
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এই ভূমিকম্প হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এর উৎপত্তিস্থল ময়মনসিংহের ভালুকা।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রুবাইয়াৎ কবীর জানান, আজ বেলা ১১টা ৪১ মিনিটে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৪।
রুবাইয়াৎ কবীর বলেন, ‘এটি স্বল্পমাত্রার ভূমিকম্প। এতে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই।’
বিশেষজ্ঞদের অভিমত, বাংলাদেশ ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে আছে। কারণ, ভূমিকম্পপ্রবণ তিনটি প্লেটের সংযোগস্থলে বাংলাদেশের অবস্থান। তাই দেশে মাঝেমধ্যে ভূমিকম্প হবে, সেটাকে স্বাভাবিক বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তবে চিন্তার বিষয় হলো, সম্প্রতি দেশে ভূমিকম্পের উৎপত্তির প্রবণতা বেড়েছে। বিশেষ করে ভূমিকম্পের কম ঝুঁকির অঞ্চল হিসেবে পরিচিত দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ভূমিকম্প বেড়ে গেছে।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গত কয়েক দিন ধরে কম, মাঝারি বা ভারী ধরনের বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এই প্রবণতা এখনো বিদ্যমান রয়েছে। আজ শুক্রবারের আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় আজ অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা
৩ ঘণ্টা আগে
শ্রাবণের দ্বিতীয় দিনের গতকাল বৃহস্পতিবার সারা দেশে বৃষ্টি কিছুটা কম হয়েছে। সবচেয়ে বেশি হয়েছে সিলেটে ৩৫ মিলিমিটার। তবে আজ শুক্রবার সকাল থেকেই রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বেশির ভাগ অঞ্চলে আকাশ রয়েছে মেঘাচ্ছন্ন। আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, মৌসুমি বায়ু আর বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি শক্তিশালী হয়ে ওঠায়...
১৩ ঘণ্টা আগে
উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর ওডিশা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এটি ঘনীভূত হতে পারে। এ ছাড়া মৌসুমি বায়ুর বর্ধিতাংশের অক্ষ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
২ দিন আগে
উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর ওডিশা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে দেশের সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যতে পারে।
২ দিন আগে