সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা চূড়ান্ত

সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ‘সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড’ সামুদ্রিক সংরক্ষিত এলাকার সমন্বিত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে সরকার। এই পরিকল্পনার মাধ্যমে ডলফিন, তিমি, হাঙর, শাপলাপাতা মাছ (স্টিং রে) ও সামুদ্রিক কাছিমসহ বিপন্ন সামুদ্রিক প্রাণী এবং এদের বাসস্থান রক্ষা করা হবে। এ লক্ষ্যে সমুদ্রে সংরক্ষিত এলাকা বাড়িয়ে বর্তমানের ছয় গুণ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
আজ বুধবার ‘সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড মেরিন প্রোটেক্টেড এরিয়া’-এর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে ভার্চুয়াল সভায় এসব কথা বলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

উপদেষ্টা বলেন, এই পরিকল্পনা টেকসই মৎস্য আহরণ, উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবিকা রক্ষা এবং সুনীল অর্থনীতির বিকাশে সহায়ক হবে। পরিকল্পনায় মৎস্য আহরণ, জাহাজ চলাচল, দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং পর্যটন নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
উপদেষ্টা বলেন, পরিকল্পনায় তিনটি এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে। এলাকাগুলো হলো—মাছের প্রজনন ও পোনা লালন-পালনের এলাকা, সামুদ্রিক প্রাণী সংরক্ষণ এলাকা এবং টেকসই মৎস্য আহরণ এলাকা। সংরক্ষিত এলাকার পরিধি ১ হাজার ৭৩৮ বর্গকিলোমিটার থেকে বাড়িয়ে ৬ হাজার ৮৬৬ বর্গকিলোমিটার করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
সভায় অন্যদের মধ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, অতিরিক্ত সচিব তপন কুমার বিশ্বাস, যুগ্ম সচিব (বন) শামিমা বেগম এবং উপপ্রধান বন সংরক্ষক ও সুফল প্রকল্পের পরিচালক গোবিন্দ রায় প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় প্রণীত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন ওয়ার্ল্ড কনজারভেশন সোসাইটির সিনিয়র অ্যাডভাইজার ড. সৈয়দ আরিফ আজাদ।
সভায় জানানো হয়, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে এই উদ্যোগ বিভিন্ন সংস্থা ও উপকূলীয় জনগণের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত হবে। এটি সামুদ্রিক সম্পদের সুষম ব্যবহার ও পরিবেশের ভারসাম্য নিশ্চিত করবে বলে জানানো হয়।

উল্লেখ্য, সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড হচ্ছে বাংলাদেশের জলসীমায় ১৪ বর্গকিলোমিটারব্যাপী বঙ্গোপসাগরের গভীর একটি খাদ। এটি সুন্দরবনের দুবলার চর থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। গভীরতম এই খাদের রেকর্ডকৃত আয়তন প্রায় ১ হাজার ৩৪০ বর্গমিটার এবং গড় গভীরতা প্রায় ১ হাজার ২০০ মিটার। এখানকার ডুবো গিরিখাত বঙ্গীয় উপবদ্বীপের অংশ, যা বিশ্বের বৃহত্তম ডুবো গিরিখাত।
এই অঞ্চলে বিভিন্ন প্রজাতির তিমি, সামুদ্রিক কচ্ছপ, মাছ এবং সামুদ্রিক পাখি রয়েছে। অতীতের গবেষণার তথ্য অনু্যায়ী, এখানে প্রধানত বিভিন্ন প্রজাতির তিমি, মূল প্রজাতির মধ্যে রয়েছে—ব্রাইডস তিমি, স্পিনার ডলফিন, ইন্দো–প্যাসিফিক বোতলনাক ডলফিন, ইন্দো–প্যাসিফিক হাম্পব্যাক ডলফিন, প্যানট্রপিকাল স্পটেড ডলফিন, ইরাবতী ডলফিন, ইন্দো–প্যাসিফিক ফিনলেস পোরপোইস দেখতে পাওয়া যায়।
এ ছাড়া তিমি হাঙর, মুগুরমাথা হাঙর, টুনা, গ্রুপার, হকসবিল কচ্ছপ, অলিভ রিডলি কচ্ছপ, মাস্কড বুবিস, গ্রেট ব্ল্যাক–ব্যাকড গল (পাখি), ক্রেস্টেড টার্নস, সাঁতার কাটা কাঁকড়া ইত্যাদির মতো প্রাণী রয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে বয়ে যাওয়া রেকর্ড গড়া প্রাণঘাতী তাপপ্রবাহ তাপমাত্রাকে বিপজ্জনক উচ্চতায় ঠেলে দিয়েছে। এতে ২০০ কোটি মানুষের দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত হচ্ছে এবং বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চলগুলোর পরিবেশগত ভঙ্গুরতা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
জলবায়ু কর্মীরা বলেন, চলমান বৈশ্বিক যুদ্ধ ও ভূরাজনৈতিক সংকটের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে, যার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানিই হতে পারে টেকসই সমাধান।
৯ ঘণ্টা আগে
গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানী ঢাকা ও এর আশপাশের অঞ্চলে একেবারেই বৃষ্টি হয়নি। যার প্রভাব আজ শুক্রবার সারা দিন পড়তে পারে। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ দিনের তাপমাত্রা বাড়তে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের সকাল ৭টার এই পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকার আকাশ দুপুর ১টা...
১২ ঘণ্টা আগে
রিয়েল-টাইম একিউআই স্টেশন র্যাংকিংয়ে দেখা যায়, ঢাকার কিছু জায়গায় দূষণের মাত্রা সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর থেকে খুব অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় আছে। এর মধ্যে আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস) এলাকার বাতাস সবচেয়ে দূষিত অবস্থায় আছে। এলাকাটির আইকিউএয়ার স্কোর ২১৩, যা খুব অস্বাস্থ্যকর বাতাসের
১ দিন আগে