মারা গেছেন ‘একটা চাদর হবে’খ্যাত সংগীতশিল্পী জেনস সুমন। তাঁর মৃত্যুর খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় নিশ্চিত করেছেন সংগীতশিল্পী ফাহমিদা নবী। ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হয়েছে জেনস সুমনের।
জানা গেছে, আজ শুক্রবার দুপুর থেকে বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করছিলেন সুমন। দ্রুত তাঁকে জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউটে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তাঁকে আর ফেরানো যায়নি। সেখানেই মারা যান সুমন।
জেনস সুমনের প্রকৃত নাম গালিব আহসান মেহেদি। সুমন তাঁর ডাকনাম। নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে সংগীত ক্যারিয়ার শুরু তাঁর। পরিচিতি পান ‘একটা চাদর হবে’ গান দিয়ে। ২০০২ সালে বিটিভির একটি ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানে গানটি প্রচারের পর ব্যাপক সাড়া ফেলে। রাতারাতি আলোচনায় চলে আসেন জেনস সুমন।
জেনস সুমনের প্রথম একক অ্যালবাম ‘আশীর্বাদ’ প্রকাশিত হয় ১৯৯৭ সালে। একে একে প্রকাশ পেয়েছে ‘আকাশ কেঁদেছে’, ‘অতিথি’, ‘আশাবাদী’, ‘একটা চাদর হবে’, ‘আয় তোরা আয়’, ‘চেরী’ ইত্যাদি অ্যালবাম।
২০০৮ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর শেষ অ্যালবাম ‘মন চলো রূপের নগরে’। পরে বিরতিতে চলে যান তিনি। ১৬ বছরের বিরতির পর গত বছর প্রকাশ পায় তাঁর নতুন গান ‘আসমান জমিন’। এর পর থেকে নিয়মিত গান প্রকাশ করছিলেন সুমন।
গত সেপ্টেম্বরে আজকের পত্রিকাকে তিনি জানিয়েছিলেন, লম্বা বিরতি শেষে নতুন করে শূন্য থেকে শুরু করেছেন তিনি। তবে সংগীত ক্যারিয়ারের নতুন এই ইনিংস দীর্ঘায়িত হলো না জেনস সুমনের।

বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিচর্চায় নতুন প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করতে সপ্তমবারের মতো শুরু হচ্ছে রিয়েলিটি শো ‘বাংলাবিদ’। গতকাল শনিবার থেকে শুরু হয়েছে এই রিয়েলিটি শোর সপ্তম সিজনের রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া, চলবে আগামী ৩০ জুলাই পর্যন্ত।
২ ঘণ্টা আগে
দেশের আট ব্যান্ড নিয়ে আগামী ১০ জুলাই রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজন করা হয়েছে ‘ওভারলোড ফেস্টিভ্যাল’ শিরোনামের কনসার্ট। লাইভ ওয়েভ এন্টারটেইনমেন্ট আয়োজিত এই কনসার্টে গান শোনাবে ব্যান্ড অর্থহীন, আর্টসেল, ব্ল্যাক, ক্রিপটেক ফেইট, নেমেসিস, পাওয়ারসার্জ, লেভেল ফাইভ এবং রকসল্ট।
২ ঘণ্টা আগে
নেটফ্লিক্সের অন্যতম সফল সায়েন্স ফিকশন সিরিজ ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’-এ বাবা-মেয়ের ভূমিকায় সাড়া ফেলেছিলেন ডেভিড হারবার ও মিলি ববি ব্রাউন। ২০১৬ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত স্ট্রেঞ্জার থিংসের পাঁচটি সিজনে তাঁদের অন-স্ক্রিন রসায়নই ছিল সিরিজের অন্যতম আকর্ষণ।
২ ঘণ্টা আগে
ক্রিটেক মাঠের পাশাপাশি দাদাগিরি দিয়ে উপস্থাপনাতেও নিজেকে প্রমাণ করেছেন সৌরভ গাঙ্গুলী। দাদাগিরি মানেই সৌরভ গাঙ্গুলী—দর্শকের কাছে এটাই সমার্থক হয়ে উঠেছিল। স্বাভাবিকভাবেই তাই নার্ভাস ছিলেন দেব। প্রথমত, নতুন অধ্যায়। দ্বিতীয়ত, বিগত এক দশকে সৌরভের লিগ্যাসি।
২ দিন আগে