জেলের মাছ ধরার জালে ধরা পড়া একটি বিষধর পদ্ম গোখরা সাপ উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। আজ সোমবার দুপুরে সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র এলাকায় এই সাপটিকে অবমুক্ত করেছে বন বিভাগ।
পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের করমজল পর্যটন ও বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজাদ কবির জানান, বাগেরহাটের গোটাপাড়া ইউনিয়নের গোটাপাড়া গ্রামের এক জেলে রোববার বিকেলে খেপলা জাল দিয়ে খালে মাছ ধরছিলেন। তখন ওই জেলের জালে একটি পদ্ম গোখরা/খৈয়া গোখরা সাপ প্রজাতির বিষধর সাপ ধরা পড়ে। পরে ওই জেলের জালে আটকে পড়া সাপটি গোটাপাড়া ইউনিয়নের দফাদার সেখান থেকে সেটিকে উদ্ধার করে বন বিভাগের বাগেরহাট বিভাগীয় দপ্তরে (পূর্ব সুন্দরবন বিভাগ সদর দপ্তর) দিয়ে আসেন। এরপর বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেনের দেওয়া খবরে করমজল পর্যটন ও বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রে কর্মকর্তা আজাদ কবির আজ সোমবার সাপটি নিয়ে দুপুরেই করমজলের বনের অভ্যন্তরে অবমুক্ত করা হয়।
আজাদ কবির বলেন, ‘সাপটি বিষধর প্রজাতির পদ্ম গোখরা। এর আরেক নাম হলো খৈয়া গোখরা। এ সাপটি লম্বা ৫ ফুট বলেও জানান তিনি।’
আজাদ কবির আরও বলেন, ‘কোন প্রাণীই অযথা কাউকে আক্রমণ করে না, যদি কেউ সেটিকে আঘাত কিংবা তার আবাসে হানা না দেয়। সাপ হলেও এ প্রাণী পরিবেশের ইকোসিস্টেমেরই অংশ। তাই ইকোসিস্টেম ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সাপসহ কোন প্রাণীই না মেরে আমাদেরকে খবর দিলে আমরা তা উদ্ধার করে তার প্রকৃত পরিবেশে ফিরিয়ে দিতে সক্ষম হব। তাই সুন্দরবনের আশপাশের মানুষের কাছে আমাদের দাবি থাকবে কেউ কোথাও কোন বন্যপ্রাণী কিংবা বিলুপ্ত প্রজাতির কোন প্রাণীর সন্ধান পেলে না মেরে আমাদেরকে জানাবেন। তাতে আমাদের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সহায়ক হবে।’

রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
১ ঘণ্টা আগে
গাজীপুরের সাফারি পার্ক থেকে দুটি রিং-টেইলড লেমুর চুরির ঘটনায় তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। তিনি বলেছেন, লেমুর দুটি কীভাবে বাংলাদেশে এসেছে, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় যাঁরা দায়ী থাকবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১৫ ঘণ্টা আগে
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চল থেকে বিদায় নিয়েছে এবং আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে (আজ শুক্রবার) বাংলাদেশের অন্যান্য অঞ্চল থেকে বিদায় নিতে পারে।
১ দিন আগে
বিশ্বজুড়ে জলবায়ুগত অবস্থা এল নিনো আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে এবং আগামী ডিসেম্বরে এটি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে বলে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। গত ৭৬ বছরের ইতিহাসে এটি সবচেয়ে শক্তিশালী এল নিনো হতে পারে। সংস্থাটি সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, ১৯৫০ সালের পর থেকে এ পর্যন্ত রেকর্ড করা সবচেয়ে শক্তিশালী এল নিনোগুলোর....
২ দিন আগে