জুবাইদুল ইসলাম, শেরপুর

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় দুটি ভাঙা সেতু দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন স্থানীয়রা। উপজেলার সদর ইউনিয়নের ঝোড়ার ওপর তৈরি একটি কাঠের সেতু জরাজীর্ণ এবং আরেকটি স্টিলের সেতু মরিচা ধরে ভেঙে পড়ে আছে। দীর্ঘদিনেও সংস্কার না হওয়ায় এ দুটি সেতু দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন স্থানীয়রা। এতে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা। দ্রুত সেতু দুটি সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সদর ইউনিয়নের সাহাতি ঝোড়া (পাহাড়ি পানিপ্রবাহের নালা) নলকুড়া ইউনিয়নের ডাকাবর এলাকা হয়ে ধানশাইল ইউনিয়নের চাপাঝোড়া এলাকায় প্রবেশ করেছে। এ ঝোড়ার ওপর দিয়ে স্থানীয় মোল্লাপাড়ার বাসিন্দাদের চলাচলে প্রায় পাঁচ বছর আগে ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে একটি কাঠের সেতু তৈরি করা হয়। বর্তমানে সেতুটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে।
অপরদিকে চার বছর আগে ঝিনাইগাতী-রাংটিয়া সড়কের ঝোড়ার ওপর ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে একটি স্টিলের সেতু তৈরি করা হয়। কিন্তু নিম্নমানের কাজ করায় মাত্র দুই বছরেই সেতুটির স্টিলে মরিচা ধরে এক পাশ ভেঙে পড়ে যায়। এতে দুর্ভোগে পড়েন ওই পথে চলাচলকারীরা।
সেতু এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ৩০ ফুট দৈর্ঘ্যের কাঠের সেতুটি নড়বড়ে ও জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। নির্মাণ দীর্ঘদিন হওয়ায় সেতুর কাঠের কিছু অংশ পচে নষ্ট হয়ে গেছে। স্থানীয়রা বাঁশের খুঁটি দিয়ে জোড়াতালি দিয়ে কোনোমতে সেতুটি সচল রেখেছেন। ঝুঁকি নিয়ে তাঁরা সেতুতে চলাচল করছেন। এদিকে স্টিলের সেতুর পশ্চিম প্রান্ত ভেঙে ঝোড়ার মধ্যে পড়ে গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. জহুরুল হক বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে কাঠের সেতু ভেঙে পড়ে আছে, কিন্তু কেউ খোঁজ নেয় না। এখন ঝুঁকি নিয়েই ভয়ে সেতু পার হতে হয়।
বেশি ঝুঁকি কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য। জরাজীর্ণ সেতু পার হতে তারা ভয় পায়। এখানে স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানাই।’
আরেক বাসিন্দা মো. আব্দুল কুদ্দুছ বলেন, ‘স্টিলের সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় আমাদের যাতায়াতে খুব সমস্যা হচ্ছে। এখন অনেক রাস্তা ঘুরে যেতে হয়।’
কলেজ শিক্ষার্থী মোছা. আনোয়ারা খাতুন বলেন, ‘ভাঙা কাঠের সেতু দিয়ে যাতায়াতে ভয় হয়। যেকোনো সময় সেতুটি ভেঙে পড়ে যেতে পারে। সেতুটির ওপর দিয়ে হাঁটলে নড়াচড়া করে। এখানে একটি পাকা সেতু করা প্রয়োজন। একই দাবি জানান শিক্ষার্থী মনোয়ারা খাতুন ও মো. সিয়াম।
ঝিনাইগাতী সদর ইউপির স্থানীয় সদস্য মো. জাহিদুল হক মনির বলেন, ‘সেতু দুটি ভাঙা থাকায় ওই এলাকার বাসিন্দারা চলাচলে দুর্ভোগে পড়েছেন। সেতু দুটি দ্রুত সংস্কার বা পুনর্নির্মাণ করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে আমরা সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উপজেলা প্রকৌশলী শুভ বসাক জানান, ওই সড়কের কোনো আইডি নম্বর না থাকায় সেখানে সেতু নির্মাণের জন্য প্রস্তাব পাঠানো যাচ্ছে না। তবে সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফারুক আল মাসুদ বলেন, খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় দুটি ভাঙা সেতু দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন স্থানীয়রা। উপজেলার সদর ইউনিয়নের ঝোড়ার ওপর তৈরি একটি কাঠের সেতু জরাজীর্ণ এবং আরেকটি স্টিলের সেতু মরিচা ধরে ভেঙে পড়ে আছে। দীর্ঘদিনেও সংস্কার না হওয়ায় এ দুটি সেতু দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন স্থানীয়রা। এতে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা। দ্রুত সেতু দুটি সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সদর ইউনিয়নের সাহাতি ঝোড়া (পাহাড়ি পানিপ্রবাহের নালা) নলকুড়া ইউনিয়নের ডাকাবর এলাকা হয়ে ধানশাইল ইউনিয়নের চাপাঝোড়া এলাকায় প্রবেশ করেছে। এ ঝোড়ার ওপর দিয়ে স্থানীয় মোল্লাপাড়ার বাসিন্দাদের চলাচলে প্রায় পাঁচ বছর আগে ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে একটি কাঠের সেতু তৈরি করা হয়। বর্তমানে সেতুটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে।
অপরদিকে চার বছর আগে ঝিনাইগাতী-রাংটিয়া সড়কের ঝোড়ার ওপর ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে একটি স্টিলের সেতু তৈরি করা হয়। কিন্তু নিম্নমানের কাজ করায় মাত্র দুই বছরেই সেতুটির স্টিলে মরিচা ধরে এক পাশ ভেঙে পড়ে যায়। এতে দুর্ভোগে পড়েন ওই পথে চলাচলকারীরা।
সেতু এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ৩০ ফুট দৈর্ঘ্যের কাঠের সেতুটি নড়বড়ে ও জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। নির্মাণ দীর্ঘদিন হওয়ায় সেতুর কাঠের কিছু অংশ পচে নষ্ট হয়ে গেছে। স্থানীয়রা বাঁশের খুঁটি দিয়ে জোড়াতালি দিয়ে কোনোমতে সেতুটি সচল রেখেছেন। ঝুঁকি নিয়ে তাঁরা সেতুতে চলাচল করছেন। এদিকে স্টিলের সেতুর পশ্চিম প্রান্ত ভেঙে ঝোড়ার মধ্যে পড়ে গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. জহুরুল হক বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে কাঠের সেতু ভেঙে পড়ে আছে, কিন্তু কেউ খোঁজ নেয় না। এখন ঝুঁকি নিয়েই ভয়ে সেতু পার হতে হয়।
বেশি ঝুঁকি কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য। জরাজীর্ণ সেতু পার হতে তারা ভয় পায়। এখানে স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানাই।’
আরেক বাসিন্দা মো. আব্দুল কুদ্দুছ বলেন, ‘স্টিলের সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় আমাদের যাতায়াতে খুব সমস্যা হচ্ছে। এখন অনেক রাস্তা ঘুরে যেতে হয়।’
কলেজ শিক্ষার্থী মোছা. আনোয়ারা খাতুন বলেন, ‘ভাঙা কাঠের সেতু দিয়ে যাতায়াতে ভয় হয়। যেকোনো সময় সেতুটি ভেঙে পড়ে যেতে পারে। সেতুটির ওপর দিয়ে হাঁটলে নড়াচড়া করে। এখানে একটি পাকা সেতু করা প্রয়োজন। একই দাবি জানান শিক্ষার্থী মনোয়ারা খাতুন ও মো. সিয়াম।
ঝিনাইগাতী সদর ইউপির স্থানীয় সদস্য মো. জাহিদুল হক মনির বলেন, ‘সেতু দুটি ভাঙা থাকায় ওই এলাকার বাসিন্দারা চলাচলে দুর্ভোগে পড়েছেন। সেতু দুটি দ্রুত সংস্কার বা পুনর্নির্মাণ করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে আমরা সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উপজেলা প্রকৌশলী শুভ বসাক জানান, ওই সড়কের কোনো আইডি নম্বর না থাকায় সেখানে সেতু নির্মাণের জন্য প্রস্তাব পাঠানো যাচ্ছে না। তবে সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফারুক আল মাসুদ বলেন, খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫