সম্পাদকীয়

অতিরিক্ত কিছুই যে ভালো নয়, তা আবারও প্রমাণ হলো ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে মঞ্চ ভেঙে পড়ার ঘটনায়। ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি মানুষ ওঠায় মঞ্চ ভেঙে পড়েছে, তবে দশ জন সামান্য আহত হলেও বড় কোনো অঘটন ঘটেনি, এটাই স্বস্তির। শনিবার আজকের পত্রিকায় ‘নেতার ভারে মঞ্চ ভেঙে পড়লেন কাদের’ শিরোনামের খবর থেকে জানা যায়, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বক্তৃতা দেওয়ার সময় মঞ্চ ভেঙে পড়ে যান। তবে তিনি সুস্থ আছেন।
ছাত্রলীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ছিল ৪ জানুয়ারি। এ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে ৬ জানুয়ারি শোভাযাত্রা বের হওয়ার আগে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করছিলেন ওবায়দুল কাদের। তিনি কিছুক্ষণ কথা বলার পরই মঞ্চ ভেঙে সবাই হুড়মুড়িয়ে পড়েন।
আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও বিএমএর সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, স্বাচিপের সভাপতি ডা. জামাল উদ্দিন চৌধুরী, যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক শারমিন সুলতানা লিলিসহ ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা আহত হন।
মঞ্চ ভেঙে পড়ার কয়েক মিনিট পর ভাঙা মঞ্চ থেকেই ওবায়দুল কাদের শোভাযাত্রার উদ্বোধন ঘোষণা করে বলেন, ‘স্টেজ ভেঙে পড়েছে, এটা স্বাভাবিক ব্যাপার। আমি বলব, এই যে নেতাদের মঞ্চে ওঠা...এত নেতা আমাদের দরকার নেই, দরকার কর্মী। স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য স্মার্ট কর্মী দরকার। যেকোনো অনুষ্ঠানে গেলে সামনের লোকের চেয়ে মঞ্চে লোক বেশি। এত নেতা কেন? নেতা উৎপাদনের এত বড় কারখানা আমাদের দরকার নেই। ছাত্রলীগ হোক কর্মী উৎপাদনের কারখানা।’
ওবায়দুল কাদেরের এই বক্তব্য কি ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের কানে পৌঁছাবে? এরপর কি মঞ্চে অতিরিক্ত নেতা ওঠা বন্ধ হবে? দেশের ছাত্র আন্দোলনের ঐতিহ্যবাহী এই সংগঠনের পরিচয়ধারী কিছু নেতা-কর্মীর নানা অপকর্মে লিপ্ত হওয়ার খবর এখন প্রায়ই গণমাধ্যমেও ছাপা হয়। এতে যে সংগঠনের ঐতিহ্যে কালি মাখা হয়, সেটা কে আমলে নিচ্ছে?
ছাত্রলীগের কারও কারও আচার-আচরণ দেখে মনে হয়, তাঁরা এই নীতি অনুসরণ করছে: বকো আর ঝকো, কানে দিয়েছি তুলো, মারো আর ধরো, পিঠে বেঁধেছি কুলো।
উল্লেখ্য, ২ ডিসেম্বর ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ ছাত্রলীগের সম্মেলনে ছাত্রলীগের আচরণ ও সমাবেশ মঞ্চে নেতাদের ভিড় দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘এটাই কি ছাত্রলীগ? কোনো শৃঙ্খলা নেই। ছাত্রলীগে সব নেতা? কর্মী কোথায়? এত নেতা স্টেজে, এই ছাত্রলীগ চাই না।’
এক মাস পরও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটল এবং সেটা ওবায়দুল কাদেরের উপস্থিতিতেই। এরপর কি ছাত্রলীগকে শাসনের আওতায় আনা হবে?
ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ অবশ্য ঘটনার পেছনে ষড়যন্ত্র না খুঁজে অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপ্রত্যাশিত ঘটনাটির জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এই বিনয় ছাত্রলীগের কাছে প্রত্যাশিত।

অতিরিক্ত কিছুই যে ভালো নয়, তা আবারও প্রমাণ হলো ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে মঞ্চ ভেঙে পড়ার ঘটনায়। ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি মানুষ ওঠায় মঞ্চ ভেঙে পড়েছে, তবে দশ জন সামান্য আহত হলেও বড় কোনো অঘটন ঘটেনি, এটাই স্বস্তির। শনিবার আজকের পত্রিকায় ‘নেতার ভারে মঞ্চ ভেঙে পড়লেন কাদের’ শিরোনামের খবর থেকে জানা যায়, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বক্তৃতা দেওয়ার সময় মঞ্চ ভেঙে পড়ে যান। তবে তিনি সুস্থ আছেন।
ছাত্রলীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ছিল ৪ জানুয়ারি। এ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে ৬ জানুয়ারি শোভাযাত্রা বের হওয়ার আগে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করছিলেন ওবায়দুল কাদের। তিনি কিছুক্ষণ কথা বলার পরই মঞ্চ ভেঙে সবাই হুড়মুড়িয়ে পড়েন।
আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও বিএমএর সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, স্বাচিপের সভাপতি ডা. জামাল উদ্দিন চৌধুরী, যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক শারমিন সুলতানা লিলিসহ ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা আহত হন।
মঞ্চ ভেঙে পড়ার কয়েক মিনিট পর ভাঙা মঞ্চ থেকেই ওবায়দুল কাদের শোভাযাত্রার উদ্বোধন ঘোষণা করে বলেন, ‘স্টেজ ভেঙে পড়েছে, এটা স্বাভাবিক ব্যাপার। আমি বলব, এই যে নেতাদের মঞ্চে ওঠা...এত নেতা আমাদের দরকার নেই, দরকার কর্মী। স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য স্মার্ট কর্মী দরকার। যেকোনো অনুষ্ঠানে গেলে সামনের লোকের চেয়ে মঞ্চে লোক বেশি। এত নেতা কেন? নেতা উৎপাদনের এত বড় কারখানা আমাদের দরকার নেই। ছাত্রলীগ হোক কর্মী উৎপাদনের কারখানা।’
ওবায়দুল কাদেরের এই বক্তব্য কি ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের কানে পৌঁছাবে? এরপর কি মঞ্চে অতিরিক্ত নেতা ওঠা বন্ধ হবে? দেশের ছাত্র আন্দোলনের ঐতিহ্যবাহী এই সংগঠনের পরিচয়ধারী কিছু নেতা-কর্মীর নানা অপকর্মে লিপ্ত হওয়ার খবর এখন প্রায়ই গণমাধ্যমেও ছাপা হয়। এতে যে সংগঠনের ঐতিহ্যে কালি মাখা হয়, সেটা কে আমলে নিচ্ছে?
ছাত্রলীগের কারও কারও আচার-আচরণ দেখে মনে হয়, তাঁরা এই নীতি অনুসরণ করছে: বকো আর ঝকো, কানে দিয়েছি তুলো, মারো আর ধরো, পিঠে বেঁধেছি কুলো।
উল্লেখ্য, ২ ডিসেম্বর ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ ছাত্রলীগের সম্মেলনে ছাত্রলীগের আচরণ ও সমাবেশ মঞ্চে নেতাদের ভিড় দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘এটাই কি ছাত্রলীগ? কোনো শৃঙ্খলা নেই। ছাত্রলীগে সব নেতা? কর্মী কোথায়? এত নেতা স্টেজে, এই ছাত্রলীগ চাই না।’
এক মাস পরও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটল এবং সেটা ওবায়দুল কাদেরের উপস্থিতিতেই। এরপর কি ছাত্রলীগকে শাসনের আওতায় আনা হবে?
ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ অবশ্য ঘটনার পেছনে ষড়যন্ত্র না খুঁজে অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপ্রত্যাশিত ঘটনাটির জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এই বিনয় ছাত্রলীগের কাছে প্রত্যাশিত।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫