তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ‘জন নায়াগন’ দিয়ে শেষ করবেন অভিনয়ের ক্যারিয়ার। এরপর পাকাপাকিভাবে নামবেন রাজনীতির ময়দানে। ৯ জানুয়ারি সিনেমাটির মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত ছিল। ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ছিল বিজয়ের শেষ সিনেমা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে যায় জন নায়াগন। এর পর থেকে আদালতের দুয়ারে দাঁড়িয়ে আছে সিনেমাটির ভাগ্য।
জন নায়াগন নিয়ে সেন্সর বোর্ড ও আদালতের এই আপত্তির পেছনে রয়েছে সিনেমাটির বেশ কিছু দৃশ্য ও সংলাপ। ভারতের এই সময়ের রাজনীতির মুখোশ উন্মোচিত হয়েছে এসব দৃশ্য ও সংলাপে। সংবাদমাধ্যম গ্রেট আন্ধ্রা জানিয়েছে, ভারতের সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশন শর্ত দিয়েছে, একাধিক রাজনৈতিক সংলাপ ও স্পর্শকাতর দৃশ্য বাদ দিলেই মুক্তির অনুমতি পাবে জন নায়াগন।
সিনেমাটির প্রযোজক ও পরিচালক বেশ কিছু দৃশ্য পরিবর্তনের ব্যাপারে রাজি ছিলেন। তাঁরা চেয়েছিলেন সেন্সর বোর্ডের শর্ত মেনেই জন নায়াগন হলে মুক্তি দিতে। কিন্তু এমন শর্তের সামনে মাথা নত করতে রাজি হন থালাপতি বিজয়। তাঁর মতে, এসব সংলাপ ও দৃশ্য সিনেমাটির প্রাণ। তাই কোনোভাবেই এগুলো বাদ দেওয়ার পক্ষে নন তিনি। প্রয়োজনে আইনি লড়াই আরও চালিয়ে যাবেন। ২৭ জানুয়ারি মাদ্রাজ হাইকোর্টে আবারও হবে জন নায়াগনের শুনানি। সিনেমাটি আদৌ মুক্তি পাবে কি না, ওই দিন আসতে পারে চূড়ান্ত রায়।
জন নায়াগন এমন একটা সময়ে মুক্তি পাচ্ছে, যখন কয়েক মাস পরই তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচন। এ নির্বাচনে লড়বে বিজয়ের রাজনৈতিক দল টিভিকে। ইতিমধ্যে জোর প্রস্তুতি শুরু করেছেন বিজয়। গতকালও দলের রাজ্য ও জেলা পর্যায়ের কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। দলীয় প্রতীক হিসেবে বাঁশি উন্মোচন করেছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, বিজয়ের সিনেমার মুক্তি পিছিয়ে যাওয়ার নেপথ্যে আছে জটিল রাজনৈতিক অঙ্ক। বিধানসভা নির্বাচনে বিজয়ের রাজনৈতিক দল টিভিকের সঙ্গে জোটের কথা ভাবা শুরু করেছে কংগ্রেস। বিজয়ও এ জোটের বিষয়ে সবুজসংকেত দিয়েছেন। সব মিলিয়ে বিজেপির রোষের মুখে পড়েছেন বিজয়। সেই প্রভাব পড়েছে তাঁর শেষ সিনেমার ওপর।
জন নায়াগনে বিজয় নিজের রাজনৈতিক বিশ্বাস ফুটিয়ে তুলেছেন বলে মনে করা হচ্ছে। বিজয় মনে করছেন, সেন্সর বোর্ডের শর্ত অনুয়ায়ী রাজনৈতিক সংলাপ ও দৃশ্য ফেলে দিলে সিনেমাটির মূল বিষয়ই বাদ পড়ে যাবে। তাই নিজের শর্তে অনড় তিনি।

২০২০ সালে নাটকে অভিনয় শুরু করেন কেয়া পায়েল। এই পাঁচ বছরের বেশি সময়ে প্রায় ৪০০টি নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি। ইউটিউবে কেয়া পায়েল অভিনীত ১০২টি নাটক প্রতিটি ১ কোটি ভিউয়ের মাইলফলক পেরিয়েছে। সম্প্রতি কেক কেটে নিজের এই সাফল্য উদ্যাপন করেছেন অভিনেত্রী।
৭ ঘণ্টা আগে
ঢাকার মঞ্চে এক্টোম্যানিয়া নিয়ে আসছে তাদের তৃতীয় প্রযোজনা বিখ্যাত নরওয়েজিয়ান নাট্যকার হেনরিক ইবসেনের কালজয়ী সৃষ্টি এবং সর্বশেষ প্রকাশিত নাটক ‘হোয়েন উই ডেড এওয়েকেন’। বাংলায় নাম রাখা হয়েছে ‘পুনরুত্থানের দিন’।
৭ ঘণ্টা আগে
নাটকে হাত পাকিয়ে প্রায় এক দশক আগে চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে নাম লিখিয়েছেন হিমেল আশরাফ। ২০১৭ সালে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল ‘সুলতানা বিবিয়ানা’। তবে প্রথম সিনেমায় সাফল্য না পেয়ে আড়ালে চলে গিয়েছিলেন তিনি। আড়াল ভেঙে ২০২৩ সালে শাকিব খানকে নিয়ে ‘প্রিয়তমা’ বানিয়ে দেখা পান সাফল্যের।
৭ ঘণ্টা আগে
নাটকে অভিনয় করে জনপ্রিয়তা পান আফরান নিশো ও মেহজাবীন চৌধুরী। তাঁদের বাংলা নাটকের অন্যতম আলোচিত জুটিও বলা হয়। এ দুজনের জনপ্রিয় কাজের সংখ্যাও অনেক। ওয়েব কনটেন্টেও একসঙ্গে দেখা গেছে তাঁদের। নিশো সিনেমায় নাম লেখানোর পর ছোট পর্দায় আর দেখা যায়নি নিশো-মেহজাবীন জুটিকে।
১ দিন আগে