বিনোদন প্রতিবেদক

চার দশক আগে বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচার হতো আলেখ্য অনুষ্ঠান ‘হীরামন’। লোককাহিনি ও লোকগাথা অবলম্বনে নির্মিত এ অনুষ্ঠানটি সে সময় দারুণ জনপ্রিয় হয়েছিল। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা লোকগাথা অবলম্বনে নির্মিত হতো এর প্রতিটা পর্ব। বিটিভিতে আবার ফিরছে ‘হীরামন’। আগামী রোববার (১৩ নভেম্বর) থেকে প্রচার শুরু হচ্ছে হীরামন।
সপ্তাহের প্রতি রবি, সোম ও মঙ্গলবার রাত ৯টায় বিটিভিতে দেখা যাবে ‘হীরামন’। প্রথম ২৬ পর্বে থাকছে ‘রূপবান’ ও ‘ডালিম কুমার’-এর গল্প। শুরুতে প্রচারিত হবে ‘রূপবান’। এই লোককাহিনির নাট্যরূপ দিয়েছেন ফজলুল করিম, এসএম সালাহউদ্দিন, বেলাল হোসেন ও শুভাশীষ দত্ত। জগদীশ এষের পরিকল্পনায় এটি প্রযোজনা করেছেন শাহজালাল সরদার শিমুল। ক্রিয়েটিভ ডিরেকশনে আছেন এসএম সালাহ উদ্দিন। ‘রূপবান’ গল্পে অভিনয় করছেন নাইরুজ সিফাত, ইমতু রাতিশ, টুটুল চৌধুরী, কবির টুটুল, ফারজানা মিহি, তুষ্টি ও তপন হাফিজ।
অন্যদিকে ‘ডালিম কুমার’ গল্পে অভিনয় করছেন—এন কে মাসুক, সায়েম সামাদ, সামলি আরা সাইকা, শিশির আহমেদ, মীর আহসান, এস ডি তন্ময়, তাসনিম নিশাত ও শীলা।
গল্পকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে। ভিএফএক্স প্রযুক্তির পাশাপাশি থাকছে অটো কন্ট্রোল মোশন ট্র্যাকিং, মোশন ক্যাপচার, থ্রিডি ফেস ক্লোনিং ও কম্পিউটার গ্রাফিকসের কাজ।
জাতীয় গণমাধ্যমটির পরিচালক (অনুষ্ঠান ও পরিকল্পনা) জগদীশ এষ বলেন, ‘আধুনিক ভার্চুয়াল প্রযুক্তি ব্যবহার করে নির্মিত হয়েছে “হীরামন”। এটি এক সময় বিটিভিতে দারুণ জনপ্রিয় ছিল। আপাতত দুটি গল্প নিয়ে ২৬ পর্ব নির্মিত হয়েছে।’
জগদীশ বলেন, ‘ধারাবাহিকভাবে রূপকথার অন্য গল্পগুলোও নির্মাণ করার পরিকল্পনা রয়েছে বিটিভির। টেলিভিশনে ভালো নাটকের যে সংকট আছে সেটি বিবেচনায় রেখেই বিটিভি এ উদ্যোগ নিয়েছে। আমাদের বাংলা রূপকথা অনেক সমৃদ্ধ। সেগুলো ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে। এগুলোকে আবার দর্শকের সামনে ফিরিয়ে আনতেই বিটিভির এ উদ্যোগ, যাতে বর্তমান প্রজন্ম রূপকথায় আগ্রহী হয়।’

চার দশক আগে বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচার হতো আলেখ্য অনুষ্ঠান ‘হীরামন’। লোককাহিনি ও লোকগাথা অবলম্বনে নির্মিত এ অনুষ্ঠানটি সে সময় দারুণ জনপ্রিয় হয়েছিল। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা লোকগাথা অবলম্বনে নির্মিত হতো এর প্রতিটা পর্ব। বিটিভিতে আবার ফিরছে ‘হীরামন’। আগামী রোববার (১৩ নভেম্বর) থেকে প্রচার শুরু হচ্ছে হীরামন।
সপ্তাহের প্রতি রবি, সোম ও মঙ্গলবার রাত ৯টায় বিটিভিতে দেখা যাবে ‘হীরামন’। প্রথম ২৬ পর্বে থাকছে ‘রূপবান’ ও ‘ডালিম কুমার’-এর গল্প। শুরুতে প্রচারিত হবে ‘রূপবান’। এই লোককাহিনির নাট্যরূপ দিয়েছেন ফজলুল করিম, এসএম সালাহউদ্দিন, বেলাল হোসেন ও শুভাশীষ দত্ত। জগদীশ এষের পরিকল্পনায় এটি প্রযোজনা করেছেন শাহজালাল সরদার শিমুল। ক্রিয়েটিভ ডিরেকশনে আছেন এসএম সালাহ উদ্দিন। ‘রূপবান’ গল্পে অভিনয় করছেন নাইরুজ সিফাত, ইমতু রাতিশ, টুটুল চৌধুরী, কবির টুটুল, ফারজানা মিহি, তুষ্টি ও তপন হাফিজ।
অন্যদিকে ‘ডালিম কুমার’ গল্পে অভিনয় করছেন—এন কে মাসুক, সায়েম সামাদ, সামলি আরা সাইকা, শিশির আহমেদ, মীর আহসান, এস ডি তন্ময়, তাসনিম নিশাত ও শীলা।
গল্পকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে। ভিএফএক্স প্রযুক্তির পাশাপাশি থাকছে অটো কন্ট্রোল মোশন ট্র্যাকিং, মোশন ক্যাপচার, থ্রিডি ফেস ক্লোনিং ও কম্পিউটার গ্রাফিকসের কাজ।
জাতীয় গণমাধ্যমটির পরিচালক (অনুষ্ঠান ও পরিকল্পনা) জগদীশ এষ বলেন, ‘আধুনিক ভার্চুয়াল প্রযুক্তি ব্যবহার করে নির্মিত হয়েছে “হীরামন”। এটি এক সময় বিটিভিতে দারুণ জনপ্রিয় ছিল। আপাতত দুটি গল্প নিয়ে ২৬ পর্ব নির্মিত হয়েছে।’
জগদীশ বলেন, ‘ধারাবাহিকভাবে রূপকথার অন্য গল্পগুলোও নির্মাণ করার পরিকল্পনা রয়েছে বিটিভির। টেলিভিশনে ভালো নাটকের যে সংকট আছে সেটি বিবেচনায় রেখেই বিটিভি এ উদ্যোগ নিয়েছে। আমাদের বাংলা রূপকথা অনেক সমৃদ্ধ। সেগুলো ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে। এগুলোকে আবার দর্শকের সামনে ফিরিয়ে আনতেই বিটিভির এ উদ্যোগ, যাতে বর্তমান প্রজন্ম রূপকথায় আগ্রহী হয়।’

আগামীকাল ঢাকার মঞ্চে আবারও মঞ্চায়ন হবে দেশ নাটকের ‘দর্পণে শরৎশশী’। ১৯৯২ সালে প্রথম মঞ্চায়ন হয়েছিল নাটকটি। রচনা করেছেন মনোজ মিত্র; ২০২৪ সালে প্রয়াত হয়েছেন তিনি। নির্দেশনা দিয়েছেন অভিনেতা ও নির্দেশক আলী যাকের; ২০২০ সালে প্রয়াত হয়েছেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
অস্কারের আশা কার না থাকে! হলিউডসহ বিশ্বজুড়ে সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করেন যাঁরা, অস্কারের সোনালি ট্রফি পাওয়ার স্বপ্ন প্রায় সবাই দেখেন। তবে ব্যতিক্রম কথা বললেন হলিউড অভিনেত্রী আমান্ডা সেফ্রিড। অস্কার পাওয়া নাকি তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণই নয়!
১ ঘণ্টা আগে
সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় দেশের নানা প্রান্ত থেকে নিবন্ধনপ্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া যাত্রাদলগুলোর অংশগ্রহণে ১ ডিসেম্বর শুরু হয়েছিল বিজয়ের মাসজুড়ে যাত্রাপালা প্রদর্শনী। রাষ্ট্রীয় শোক পালন উপলক্ষে বিঘ্নিত হওয়া উৎসবের সমাপনী পর্ব অনুষ্ঠিত হবে ২১ থেকে ২৩ জা
১ ঘণ্টা আগে
নেপালের কাঠমান্ডুতে ১৬ থেকে ১৯ জানুয়ারি আয়োজিত হয়েছিল ১৪তম নেপাল আফ্রিকা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল। উৎসবের শেষ দিনে ঘোষণা করা হয় পুরস্কারজয়ী সিনেমার নাম। এবারের আসরে ইন্টারন্যাশনাল ফিচার ফিল্ম বিভাগে সেরা হয়েছে বাংলাদেশের সিনেমা ‘সাঁতাও’।
১ ঘণ্টা আগে