
অনেক নাটকীয়তার পর গত শুক্রবার বিকেলে বাংলাদেশ শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে শপথ নেন জায়েদ খান। ওইদিন জায়েদ খানসহ নির্বাচিত পাঁচ শিল্পীকে শপথ পড়ান সমিতির সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন। ওই সময় তিনি বলেছিলেন, ‘জায়েদ খান আমাকে আদালতের সার্টিফায়েড কপি দেখিয়েছে, তাই তাঁকে শপথ পাঠ করিয়েছি।’
ঘটনার তিন দিনের মাথায় এসে সংবাদ সম্মেলন ডেকে জায়েদ খানের শপথ বাতিলের ঘোষণা দিলেন ইলিয়াস কাঞ্চন। অভিযোগ করলেন, শপথ নেওয়ার জন্য জায়েদ খান ছলনার আশ্রয় নিয়েছিলেন। আদালতের যে কাগজ তিনি ইলিয়াস কাঞ্চনকে দেখিয়েছিলেন, সেটিও সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন কাঞ্চন।
আজ সোমবার সন্ধ্যায় এফডিসির শিল্পী সমিতির সামনে সংবাদমাধ্যমের সামনে পুরো ঘটনা খোলাসা করেন ইলিয়াস কাঞ্চন। তিনি জানান, শুক্রবার শপথ গ্রহণের সময় আদালতের রায়ের ফটোকপি শিল্পী সমিতিতে জমা দেওয়ার কথা ছিল জায়েদ খানের। কিন্তু তিনি সেটি দেননি। নানা টালবাহানা করেছেন।
ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘ওইদিন শপথ শেষে আমি গেলাম মসজিদে নামাজ পড়তে, সেখান থেকে ফোন করে বললাম, কী হলো! তুমি আমাকে ফটোকপি দিচ্ছ না কেন? সে সেখানে গিয়ে বলল, আজকে তো শুক্রবার। ফটোকপি করাতে পারছি না। শনিবার সকালে আপনার অফিসে পাঠিয়ে দেব। আমি বললাম, মিস করবা না কিন্তু। তুমি কিন্তু অবশ্যই পাঠাবা।
শনিবার দিন গেল। সে আমাকে ফটোকপি পাঠাল না। সন্ধ্যার দিকে তাঁকে ফোন দিলাম। সে আমার ফোন রিসিভ করল না। তারপর রোববার দিন, আমি তখন নারিন্দায় একটি অনুষ্ঠানে, ৮টার দিকে সে আমাকে ফোন দিল। অনুষ্ঠানে থাকার কারণে আমি তাঁর ফোন রিসিভ করিনি। অনেকগুলো তথ্য তখন আমার কাছে এসে গেছে, তাই তাঁকে তখন কল ব্যাক করিনি।
আজকে (সোমবার) আমি তাঁকে ফোন দিলাম যে, কী হলো! তুমি আমাকে ফটোকপি দিচ্ছ না কেন? তখন সে তাঁর দুজন আইনজীবীসহ আমার অফিসে আসল। তখনও ফটোকপি দেয়নি। আমি বললাম, তুমি এখন আসলা। এখনও তুমি ফটোকপি নিয়ে আসলা না। কী, কারণটা কী! জায়েদ বলল, আমি গিয়ে তারপর পাঠিয়ে দিচ্ছি।
একঘণ্টা পর একটা ফটোকপি তাঁর একজন আইনজীবী মারফত পাঠাল। আমি দেখলাম, যে ফটোকপিটা সে দিল, সেটা ফেব্রুয়ারি মাসের ৯ তারিখে যে রায়টা হয়েছিল, সেটার কপি।
শপথ নেওয়ার জন্য হাইকোর্ট থেকে লেটেস্ট যে কাগজটা, সেটা কিন্তু সে দেখায়নি। তার মানে সে শপথ নেওয়ার জন্য একটা ছলনার আশ্রয় নিয়েছে। সত্যের বিপরীতে গিয়ে সে এই কাজটি করল।
যেহেতু সে সত্যের বিপরীতে গিয়েছে, এবং ছলনার আশ্রয় নিয়েছে, শিল্পী সমিতির সভাপতিকে ধোঁকায় ফেলেছে, সমিতিকে ধোঁকায় ফেলেছে, সেহেতু জায়েদ সাহেবের শপথ নেওয়া এখন কোনোভাবেই আর গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁর শপথ বাতিল হয়ে গেছে।’
তবে ওইদিন শপথ নেওয়া বাকি চার শিল্পী— ডিপজল, সুচরিতা, অরুণা বিশ্বাস ও জয় চৌধুরীর শপথ বহাল থাকবে বলে জানিয়েছেন ইলিয়াস কাঞ্চন।

অনেক নাটকীয়তার পর গত শুক্রবার বিকেলে বাংলাদেশ শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে শপথ নেন জায়েদ খান। ওইদিন জায়েদ খানসহ নির্বাচিত পাঁচ শিল্পীকে শপথ পড়ান সমিতির সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন। ওই সময় তিনি বলেছিলেন, ‘জায়েদ খান আমাকে আদালতের সার্টিফায়েড কপি দেখিয়েছে, তাই তাঁকে শপথ পাঠ করিয়েছি।’
ঘটনার তিন দিনের মাথায় এসে সংবাদ সম্মেলন ডেকে জায়েদ খানের শপথ বাতিলের ঘোষণা দিলেন ইলিয়াস কাঞ্চন। অভিযোগ করলেন, শপথ নেওয়ার জন্য জায়েদ খান ছলনার আশ্রয় নিয়েছিলেন। আদালতের যে কাগজ তিনি ইলিয়াস কাঞ্চনকে দেখিয়েছিলেন, সেটিও সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন কাঞ্চন।
আজ সোমবার সন্ধ্যায় এফডিসির শিল্পী সমিতির সামনে সংবাদমাধ্যমের সামনে পুরো ঘটনা খোলাসা করেন ইলিয়াস কাঞ্চন। তিনি জানান, শুক্রবার শপথ গ্রহণের সময় আদালতের রায়ের ফটোকপি শিল্পী সমিতিতে জমা দেওয়ার কথা ছিল জায়েদ খানের। কিন্তু তিনি সেটি দেননি। নানা টালবাহানা করেছেন।
ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘ওইদিন শপথ শেষে আমি গেলাম মসজিদে নামাজ পড়তে, সেখান থেকে ফোন করে বললাম, কী হলো! তুমি আমাকে ফটোকপি দিচ্ছ না কেন? সে সেখানে গিয়ে বলল, আজকে তো শুক্রবার। ফটোকপি করাতে পারছি না। শনিবার সকালে আপনার অফিসে পাঠিয়ে দেব। আমি বললাম, মিস করবা না কিন্তু। তুমি কিন্তু অবশ্যই পাঠাবা।
শনিবার দিন গেল। সে আমাকে ফটোকপি পাঠাল না। সন্ধ্যার দিকে তাঁকে ফোন দিলাম। সে আমার ফোন রিসিভ করল না। তারপর রোববার দিন, আমি তখন নারিন্দায় একটি অনুষ্ঠানে, ৮টার দিকে সে আমাকে ফোন দিল। অনুষ্ঠানে থাকার কারণে আমি তাঁর ফোন রিসিভ করিনি। অনেকগুলো তথ্য তখন আমার কাছে এসে গেছে, তাই তাঁকে তখন কল ব্যাক করিনি।
আজকে (সোমবার) আমি তাঁকে ফোন দিলাম যে, কী হলো! তুমি আমাকে ফটোকপি দিচ্ছ না কেন? তখন সে তাঁর দুজন আইনজীবীসহ আমার অফিসে আসল। তখনও ফটোকপি দেয়নি। আমি বললাম, তুমি এখন আসলা। এখনও তুমি ফটোকপি নিয়ে আসলা না। কী, কারণটা কী! জায়েদ বলল, আমি গিয়ে তারপর পাঠিয়ে দিচ্ছি।
একঘণ্টা পর একটা ফটোকপি তাঁর একজন আইনজীবী মারফত পাঠাল। আমি দেখলাম, যে ফটোকপিটা সে দিল, সেটা ফেব্রুয়ারি মাসের ৯ তারিখে যে রায়টা হয়েছিল, সেটার কপি।
শপথ নেওয়ার জন্য হাইকোর্ট থেকে লেটেস্ট যে কাগজটা, সেটা কিন্তু সে দেখায়নি। তার মানে সে শপথ নেওয়ার জন্য একটা ছলনার আশ্রয় নিয়েছে। সত্যের বিপরীতে গিয়ে সে এই কাজটি করল।
যেহেতু সে সত্যের বিপরীতে গিয়েছে, এবং ছলনার আশ্রয় নিয়েছে, শিল্পী সমিতির সভাপতিকে ধোঁকায় ফেলেছে, সমিতিকে ধোঁকায় ফেলেছে, সেহেতু জায়েদ সাহেবের শপথ নেওয়া এখন কোনোভাবেই আর গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁর শপথ বাতিল হয়ে গেছে।’
তবে ওইদিন শপথ নেওয়া বাকি চার শিল্পী— ডিপজল, সুচরিতা, অরুণা বিশ্বাস ও জয় চৌধুরীর শপথ বহাল থাকবে বলে জানিয়েছেন ইলিয়াস কাঞ্চন।

মারা গেছেন বাংলা সিনেমার সোনালি যুগের অভিনেতা ইলিয়াস জাভেদ। অনেক দিন ধরে ক্যানসারে ভুগছিলেন। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকার উত্তরার একটি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।
১৫ ঘণ্টা আগে
আগামীকাল ঢাকার মঞ্চে আবারও মঞ্চায়ন হবে দেশ নাটকের ‘দর্পণে শরৎশশী’। ১৯৯২ সালে প্রথম মঞ্চায়ন হয়েছিল নাটকটি। রচনা করেছেন মনোজ মিত্র; ২০২৪ সালে প্রয়াত হয়েছেন তিনি। নির্দেশনা দিয়েছেন অভিনেতা ও নির্দেশক আলী যাকের; ২০২০ সালে প্রয়াত হয়েছেন তিনি।
২০ ঘণ্টা আগে
অস্কারের আশা কার না থাকে! হলিউডসহ বিশ্বজুড়ে সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করেন যাঁরা, অস্কারের সোনালি ট্রফি পাওয়ার স্বপ্ন প্রায় সবাই দেখেন। তবে ব্যতিক্রম কথা বললেন হলিউড অভিনেত্রী আমান্ডা সেফ্রিড। অস্কার পাওয়া নাকি তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণই নয়!
২০ ঘণ্টা আগে
সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় দেশের নানা প্রান্ত থেকে নিবন্ধনপ্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া যাত্রাদলগুলোর অংশগ্রহণে ১ ডিসেম্বর শুরু হয়েছিল বিজয়ের মাসজুড়ে যাত্রাপালা প্রদর্শনী। রাষ্ট্রীয় শোক পালন উপলক্ষে বিঘ্নিত হওয়া উৎসবের সমাপনী পর্ব অনুষ্ঠিত হবে ২১ থেকে ২৩ জা
২০ ঘণ্টা আগে