
ঢাকার ফিলিং স্টেশনগুলোয় জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে গিয়ে প্রায় দুই মাস ধরে দীর্ঘ সারি ও অপেক্ষার চিত্রই বারবার সামনে এসেছে। হয়েছে সংবাদ শিরোনাম। তবে আজ সোমবার ঢাকার বিভিন্ন পেট্রলপাম্পে গিয়ে তাৎক্ষণিক তেল সংগ্রহ করতে পেরেছেন মোটরসাইকেলচালকেরা। তবে কিছু কিছু পাম্পে ১০ মিনিট থেকে সর্বোচ্চ আধা ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছে।
বিকেল ৪টার দিকে শাহবাগে মেঘনা মডেল পাম্পে গিয়ে দেখা যায়, পাম্পের সামনে ১০ থেকে ১৫টি মোটরসাইকেল অপেক্ষমাণ। ভেতরে রয়েছে আরও কয়েকটি। ১৫-২০ মিনিটের অপেক্ষায় এখানে তেল মিলেছে। তিন দিন আগেও এই পাম্পে অপেক্ষমাণ মোটরসাইকেলের সারির শেষ মাথা চলে গিয়েছিল বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল পার হয়ে আজিজ সুপার মার্কেটে।
এদিকে তেলের লাইনে বাড়তি চাপ কমে আসায় যে কেউ চাইলে পাম্প থেকে চাহিদামতো তেল নিতে পারছেন। দুপুরে ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, তেলের জন্য ৮০টির মতো মোটরসাইকেল অপেক্ষায় আছে। এসব মোটরসাইকেলে তেল নিতে সর্বোচ্চ ৩০ মিনিট সময় লেগেছে। প্রায় একই সময় রমনা পাম্পে ৫০টির মতো মোটরসাইকেলের সারি ছিল। এই পাম্পে ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করেই মোটরসাইকেলের তেল পাওয়া গেছে।
সন্ধ্যা ৬টার দিকে তেজগাঁও সাতরাস্তার সিটি ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক মিলন জানান, তাঁর পাম্পে কোনো মোটরসাইকেল অপেক্ষায় নেই। ফলে যে কেউ ট্যাংক ভরে তেল নিতে পারছেন।
গত মার্চের শুরু থেকেই ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে জ্বালানি তেল ব্যবস্থাপনায় বিশৃঙ্খলা শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার বেশ কিছু উদ্যোগ নিলেও তাতে ফল দেয়নি। সবশেষ তেলের দাম বাড়ানো এবং কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণে ফুয়েল পাস চালুর পর ঢাকায় শৃঙ্খলা ফিরতে শুরু করে। তবে জেলা শহর ও গ্রামাঞ্চলে এখনো তেলের জন্য যানবাহনগুলোকে অপেক্ষা করতে হচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

একসময় স্বস্তি ও নিরাপদ যাত্রার অন্যতম মাধ্যম ছিল ট্রেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই ট্রেনযাত্রাই এখন পরিণত হয়েছে ভোগান্তি আর মৃত্যুঝুঁকির যাত্রায়। লাইনচ্যুত হওয়া, ইঞ্জিনে আগুন লাগা কিংবা ইঞ্জিন বিকল হয়ে মাঝপথে ট্রেন আটকে পড়া—নিত্যদিনের এসব ঘটনায় আতঙ্ক বাড়ছে যাত্রীদের।
৬ ঘণ্টা আগে
বরগুনার আমতলী পৌরসভার কেন্দ্রীয় লেকের সৌন্দর্যবর্ধনের প্রকল্পের কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। লেকের মধ্যে নির্মাণাধীন ওয়াকওয়েতে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ও ত্রুটিপূর্ণ কাজের কারণে গতকাল রোববার অবকাঠামো ধসে পড়ে।
৬ ঘণ্টা আগে
দ্বীপ জেলা ভোলায় বিদ্যুতের ঘন ঘন আসা-যাওয়ায় (লোডশেডিং) অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন গ্রাহকেরা। বিদ্যুতের আবাসিক সংযোগের গ্রাহকেরা শুধু নন, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন শিল্পকারখানার মালিকেরাও। বিদ্যুৎ না থাকায় বিভিন্ন কারখানায় উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে
যশোরের মনিরামপুরে সরকারি অর্থে দুটি খাল পুনঃখননের পর তীরে বৃক্ষরোপণ প্রকল্পে নিম্নমানের চারা লাগিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন (পিআইও) দপ্তরের বিরুদ্ধে।
৭ ঘণ্টা আগে