বিনোদন প্রতিবেদক, ঢাকা

প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর হিসেবে পরিচিত সংগীতশিল্পী ফারজানা ওয়াহিদ সায়ান। পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে কোথাও অন্যায় দেখলে চুপ থাকতে পারেন না তিনি। প্রতিবাদ জানিয়ে লিখতে বসে পড়েন, তৈরি করেন গান। ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যেমন সরব তিনি, তেমনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গানে গানে করেছেন প্রতিবাদ। প্রায় আড়াই বছর আগে সায়ান লিখেছিলেন ‘এটাই আমার রাজনীতি’ শিরোনামের গান।
সে সময় ঘরোয়াভাবে গিটারে বাজিয়ে গেয়েছিলেন গানটি। সেই ভিডিও আপলোড করেছিলেন ফেসবুকে। গত শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছেন ‘এটাই আমার রাজনীতি’। সায়ানের কথা ও সুরে গানটির সংগীতায়োজন করেছেন শুভদীপ মজুমদার। লিরিক্যাল ভিডিও তৈরি করেছেন হাসান মাহমুদ সানি।
এটাই আমার রাজনীতি গানের কথায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট। এ দেশে যেকোনো ইস্যুতে কথা বললেই প্রশ্ন ছুড়ে দেওয়া হয়, আপনি কোন দলের লোক? এমন অবস্থায় সাধারণ জনতার হয়ে কথা বলাটাই যেন নিষিদ্ধ। গানে গানে সে কথাই জানান দিলেন সায়ান। জানিয়ে দিলেন, কোনো দলের হয়ে নন, তিনি একা একাই হাঁটেন। এটাই তাঁর রাজনৈতিক দর্শন।
গত বছরের ২৬ আগস্ট ফুলবাড়ী ট্র্যাজেডি দিবসে ফেসবুকে গানটির স্টুডিও ভার্সনের ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন সায়ান। ক্যাপশনে লেখেন, ‘শিল্পী হিসেবে কিংবা এই দেশের নাগরিক হিসেবে অথবা এই বিশ্বজগতের কোনো একটি প্রাণ হিসেবে, সব বিচারেই আমার একটা রাজনীতি আছে। সেটা হলো ক্ষমতার থেকে দূরত্বে থাকা। আমি যেটুকু দেখেছি এইটুকু জীবনে, ক্ষমতার চরিত্রই হলো সে কেন্দ্রীভূত হয়ে আস্তে আস্তে অত্যাচারী হতে থাকে, সাধারণ মানুষের সেবক না হয়ে শোষক হতে শুরু করে। আজীবন ক্ষমতার নজরদারিত্বে থাকতে চাওয়াতেই আমার শিল্পীত্বের কিংবা নাগরিকত্বের সবচেয়ে সচ্ছল সজীব অবস্থান। তার থেকে বিচ্যুতি আমার নিজের হাতে নিজের অপচয়।’
আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার সৃষ্টি করেছে এটাই আমার রাজনীতি গানটি। ২৪ ঘণ্টার আগেই সায়ানের ফেসবুক থেকে আট শতাধিক মানুষ শেয়ার করেছে। ইউটিউবেও গানটি সাড়া ফেলেছে।

প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর হিসেবে পরিচিত সংগীতশিল্পী ফারজানা ওয়াহিদ সায়ান। পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে কোথাও অন্যায় দেখলে চুপ থাকতে পারেন না তিনি। প্রতিবাদ জানিয়ে লিখতে বসে পড়েন, তৈরি করেন গান। ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যেমন সরব তিনি, তেমনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গানে গানে করেছেন প্রতিবাদ। প্রায় আড়াই বছর আগে সায়ান লিখেছিলেন ‘এটাই আমার রাজনীতি’ শিরোনামের গান।
সে সময় ঘরোয়াভাবে গিটারে বাজিয়ে গেয়েছিলেন গানটি। সেই ভিডিও আপলোড করেছিলেন ফেসবুকে। গত শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছেন ‘এটাই আমার রাজনীতি’। সায়ানের কথা ও সুরে গানটির সংগীতায়োজন করেছেন শুভদীপ মজুমদার। লিরিক্যাল ভিডিও তৈরি করেছেন হাসান মাহমুদ সানি।
এটাই আমার রাজনীতি গানের কথায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট। এ দেশে যেকোনো ইস্যুতে কথা বললেই প্রশ্ন ছুড়ে দেওয়া হয়, আপনি কোন দলের লোক? এমন অবস্থায় সাধারণ জনতার হয়ে কথা বলাটাই যেন নিষিদ্ধ। গানে গানে সে কথাই জানান দিলেন সায়ান। জানিয়ে দিলেন, কোনো দলের হয়ে নন, তিনি একা একাই হাঁটেন। এটাই তাঁর রাজনৈতিক দর্শন।
গত বছরের ২৬ আগস্ট ফুলবাড়ী ট্র্যাজেডি দিবসে ফেসবুকে গানটির স্টুডিও ভার্সনের ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন সায়ান। ক্যাপশনে লেখেন, ‘শিল্পী হিসেবে কিংবা এই দেশের নাগরিক হিসেবে অথবা এই বিশ্বজগতের কোনো একটি প্রাণ হিসেবে, সব বিচারেই আমার একটা রাজনীতি আছে। সেটা হলো ক্ষমতার থেকে দূরত্বে থাকা। আমি যেটুকু দেখেছি এইটুকু জীবনে, ক্ষমতার চরিত্রই হলো সে কেন্দ্রীভূত হয়ে আস্তে আস্তে অত্যাচারী হতে থাকে, সাধারণ মানুষের সেবক না হয়ে শোষক হতে শুরু করে। আজীবন ক্ষমতার নজরদারিত্বে থাকতে চাওয়াতেই আমার শিল্পীত্বের কিংবা নাগরিকত্বের সবচেয়ে সচ্ছল সজীব অবস্থান। তার থেকে বিচ্যুতি আমার নিজের হাতে নিজের অপচয়।’
আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার সৃষ্টি করেছে এটাই আমার রাজনীতি গানটি। ২৪ ঘণ্টার আগেই সায়ানের ফেসবুক থেকে আট শতাধিক মানুষ শেয়ার করেছে। ইউটিউবেও গানটি সাড়া ফেলেছে।

রবিন হুড মানেই আমাদের চোখে ভেসে ওঠে এক পরোপকারী বীরের ছবি। ধনীদের সম্পদ গরিবের মধ্যে বিলিয়ে দেওয়া এক মহানায়ক। কিন্তু ‘দ্য ডেথ অব রবিন হুড’ সিনেমায় এই চেনা গল্প সম্পূর্ণ বদলে গেছে। চিরাচরিত রবিন হুডের বীরত্বগাথা থেকে বেরিয়ে তাকে একজন অনুতপ্ত অপরাধী হিসেবে দেখানো হয়েছে এতে।
১৫ মিনিট আগে
কথা ছিল গত ডিসেম্বরে শুরু হবে শাকিব খানের ‘প্রিন্স: ওয়ানস আপন আ টাইম’ সিনেমার শুটিং। তবে নির্ধারিত শিডিউলে ক্যামেরা ওপেন করতে পারেননি নির্মাতা আবু হায়াত মাহমুদ। গত সপ্তাহে গুঞ্জন ছড়ায়, ঠিক সময়ে কাজ শুরু করতে না পারায় রোজার ঈদে আসবে না প্রিন্স। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ক্রিয়েটিভ...
১৯ ঘণ্টা আগে
জনপ্রিয় দক্ষিণি নির্মাতা প্রিয়দর্শনের মেয়ে কল্যাণী প্রিয়দর্শন। ২০১৭ সালে তেলুগু সিনেমা ‘হ্যালো’ দিয়ে অভিনয় শুরু করেন তিনি। এই আট বছরে এক ডজনের বেশি তেলুগু, তামিল ও মালয়ালম সিনেমায় দেখা গেছে তাঁকে। শুরু থেকেই গল্প ও চরিত্রের ব্যাপারে ভীষণ চুজি তিনি। সেই ধৈর্যের ফল কল্যাণী পেয়েছেন গত বছর।
২০ ঘণ্টা আগে
সুমন ধরের পরিচালনায় ‘শেষ চিঠি’ ও ‘ফেরা’ নামের দুটি ওয়েব ফিল্মে অভিনয় করেছেন প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। আবারও এই নির্মাতার নতুন কাজে যুক্ত হয়েছেন দীঘি। ডার্ক থ্রিলার গল্পে নির্মিত এই ওয়েব ফিল্মে দীঘি ছাড়াও আছেন ইরফান সাজ্জাদ ও আশনা হাবিব ভাবনা।
২০ ঘণ্টা আগে