নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ও ক্রসফায়ার নিয়ে সরকারের তিন মন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন, জাতীয় সংসদে তাঁর ব্যাখ্যা চেয়েছেন জাতীয় পার্টি ও বিএনপির সাংসদেরা। তাঁদের দাবি—রাষ্ট্রধর্ম নিয়ে কথা বলে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান ও তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান শপথ ভঙ্গ করেছেন। ক্রসফায়ারের পক্ষে বক্তব্য দিয়ে শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডকে উসকানি দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে সংসদ নেতার কাছে ব্যাখ্যাও দাবি করেন তাঁরা।
মঙ্গলবার বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স) বিল-২০২১ বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাবের ওপর আলোচনাকালে এসব দাবি করেন বিএনপি ও জাতীয় পার্টির সাংসদেরা।
আলোচনা শুরু করেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু। তিনি বলেন, সংবিধানের ২ এর (ক) অনুচ্ছেদে রয়েছে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম। এই সংবিধান রক্ষা ও সংরক্ষণের জন্য মন্ত্রীরা শপথ নিয়েছেন। একজন প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, তিনি রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম মানেন না। তিনি বলেন, শপথ নেওয়া কোনো মন্ত্রী এভাবে সংবিধান পরিবর্তনের কথা বলতে পারেন না। বললে শাস্তি হবে। সংসদ নেতার কাছে জানতে চাই, এটা তিনি কী করে বলেন?
বিএনপির সাংসদ হারুনুর রশিদ বলেন, আইনমন্ত্রীর কাছে জানতে চেয়েছিলাম যাঁরা শপথ ভঙ্গ করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে? এ ছাড়াও পরিকল্পনামন্ত্রী আবদুল মান্নান বলেছেন, আমি বাকশালে বিশ্বাস করি। রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বিষফোড়া। সাংবিধানিক দায়িত্বে থেকে এ ধরনের বক্তব্য কতটা আইনানুগ সেটার ব্যাখ্যা চান তিনি। এ সময় হারুনুর রশিদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসানের একটি বক্তব্য শোনান।
হারুন বলেন, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা লাগামহীনভাবে সংবিধানের স্পিরিট, তার বাইরে বক্তব্য দিচ্ছেন। এটা নিয়ে লাগাম টানা হচ্ছে না। দুই মন্ত্রীর মস্তিষ্ক বিকৃতি হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, তাদের ছাঁটাই করে দেন। এটা মন্ত্রিপরিষদের ভাবমূর্তির প্রশ্ন।
গত ১২ নভেম্বর এক আলোচনা সভায় পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, সামরিক শাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম করার পদক্ষেপকে বাঙালি জাতির মূল উদ্দেশ্যের পথে ‘কাঁটা’। আর তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান বলেন, ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম নয় এবং অচিরেই সংসদে বায়াত্তরের সংবিধানে ফিরে যাওয়ার বিল উত্থাপন করা হবে।
আলোচনায় জাপার সাংসদ শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, দুজন মন্ত্রী সম্প্রতি রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম নিয়ে ন্যক্কারজনক কথা বলেছেন। সরকারের কী সমস্যার ঘাটতি হচ্ছে? বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ব্যাখ্যা চান জাপার সাংসদ রওশন আরা মান্নান।
সাংসদ রুমিন ফারহানা বলেন, মেজর সিনহা হত্যাকাণ্ডের পরে কিছুদিন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বন্ধ থাকলেও আবার শুরু হয়েছে সেই ভয়ংকর বর্বরতা। শিল্প প্রতিমন্ত্রী (কামাল আহমেদ মজুমদার) বলেছেন, আমি ক্রসফায়ারের পক্ষে। তিনি বলেন, সরকারের কাছে প্রশ্ন বিচারবহির্ভূত হত্যার মতো ভয়ানক হত্যাকাণ্ডের সমর্থন করে, উসকানি দেওয়ার কারণে শিল্প প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেওয়া হবে?
বঙ্গবন্ধু পরিবারে নিরাপত্তা দেবে এসএসএফ
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের দৈহিক নিরাপত্তার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করতে সংসদে বিল পাস হয়েছে। মঙ্গলবার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক মঙ্গলবার বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স) বিল-২০২১ সংসদে পাসের প্রস্তাব করেন। পরে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।
গত ৩ সেপ্টেম্বর বিলটি সংসদে তোলেন মন্ত্রী। পরে বিলটি পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।
১৯৮৬ সালের একটি অধ্যাদেশ দিয়ে বর্তমানে বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর (এসএসএফ) কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সামরিক আমলে প্রণীত ওই আইন বাতিল করে বাংলায় নতুন আইন করতে বিলটি পাস করা হলো।
বিলে জাতির পিতার পরিবারের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা এবং তাঁদের সন্তানাদি ও ক্ষেত্রমত ওই সন্তানাদির স্বামী বা স্ত্রী এবং তাঁদের সন্তানাদি। আগের বিষয়গুলোকে আইনে রাখা হয়েছে। নতুন করে যুক্ত হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্য ও অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের দৈহিক নিরাপত্তা প্রদান।

সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ও ক্রসফায়ার নিয়ে সরকারের তিন মন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন, জাতীয় সংসদে তাঁর ব্যাখ্যা চেয়েছেন জাতীয় পার্টি ও বিএনপির সাংসদেরা। তাঁদের দাবি—রাষ্ট্রধর্ম নিয়ে কথা বলে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান ও তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান শপথ ভঙ্গ করেছেন। ক্রসফায়ারের পক্ষে বক্তব্য দিয়ে শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডকে উসকানি দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে সংসদ নেতার কাছে ব্যাখ্যাও দাবি করেন তাঁরা।
মঙ্গলবার বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স) বিল-২০২১ বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাবের ওপর আলোচনাকালে এসব দাবি করেন বিএনপি ও জাতীয় পার্টির সাংসদেরা।
আলোচনা শুরু করেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু। তিনি বলেন, সংবিধানের ২ এর (ক) অনুচ্ছেদে রয়েছে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম। এই সংবিধান রক্ষা ও সংরক্ষণের জন্য মন্ত্রীরা শপথ নিয়েছেন। একজন প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, তিনি রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম মানেন না। তিনি বলেন, শপথ নেওয়া কোনো মন্ত্রী এভাবে সংবিধান পরিবর্তনের কথা বলতে পারেন না। বললে শাস্তি হবে। সংসদ নেতার কাছে জানতে চাই, এটা তিনি কী করে বলেন?
বিএনপির সাংসদ হারুনুর রশিদ বলেন, আইনমন্ত্রীর কাছে জানতে চেয়েছিলাম যাঁরা শপথ ভঙ্গ করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে? এ ছাড়াও পরিকল্পনামন্ত্রী আবদুল মান্নান বলেছেন, আমি বাকশালে বিশ্বাস করি। রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বিষফোড়া। সাংবিধানিক দায়িত্বে থেকে এ ধরনের বক্তব্য কতটা আইনানুগ সেটার ব্যাখ্যা চান তিনি। এ সময় হারুনুর রশিদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসানের একটি বক্তব্য শোনান।
হারুন বলেন, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা লাগামহীনভাবে সংবিধানের স্পিরিট, তার বাইরে বক্তব্য দিচ্ছেন। এটা নিয়ে লাগাম টানা হচ্ছে না। দুই মন্ত্রীর মস্তিষ্ক বিকৃতি হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, তাদের ছাঁটাই করে দেন। এটা মন্ত্রিপরিষদের ভাবমূর্তির প্রশ্ন।
গত ১২ নভেম্বর এক আলোচনা সভায় পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, সামরিক শাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম করার পদক্ষেপকে বাঙালি জাতির মূল উদ্দেশ্যের পথে ‘কাঁটা’। আর তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান বলেন, ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম নয় এবং অচিরেই সংসদে বায়াত্তরের সংবিধানে ফিরে যাওয়ার বিল উত্থাপন করা হবে।
আলোচনায় জাপার সাংসদ শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, দুজন মন্ত্রী সম্প্রতি রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম নিয়ে ন্যক্কারজনক কথা বলেছেন। সরকারের কী সমস্যার ঘাটতি হচ্ছে? বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ব্যাখ্যা চান জাপার সাংসদ রওশন আরা মান্নান।
সাংসদ রুমিন ফারহানা বলেন, মেজর সিনহা হত্যাকাণ্ডের পরে কিছুদিন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বন্ধ থাকলেও আবার শুরু হয়েছে সেই ভয়ংকর বর্বরতা। শিল্প প্রতিমন্ত্রী (কামাল আহমেদ মজুমদার) বলেছেন, আমি ক্রসফায়ারের পক্ষে। তিনি বলেন, সরকারের কাছে প্রশ্ন বিচারবহির্ভূত হত্যার মতো ভয়ানক হত্যাকাণ্ডের সমর্থন করে, উসকানি দেওয়ার কারণে শিল্প প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেওয়া হবে?
বঙ্গবন্ধু পরিবারে নিরাপত্তা দেবে এসএসএফ
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের দৈহিক নিরাপত্তার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করতে সংসদে বিল পাস হয়েছে। মঙ্গলবার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক মঙ্গলবার বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স) বিল-২০২১ সংসদে পাসের প্রস্তাব করেন। পরে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।
গত ৩ সেপ্টেম্বর বিলটি সংসদে তোলেন মন্ত্রী। পরে বিলটি পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।
১৯৮৬ সালের একটি অধ্যাদেশ দিয়ে বর্তমানে বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর (এসএসএফ) কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সামরিক আমলে প্রণীত ওই আইন বাতিল করে বাংলায় নতুন আইন করতে বিলটি পাস করা হলো।
বিলে জাতির পিতার পরিবারের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা এবং তাঁদের সন্তানাদি ও ক্ষেত্রমত ওই সন্তানাদির স্বামী বা স্ত্রী এবং তাঁদের সন্তানাদি। আগের বিষয়গুলোকে আইনে রাখা হয়েছে। নতুন করে যুক্ত হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্য ও অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের দৈহিক নিরাপত্তা প্রদান।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫