চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভায় এক কাউন্সিলর ও তাঁর সঙ্গে নির্বাচনে হেরে যাওয়া প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে দুই দফা সংঘর্ষ হয়েছে। গত বুধবার রাত সাড়ে ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত দুপক্ষের মধ্যে গুলি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় ১১ জন আহত হয়েছে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম ও পরাজিত প্রার্থী রেজাউল করিম সমর্থকদের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। রেজাউল করিম পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর এবং সাইফুল ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা।
আহতরা হলেন রুবেল, সাজ্জাদ হোছাইন, ছাবের, রানা, সাইফুল ইসলাম, বাবু, রাজিব, শাহেদ, মাহিন, ফয়সাল, মিরাজ ও সাইফুল। আহতদের মধ্যে চারজন ছররা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে ২ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি সাজ্জাদ হোছাইন ও সাইফুল ইসলাম রয়েছেন। তাঁদের প্রথমে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য সাজ্জাদকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ও সাইফুলকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সাইফুল ও সাজ্জাদ কাউন্সিলর সাইফুল ইসলামের সমর্থক। আহত সাইফুল ও সাজ্জাদের পরিবারের সদস্যরা এই ঘটনার জন্য রেজাউল করিমের সমর্থকদের দায়ী করেছেন।
সাবেক কাউন্সিলর রেজাউল করিম বলেন, ‘সাজ্জাদ নির্বাচনের পর থেকে আমার কর্মী-সমর্থকদের মারধর ও হুমকি দিয়ে আসছেন। বুধবার রাতেও হুমকি দিলে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও পরে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে ছররা গুলিবিদ্ধসহ আমার পক্ষের ৯ জন আহত হয়।’ হামলায় কাউন্সিলর সাইফুল নেতৃত্ব দেয় বলে তিনি দাবি করেন।
কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম বলেন, সাইফুল ইসলামের চাচা শামসুল আলম বাদী হয়ে সাবেক কাউন্সিলর রেজাউল করিমসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১২-১৩ জনকে অভিযুক্ত করে থানায় একটি এজাহার জমা দিয়েছেন।
চকরিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ জুয়েল ইসলাম বলেন, দুই পক্ষের সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। ওই এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে। এখন পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। শামসুল আলম নামের এক ব্যক্তি থানায় লিখিত এজাহার জমা দিয়েছেন।
গত ২০ সেপ্টেম্বর এই পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ২ নম্বর ওয়ার্ডে সাইফুল ইসলাম বিজয়ী কমিশনার নির্বাচিত হন। তবে হেরে যান সদ্য সাবেক কমিশনার রেজাউল করিম।

কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভায় এক কাউন্সিলর ও তাঁর সঙ্গে নির্বাচনে হেরে যাওয়া প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে দুই দফা সংঘর্ষ হয়েছে। গত বুধবার রাত সাড়ে ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত দুপক্ষের মধ্যে গুলি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় ১১ জন আহত হয়েছে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম ও পরাজিত প্রার্থী রেজাউল করিম সমর্থকদের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। রেজাউল করিম পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর এবং সাইফুল ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা।
আহতরা হলেন রুবেল, সাজ্জাদ হোছাইন, ছাবের, রানা, সাইফুল ইসলাম, বাবু, রাজিব, শাহেদ, মাহিন, ফয়সাল, মিরাজ ও সাইফুল। আহতদের মধ্যে চারজন ছররা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে ২ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি সাজ্জাদ হোছাইন ও সাইফুল ইসলাম রয়েছেন। তাঁদের প্রথমে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য সাজ্জাদকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ও সাইফুলকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সাইফুল ও সাজ্জাদ কাউন্সিলর সাইফুল ইসলামের সমর্থক। আহত সাইফুল ও সাজ্জাদের পরিবারের সদস্যরা এই ঘটনার জন্য রেজাউল করিমের সমর্থকদের দায়ী করেছেন।
সাবেক কাউন্সিলর রেজাউল করিম বলেন, ‘সাজ্জাদ নির্বাচনের পর থেকে আমার কর্মী-সমর্থকদের মারধর ও হুমকি দিয়ে আসছেন। বুধবার রাতেও হুমকি দিলে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও পরে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে ছররা গুলিবিদ্ধসহ আমার পক্ষের ৯ জন আহত হয়।’ হামলায় কাউন্সিলর সাইফুল নেতৃত্ব দেয় বলে তিনি দাবি করেন।
কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম বলেন, সাইফুল ইসলামের চাচা শামসুল আলম বাদী হয়ে সাবেক কাউন্সিলর রেজাউল করিমসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১২-১৩ জনকে অভিযুক্ত করে থানায় একটি এজাহার জমা দিয়েছেন।
চকরিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ জুয়েল ইসলাম বলেন, দুই পক্ষের সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। ওই এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে। এখন পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। শামসুল আলম নামের এক ব্যক্তি থানায় লিখিত এজাহার জমা দিয়েছেন।
গত ২০ সেপ্টেম্বর এই পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ২ নম্বর ওয়ার্ডে সাইফুল ইসলাম বিজয়ী কমিশনার নির্বাচিত হন। তবে হেরে যান সদ্য সাবেক কমিশনার রেজাউল করিম।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫