
সাপ্তাহিক ছুটির দিনে গতকাল শুক্রবার বিকেলে বয়ে যায় কালবৈশাখী, সঙ্গে বজ্রবৃষ্টি। ঘরে বসে ঝড়-বৃষ্টির এই সময়টুকু ছিল বেশ উপভোগ্য। কিন্তু রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে রাজপথে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা, দেখা দেয় দুর্ভোগ। আজ শনিবারও সারা দেশের আবহাওয়ার তেমন পরিবর্তন হবে না।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গতকাল সকাল ৬টা থেকে আজ শনিবার সকাল পর্যন্ত রাজধানীতে বৃষ্টির পরিমাণ ৪৩ মিলিমিটার। আর শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বৃষ্টি সবচেয়ে বেশি হয়েছে ফেনী জেলায় ১০৩ মিলিমিটার। এ ছাড়া রংপুর ও বরিশাল ছাড়া সব বিভাগেই ভারী বৃষ্টি হয়েছে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় আজ অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।
ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি কালবৈশাখীর আভাস দিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, ঢাকা, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে আজ দুপুরের মধ্যে পূর্ব অথবা দক্ষিণ পূর্ব দিক থেকে ঝোড়ো অথবা দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ সময় বাতাসের গতিবেগ হতে পারে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার। এসব অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে হবে।
এদিকে আজ সকাল থেকে ঢাকা ও এর আশপাশের অঞ্চলের আকাশ রয়েছে মেঘাচ্ছন্ন। আবহাওয়ার সকাল ৭টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বেলা ১টা পর্যন্ত ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। এর সঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
আজ সকাল ৬টায় রাজধানী ঢাকায় তাপমাত্রা ছিল ২৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ছাড়া আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত ৬টা ৪৭ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ৫টা ১১ মিনিটে।

দিনভর রোদের ভ্যাপসা গরমের পর বিকেলে আচমকা ঝুম বৃষ্টি কিছুক্ষণের মধ্যেই অনেকটা অস্বস্তিতে রূপ নেয়। প্রায় ঘণ্টাখানেকের টানা বর্ষণে দুর্ভোগ দেখা দেয় খোলা আকাশের নিচে কর্মব্যস্ততায় ছুটে চলা মানুষের। আর সেই বৃষ্টিতে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক ও অলিগলিতে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েন নগরবাসী...
১৩ ঘণ্টা আগে
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গতকাল বৃহস্পতিবার বরিশাল ছাড়া বাকি ৭ বিভাগেই বৃষ্টি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ৭২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে খুলনায়। এদিন ঢাকায় ৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হলেও পাশের জেলায় টাঙ্গাইলে যার পরিমাণ ছিল ৩৭ মিলিমিটার। এ ছাড়া কুড়িগ্রামের রাজারহাটে বৃষ্টি হয়েছে ৪৮ মিলিমিটার।
১ দিন আগে
বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তসংলগ্ন উত্তর-পূর্বাঞ্চলে একটি মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৫। আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৪০ মিনিটে এই কম্পন অনুভূত হয়।
২ দিন আগে
শুরু হয়ে গেছে এল নিনো। জলবায়ুজনিত এই ঘটনা এবার এমন পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে, যাকে বিজ্ঞানীরা বলছেন ‘সুপার এল নিনো’। ফলে বিশ্বজুড়ে আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতিতে আমূল পরিবর্তন ঘটতে পারে। গরমের তীব্রতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বন্যা, খরা, ঝড়-বৃষ্টির প্রবণতা যেতে পারে বেড়ে।
২ দিন আগে