আবু সাইম, দুবাই থেকে ফিরে

প্রোটিনের ঘাটতি পূরণ এবং পশুখাদ্য তৈরিতে দেশে সয়াবিনের প্রচুর চাহিদা রয়েছে, যার প্রায় ৯০ ভাগই পূরণ হয় আমদানির মাধ্যমে। তাই বাংলাদেশকে সয়াবিনের বড় ও সম্ভাবনাময় রপ্তানি বাজার হিসেবে দেখছে যুক্তরাষ্ট্র।
বাংলাদেশে সয়াবিনের বাজার সম্ভাবনার বিষয়টি উঠে আসে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ইউএস সয়াবিন এক্সপোর্ট কাউন্সিলের (ইউএসএসইসি) ‘সাসটেইনা সামিটে’। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের পাম জুমেইরার একটি পাঁচ তারকা হোটেলে সম্প্রতি এ সামিট অনুষ্ঠিত হয়। এশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের খাদ্য ও কৃষি খাতের বিশেষজ্ঞ, ব্যবসায়ী, আমদানি, রপ্তানিকারকসহ শতাধিক অতিথি সামিটে অংশ নেন।
ইউএসএসইসির পরিসংখ্যান বলছে, দিনে দিনে সয়াবিনের চাহিদা বাড়ছে। প্রধান দুটি প্রোটিনের উৎস ডিম ও মাংস উৎপাদনে সয়াবিন একটি অপরিহার্য উপাদান। আমেরিকা, ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সয়াবিনের প্রধান রপ্তানিকারক। এর মধ্যে আমেরিকা সয়াবিন উৎপাদনে সবুজ প্রযুক্তি ব্যবহার করে। ২০২২ সালে দেশটি ৭ কোটি ১৭ লাখ টন সয়াবিন রপ্তানি করেছে। সয়াবিন আমদানিকারকদের মধ্যে বাংলাদেশ ১৩তম।
বাংলাদেশে ভোজ্য তেল উৎপাদন, পোলট্রি ও প্রাণিসম্পদ খাতে বছরে প্রায় ২৫ লাখ টন সয়াবিনের চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে দেশে ১০ শতাংশের মতো উৎপন্ন হয়, বাকিটা বাইরে থেকে আমদানি করতে হয়। বাংলাদেশে মোট আমদানির প্রায় এক-তৃতীয়াংশই আসে আমেরিকা থেকে।
ইউএসএসইসির দক্ষিণ এশিয়া ও আফ্রিকা অঞ্চলের পরিচালক কেভিন রোপেক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণের ওপর জোর দিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সয়াবিন খাদ্যের মান বাড়াতে সহায়ক হবে। তা ছাড়া তিনি কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পেও গুরুত্ব দিয়েছেন। বাংলাদেশে সয়াবিনকেন্দ্রিক শিল্প প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। তাই আমরা দেশটিকে সম্ভাবনাময় বাজার হিসেবেই দেখছি।’
ইউএসএসইসির বাংলাদেশের টিম লিডার খবিবুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশে আমদানি করা সয়াবিনের প্রায় ৩৭ শতাংশ পূরণ হয় ইউএস সয়াবিন থেকে। আমরা এ বাজারে অংশীদারত্ব চলতি বছর আরও আড়াই শতাংশ বাড়াতে চাই। ইউএস সয়াবিন অন্য দেশের সয়াবিন থেকে পুষ্টিগুণে ভালো। এ সয়াবিন উৎপাদনে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তিকে প্রাধান্য দেওয়া হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের পূর্বাভাস বলছে, চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশে সয়াবিনের চাহিদা বেড়ে ২৮ লাখ টনে উন্নীত হবে, যা আগের বছরের চেয়ে ৭ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশ নিয়ে ইউএসএসইসির পরিসংখ্যান বলছে, দেশের মোট চাহিদার মধ্যে দেড় লাখ টন দেশে উৎপাদিত হয়। বাকিটা আমদানি করা হয়। মূলত সয়াবিন সিড ও সয়ামিল হিসেবেই এটি আমদানি হয়। গত বছর সয়াবিন সিড আমদানি হয়েছে ২২ লাখ টন এবং সয়ামিল আমদানি হয়েছে ৬ লাখ ৭৭ হাজার টন। সয়াবিনে যুক্তরাষ্ট্রের বড় অংশ থাকলেও সয়ামিলে তা ১ শতাংশের নিচে।
সামিটে অংশ নেওয়া বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক পরিচালক ও গ্রিনটেক ফাউন্ডেশনের পরামর্শক খন্দকার মোর্শেদ মিল্লাত বলেন, কৃষিতে সবুজ প্রযুক্তি ব্যবহারে সরকার নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। কৃষিতে টেকসই ব্যবস্থা আনতে গঠিত সবুজ তহবিল বা গ্রিন ফান্ড থেকে সরকার ৩ থেকে ৫ শতাংশ হারে ঋণও দিচ্ছে। কিন্তু প্রচারের অভাবে তা মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে না। এ ঋণে দেশেও সয়াবিনের চাষ সম্প্রসারণ করা যেতে পারে।

প্রোটিনের ঘাটতি পূরণ এবং পশুখাদ্য তৈরিতে দেশে সয়াবিনের প্রচুর চাহিদা রয়েছে, যার প্রায় ৯০ ভাগই পূরণ হয় আমদানির মাধ্যমে। তাই বাংলাদেশকে সয়াবিনের বড় ও সম্ভাবনাময় রপ্তানি বাজার হিসেবে দেখছে যুক্তরাষ্ট্র।
বাংলাদেশে সয়াবিনের বাজার সম্ভাবনার বিষয়টি উঠে আসে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ইউএস সয়াবিন এক্সপোর্ট কাউন্সিলের (ইউএসএসইসি) ‘সাসটেইনা সামিটে’। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের পাম জুমেইরার একটি পাঁচ তারকা হোটেলে সম্প্রতি এ সামিট অনুষ্ঠিত হয়। এশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের খাদ্য ও কৃষি খাতের বিশেষজ্ঞ, ব্যবসায়ী, আমদানি, রপ্তানিকারকসহ শতাধিক অতিথি সামিটে অংশ নেন।
ইউএসএসইসির পরিসংখ্যান বলছে, দিনে দিনে সয়াবিনের চাহিদা বাড়ছে। প্রধান দুটি প্রোটিনের উৎস ডিম ও মাংস উৎপাদনে সয়াবিন একটি অপরিহার্য উপাদান। আমেরিকা, ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সয়াবিনের প্রধান রপ্তানিকারক। এর মধ্যে আমেরিকা সয়াবিন উৎপাদনে সবুজ প্রযুক্তি ব্যবহার করে। ২০২২ সালে দেশটি ৭ কোটি ১৭ লাখ টন সয়াবিন রপ্তানি করেছে। সয়াবিন আমদানিকারকদের মধ্যে বাংলাদেশ ১৩তম।
বাংলাদেশে ভোজ্য তেল উৎপাদন, পোলট্রি ও প্রাণিসম্পদ খাতে বছরে প্রায় ২৫ লাখ টন সয়াবিনের চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে দেশে ১০ শতাংশের মতো উৎপন্ন হয়, বাকিটা বাইরে থেকে আমদানি করতে হয়। বাংলাদেশে মোট আমদানির প্রায় এক-তৃতীয়াংশই আসে আমেরিকা থেকে।
ইউএসএসইসির দক্ষিণ এশিয়া ও আফ্রিকা অঞ্চলের পরিচালক কেভিন রোপেক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণের ওপর জোর দিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সয়াবিন খাদ্যের মান বাড়াতে সহায়ক হবে। তা ছাড়া তিনি কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পেও গুরুত্ব দিয়েছেন। বাংলাদেশে সয়াবিনকেন্দ্রিক শিল্প প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। তাই আমরা দেশটিকে সম্ভাবনাময় বাজার হিসেবেই দেখছি।’
ইউএসএসইসির বাংলাদেশের টিম লিডার খবিবুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশে আমদানি করা সয়াবিনের প্রায় ৩৭ শতাংশ পূরণ হয় ইউএস সয়াবিন থেকে। আমরা এ বাজারে অংশীদারত্ব চলতি বছর আরও আড়াই শতাংশ বাড়াতে চাই। ইউএস সয়াবিন অন্য দেশের সয়াবিন থেকে পুষ্টিগুণে ভালো। এ সয়াবিন উৎপাদনে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তিকে প্রাধান্য দেওয়া হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের পূর্বাভাস বলছে, চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশে সয়াবিনের চাহিদা বেড়ে ২৮ লাখ টনে উন্নীত হবে, যা আগের বছরের চেয়ে ৭ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশ নিয়ে ইউএসএসইসির পরিসংখ্যান বলছে, দেশের মোট চাহিদার মধ্যে দেড় লাখ টন দেশে উৎপাদিত হয়। বাকিটা আমদানি করা হয়। মূলত সয়াবিন সিড ও সয়ামিল হিসেবেই এটি আমদানি হয়। গত বছর সয়াবিন সিড আমদানি হয়েছে ২২ লাখ টন এবং সয়ামিল আমদানি হয়েছে ৬ লাখ ৭৭ হাজার টন। সয়াবিনে যুক্তরাষ্ট্রের বড় অংশ থাকলেও সয়ামিলে তা ১ শতাংশের নিচে।
সামিটে অংশ নেওয়া বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক পরিচালক ও গ্রিনটেক ফাউন্ডেশনের পরামর্শক খন্দকার মোর্শেদ মিল্লাত বলেন, কৃষিতে সবুজ প্রযুক্তি ব্যবহারে সরকার নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। কৃষিতে টেকসই ব্যবস্থা আনতে গঠিত সবুজ তহবিল বা গ্রিন ফান্ড থেকে সরকার ৩ থেকে ৫ শতাংশ হারে ঋণও দিচ্ছে। কিন্তু প্রচারের অভাবে তা মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে না। এ ঋণে দেশেও সয়াবিনের চাষ সম্প্রসারণ করা যেতে পারে।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫