মাঘের বিদায় বেলায় শীতের কাঁপন আর নেই বললেই চলে। সকালে হালকা শীতের আমেজ। দুপুরে হতে না হতেই নীলাকাশ থেকে পড়ছে সূর্যের তপ্ত রোদ। সড়কে-মহাসড়কে, মাঠে-ঘাটে, পথে-প্রান্তরে বাতাসের সঙ্গে উড়ছে ধুলো। গাছ থেকে ঝরছে শুকনো পাতা। সব মিলিয়ে বসন্ত বরণের প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছে প্রকৃতি।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ৫ দিন দেশে তাপমাত্রা কমবে না, বরং ক্রমান্বয়ে বাড়বে। আর বৃষ্টি তো হবেই না।
জ রোববার সকাল ৯টায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ রোববার সকাল ৯টা থেকে সারা দেশে শুষ্ক আবহাওয়া থাকতে পারে। ভোরের দিকে দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও পড়তে পারে হালকা কুয়াশা। রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। ৯ ফেব্রুয়ারি আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। ভোরের দিকে নদী অববাহিকার কিছু এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। এ দিন রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আরও জানানো হয়েছে, আগামী ১০ থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। ফলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে শীতের তীব্রতা আরও কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে আজ সকাল ৯টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল মৌলভীবাজারে শ্রীমঙ্গলে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজধানী ঢাকায় এ সময় তাপমাত্রা ছিল ১৭, বিভাগীয় শহর রাজশাহীতে ১০ দশমিক ৮, রংপুরে ১২ দশমিক ৩, ময়মনসিংহে ১৩ দশমিক ৭, সিলেটে ১১ দশমিক ৯, চট্টগ্রামে ১৬ দশমিক ৪, খুলনায় ১২ দশমিক ৫ এবং বরিশালে ১১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ-উত্তর ওডিশা উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপ আকারে একই এলাকায় অবস্থান করছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
আগামীকাল সোমবারের (৩১ আগস্ট) পূর্বাভাসে বলা হয়, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বাতাসসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
১ দিন আগে
সকাল থেকেই ঢাকায় দেখা মিলেছে মিষ্টি রোদের। তবে আবহাওয়া অধিদপ্তর পূর্বাভাসে বলছে, আজ বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে কিন্তু এতে দিনের তাপমাত্রায় তেমন পরিবর্তন হবে না।
২ দিন আগে
লঘুচাপের কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে হবে। সমুদ্রের আবহাওয়া প্রতিকূল থাকার সম্ভাবনা থাকায় উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব ধরনের মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি অবস্থান করতে বলা হয়েছে।
৩ দিন আগে