
প্রায়শই দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় শীর্ষে উঠে আসা ঢাকার বাতাসে বর্ষার শুরু থেকে দূষণ তুলনামূলক কমই থাকছে। বর্ষাজুড়ে বেশির ভাগ দিনই ঢাকার বাতাস ছিল সহনীয় পর্যায়ে, মাঝে মাঝে বিশুদ্ধও ছিল ঢাকার বাতাস। তবে, গতকাল ঢাকার বাতাস বেশ দূষিত ছিল। এক দিনের ব্যবধানে আজ শুক্রবার তা আবার কিছুটা কমে এসেছে।
বায়ুমান নিয়ে কাজ করা সুইস প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের আজ শুক্রবার সকাল ৮টা ১৫ মিনিটের রেকর্ড অনুযায়ী ঢাকার বায়ুমান ৭৮, যা সহনীয় পর্যায়ের বাতাসের নির্দেশক। আজ দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ১৯তম। গতকাল বৃহস্পতিবার ১১০ বায়ুমান নিয়ে অষ্টম স্থানে ছিল ঢাকা, যা সংবেদনশীল স্বাস্থ্যের মানুষের জন্য অস্বাস্থ্যকর বাতাসের নির্দেশক।
আজ বায়ুদূষণের তালিকায় শীর্ষে আছে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর কিনশাসা। গত দুই মাস ধরে বেশির ভাগ দিনই দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় শীর্ষে থাকছে শহরটি। শহরটির বায়ুমান আজ ১৭৪, যা সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর বাতাসের নির্দেশক। শীর্ষ পাঁচে থাকা অন্য শহরগুলো হলো—সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই, উগান্ডার কাম্পালা, ভারতের দিল্লি ও কাতারের দোহা। শহরগুলোর বায়ুমান যথাক্রমে ১৬৬, ১৪৯, ১২২ ও ১১১।
বাতাসের গুণমান সূচকের (একিউআই) মাধ্যমে দূষণের মাত্রা নির্ধারণ করে নিয়মিত বায়ু পরিস্থিতি তুলে ধরে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউ-এয়ার। তাদের তালিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকার বাতাসে অতিক্ষুদ্র বস্তুকণাই দূষণের প্রধান উৎস। বেশি মাত্রার দূষণ শ্বাসতন্ত্রের রোগ, হৃদরোগ এবং দীর্ঘ মেয়াদে ক্যানসারের মতো মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী, বায়ুমান সূচক ৫০-এর নিচে থাকলে বিশুদ্ধ বাতাস ধরা হয়। ৫১-১০০ হলে তা সহনীয়। ১০১-১৫০ এর মধ্যে হলে সতর্কতামূলক বা সংবেদনশীল মানুষের (শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তি) জন্য অস্বাস্থ্যকর। ১৫১-২০০ হলে সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং সূচক ২০১ থেকে ৩০০ হলে বাতাসকে খুব অস্বাস্থ্যকর বলা হয়। আর সূচক ৩০০ ছাড়ালে সেই বাতাস দুর্যোগপূর্ণ।
বায়ুদূষণজনিত স্বাস্থ্য সমস্যায় প্রতি বছর বহু মানুষ মারা যায়। জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে বায়ুদূষণ প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী ৫২ লাখ মানুষের মৃত্যুর কারণ বলে ২০২৩ সালের নভেম্বরে ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে (বিএমজে) প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় তুলে ধরা হয়।
এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, গৃহস্থালি ও পারিপার্শ্বিক বায়ুদূষণের সম্মিলিত প্রভাবে বছরে ৬৭ লাখ মানুষ মারা যায়।
দীর্ঘদিন ঢাকার বাতাস অতিমাত্রায় দূষিত হওয়ায় বাইরে বের হলে সবাইকে মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া সংবেদনশীল ব্যক্তিদের অতি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার অনুরোধও করা হয়েছে।
পাশাপাশি ইটভাটা, শিল্পকারখানার মালিক এবং সাধারণ মানুষকে কঠিন বর্জ্য পোড়ানো বন্ধ রাখা, নির্মাণস্থলে ছাউনি ও বেষ্টনী স্থাপন করা, নির্মাণসামগ্রী ঢেকে রাখা, নির্মাণসামগ্রী পরিবহনের সময় ট্রাক বা লরি ঢেকে নেওয়া, নির্মাণস্থলের আশপাশে দিনে অন্তত দুবার পানি ছিটানো এবং পুরোনো ও ধোঁয়া তৈরি করা যানবাহন রাস্তায় বের না করতে বলা হয়েছে।

কয়েক দিনের অস্বস্তিদায়ক ভ্যাপসা গরমের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এতে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে জনজীবনে। রাজধানীসহ অনেক এলাকায় আজ রোববার বিকেল থেকেই দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হচ্ছে, ফলে অনেকাংশে কমেছে তাপমাত্রা। সেই সঙ্গে তৈরি হয়েছে কালবৈশাখী ঝড়ের আশঙ্কা...
১০ ঘণ্টা আগে
টানা কয়েক দিনের তীব্র খরতাপের পর স্বস্তির সংবাদ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ রোববার ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে তারা। একই সঙ্গে পরবর্তী চার দিন দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির প্রবণতা বজায় থাকবে বলে জানিয়েছে তারা।
১৪ ঘণ্টা আগে
কর্কট ক্রান্তি বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ঢাকা, যশোর, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, রাজবাড়ী ও পাবনা অঞ্চলের ওপর দিয়ে পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত। প্রতিবছরের এই সময় (এপ্রিল-মে) মাসে উত্তর গোলার্ধের এই অঞ্চলে সূর্য কিরণ বেশ কাছ থেকে এসে পড়ে। এর উত্তাপও বেশি থাকে। ফলে এসব অঞ্চলে তাপপ্রবাহ বয়ে যায়।
২ দিন আগে
সারা দেশে না হলেও বিভিন্ন স্থানে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তবে প্রচণ্ড গরমে হাঁসফাঁস জনজীবন। এই অবস্থায় আগামী পাঁচ দিনের জন্য পূর্বাভাসে কিছুটা স্বস্তির খবর দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আগামীকাল শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত তাপমাত্রা খুব একটা না কমলেও কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে।
২ দিন আগে