সম্পাদকীয়

আশ্চর্য ঘটনা ঘটছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার কানসাট বাজারে। সেখানকার আমবাগানিরা আম বিক্রি করতে গিয়ে ওজনে ঠকছেন। প্রতি মণ আম বলতে বোঝানো হয় ৪৫ কেজি, অথচ পাইকারি ব্যবসায়ীরা ৫২ কেজিকে এক মণ হিসাবে ধরতে বাধ্য করছেন। তাতে প্রতি মণে ৭ কেজি আম বেশি দিতে বাধ্য হচ্ছেন বাগানিরা।
সরকার করে দিয়েছে নিয়ম, কিন্তু তা আর মানা হচ্ছে না। মণপ্রতি ৭ কেজির এই বৈষম্যের কারণে বাগানিদের মাথায় হাত। আম ফলাতে যে অর্থ ব্যয় হয়েছে, তা উঠে আসবে না—এই চিন্তায় তাঁরা হতাশায় নিমজ্জিত হচ্ছেন। এ নিয়ে আজকের পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদটিতে আমবাগানিদের দুর্দশার কথা প্রকাশিত হয়েছে।
বাংলাদেশের আমের রাজধানী বলা হয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাকে। যেখানে এ সময় আমবাগানিদের আনন্দে মুখরিত থাকার কথা, সেখানে তাঁদের জীবনে নেমে এসেছে বিষাদের কালো ছায়া। এখানকার কৃষকদের মেরুদণ্ডই হলো আম চাষ। মণে ৭ কেজি বেশি দিতে গিয়ে শুধু কি প্রকৃত আমবাগানিরাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন? যেসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী গ্রামে গ্রামে ঘুরে আম কিনে পাইকারি বাজারে বিক্রি করে সংসার চালান, তাঁরাও লাভের মুখ না দেখে ক্ষতির মুখে পড়ছেন।
আমাদের দেশে মধ্যস্বত্বভোগী আর সিন্ডিকেট মিলে সবকিছু ওলট-পালট করে দিচ্ছে। বহুদিন ধরেই আমাদের ভঙ্গুর সমাজব্যবস্থায় জনগণের কষ্টের আর্তনাদ ও দুর্দশার মধ্যে সিন্ডিকেট শ্রেণিটি মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হিসেবে উপস্থিত হয়েছে। শ্রেণিটি একটি বিশেষ ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর স্বার্থই বড় করে দেখে থাকে। দেশের এমন কোনো ক্ষেত্র নেই, যেখানে তাদের আধিপত্য নেই।
গ্রামে গ্রামে ঘুরে আম সংগ্রহ করেন এমন একজন ব্যবসায়ী যা বলেছেন, তা হলো—গ্রামে ৪৫-৪৬ কেজির ওপরে মণ ধরে কেউ আম দিতে চান না। ওই হিসাবে আম কিনে কানসাট বাজারে বিক্রি করতে হলো ৫২ কেজি হিসাবে প্রতি মণ ধরে। এতে পুঁজি হারিয়ে গেছে তাঁর।
কানসাটের আমবাজারে মণ প্রতি কেজিতে বেশি নেওয়ার ক্ষেত্রে এই সিন্ডিকেটের হাত যে প্রসারিত, তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। ওই ব্যবসায়ীরা অন্য জেলা থেকে এসে এখানে দাপটের সঙ্গে ব্যবসা করছেন। তাঁদের দাপটে স্থানীয় আমবাগানিরাও অসহায়। অস্বীকার করার উপায় নেই যে বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে শুরু করে সবখানেই যেন কৃষকেরা ‘নেই’ হয়ে গেছেন। জাতীয় সংসদে তাঁদের প্রতিনিধি নেই। রাজনৈতিক দলগুলোতে কৃষকদের জন্য আলাদা গণসংগঠন থাকলেও তাতে কৃষকদের প্রতিনিধিত্ব খুঁজে পাওয়া যায় না। ফলে কৃষকের কণ্ঠস্বর কোথাও শোনা যায় না।
পৃথিবীর কোথাও কি এমন নিয়ম আছে, যেখানে যাঁরা উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত, তাঁরা এতটা অসহায়? তবে সব অসম্ভবকে সম্ভব করার দেশ বাংলাদেশ। কানসাটের আমবাজারে নৈরাজ্য চলছে। আর এই নৈরাজ্য বন্ধ করতে পারে স্থানীয় প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। এই নৈরাজ্যের অবসান ঘটাতে রাষ্ট্রেরও দায়িত্ব আছে।

আশ্চর্য ঘটনা ঘটছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার কানসাট বাজারে। সেখানকার আমবাগানিরা আম বিক্রি করতে গিয়ে ওজনে ঠকছেন। প্রতি মণ আম বলতে বোঝানো হয় ৪৫ কেজি, অথচ পাইকারি ব্যবসায়ীরা ৫২ কেজিকে এক মণ হিসাবে ধরতে বাধ্য করছেন। তাতে প্রতি মণে ৭ কেজি আম বেশি দিতে বাধ্য হচ্ছেন বাগানিরা।
সরকার করে দিয়েছে নিয়ম, কিন্তু তা আর মানা হচ্ছে না। মণপ্রতি ৭ কেজির এই বৈষম্যের কারণে বাগানিদের মাথায় হাত। আম ফলাতে যে অর্থ ব্যয় হয়েছে, তা উঠে আসবে না—এই চিন্তায় তাঁরা হতাশায় নিমজ্জিত হচ্ছেন। এ নিয়ে আজকের পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদটিতে আমবাগানিদের দুর্দশার কথা প্রকাশিত হয়েছে।
বাংলাদেশের আমের রাজধানী বলা হয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাকে। যেখানে এ সময় আমবাগানিদের আনন্দে মুখরিত থাকার কথা, সেখানে তাঁদের জীবনে নেমে এসেছে বিষাদের কালো ছায়া। এখানকার কৃষকদের মেরুদণ্ডই হলো আম চাষ। মণে ৭ কেজি বেশি দিতে গিয়ে শুধু কি প্রকৃত আমবাগানিরাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন? যেসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী গ্রামে গ্রামে ঘুরে আম কিনে পাইকারি বাজারে বিক্রি করে সংসার চালান, তাঁরাও লাভের মুখ না দেখে ক্ষতির মুখে পড়ছেন।
আমাদের দেশে মধ্যস্বত্বভোগী আর সিন্ডিকেট মিলে সবকিছু ওলট-পালট করে দিচ্ছে। বহুদিন ধরেই আমাদের ভঙ্গুর সমাজব্যবস্থায় জনগণের কষ্টের আর্তনাদ ও দুর্দশার মধ্যে সিন্ডিকেট শ্রেণিটি মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হিসেবে উপস্থিত হয়েছে। শ্রেণিটি একটি বিশেষ ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর স্বার্থই বড় করে দেখে থাকে। দেশের এমন কোনো ক্ষেত্র নেই, যেখানে তাদের আধিপত্য নেই।
গ্রামে গ্রামে ঘুরে আম সংগ্রহ করেন এমন একজন ব্যবসায়ী যা বলেছেন, তা হলো—গ্রামে ৪৫-৪৬ কেজির ওপরে মণ ধরে কেউ আম দিতে চান না। ওই হিসাবে আম কিনে কানসাট বাজারে বিক্রি করতে হলো ৫২ কেজি হিসাবে প্রতি মণ ধরে। এতে পুঁজি হারিয়ে গেছে তাঁর।
কানসাটের আমবাজারে মণ প্রতি কেজিতে বেশি নেওয়ার ক্ষেত্রে এই সিন্ডিকেটের হাত যে প্রসারিত, তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। ওই ব্যবসায়ীরা অন্য জেলা থেকে এসে এখানে দাপটের সঙ্গে ব্যবসা করছেন। তাঁদের দাপটে স্থানীয় আমবাগানিরাও অসহায়। অস্বীকার করার উপায় নেই যে বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে শুরু করে সবখানেই যেন কৃষকেরা ‘নেই’ হয়ে গেছেন। জাতীয় সংসদে তাঁদের প্রতিনিধি নেই। রাজনৈতিক দলগুলোতে কৃষকদের জন্য আলাদা গণসংগঠন থাকলেও তাতে কৃষকদের প্রতিনিধিত্ব খুঁজে পাওয়া যায় না। ফলে কৃষকের কণ্ঠস্বর কোথাও শোনা যায় না।
পৃথিবীর কোথাও কি এমন নিয়ম আছে, যেখানে যাঁরা উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত, তাঁরা এতটা অসহায়? তবে সব অসম্ভবকে সম্ভব করার দেশ বাংলাদেশ। কানসাটের আমবাজারে নৈরাজ্য চলছে। আর এই নৈরাজ্য বন্ধ করতে পারে স্থানীয় প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। এই নৈরাজ্যের অবসান ঘটাতে রাষ্ট্রেরও দায়িত্ব আছে।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫