সমস্যারই স্বাভাবিক সমাধান হতে পারে। ছাড় দেওয়ার মানসিকতাই সহনশীলতার মূলমন্ত্র। মনটা একটু উদার করলে, অন্যের কথা বা মতটা ধৈর্য নিয়ে শুনলে, অন্যের ওপর কিছু চাপিয়ে দেওয়ার মনোভাব না থাকলেই সহনশীল হওয়া যায়। সহনশীলতা সম্প্রীতি বাড়ায়, মানুষে-মানুষে ভুল-বোঝাবুঝি কমায়।
যার যতটুকু আছে তা নিয়ে খুশি থাকা এবং অন্যেরটা জোর করে কেড়ে নেওয়ার মানসিকতা পরিহার করতে পারলে হানাহানির পরিবেশ তৈরি হবে না। কিন্তু তেমন অবস্থা কি আর হবে? জাতীয় রাজনীতি হিংসার পথ না ছাড়লে সমাজ কীভাবে সুস্থির হবে?

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫