ঘুড্ডি ছবির নির্মাতা সৈয়দ সালাহউদ্দিন জাকী মারা গেছেন গত সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর)। গুণী নির্মাতার দাফনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাঁর পরিবার। আজ বৃহস্পতিবার আজিমপুর কবরস্থানে তাঁকে সমাহিত করা হবে। এর আগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সৈয়দ সালাহউদ্দিন জাকীকে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হবে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নাসির উদ্দিন ইউসুফ।
নাসির উদ্দিন ইউসুফ বলেন, ‘সর্বজন শ্রদ্ধেয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব প্রয়াত সৈয়দ সালাহউদ্দিন জাকীকে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হবে। পরে জোহরের নামাজের পর দেড়টায় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে। তারপর তাঁকে নিয়ে যাওয়া হবে চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে। সেখানে শ্রদ্ধা জানানো শেষে আজিমপুর কবরস্থানে বাবা-মায়ের কবরে পাশে সৈয়দ সালাহউদ্দিন জাকীকে দাফন করা হবে।’
সৈয়দ সালাউদ্দিন জাকীর এক ছেলে ও এক মেয়ে। তাঁরা দুজনেই কানাডায় থাকেন। যে কারণে নির্মাতার দাফনের বিষয়ে দু’দিন পরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সৈয়দ সালাহউদ্দীন জাকীর অন্যতম কৃতিত্ব ১৯৮০ সালের চলচ্চিত্র ‘ঘুড্ডি’। এই ছবির কাহিনি লিখে শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। ২০২১ সালে একুশে পদক লাভ করেন তিনি। বাংলাদেশ ফিল্ম সোসাইটি আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব ছিলেন তিনি।
সম্প্রতি তিনি ইমপ্রেস টেলিফিল্মের প্রযোজনায় দুটি চলচ্চিত্রের কাজ শেষ করেন। একটি’ অপরাজেয় একা’ অন্যটি’ ক্রান্তিকাল’। ‘অপরাজেয় একা’ সেই নামের ছবিটি মুক্তির অপেক্ষায় আছে।
ঘুড্ডি বাংলা ছবির ইতিহাসে একটি মাইলফলক। সিনেমার প্রধান দুটি চরিত্রে অভিনয় করেন রাইসুল ইসলাম আসাদ ও সুবর্ণা মুস্তাফা। এই সিনেমায় কাওসার আহমেদ চৌধুরীর লেখা ও হ্যাপি আখান্দের গাওয়া ‘আবার এল যে সন্ধ্যা’ গানটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।
এরপর ‘লাল বেনারসি’, ‘আয়না বিবির পালা’সহ বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। নব্বই দশকের শেষ দিকে বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক হিসেবেও কর্মরত ছিলেন তিনি।

প্রতিবছর দুই ঈদে প্রাণ ফিরে পায় দেশের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি। সারা বছর সিনেমা মুক্তির ব্যাপারে আগ্রহ না দেখালেও ঈদে সিনেমা মুক্তি দিতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেন নির্মাতারা। কয়েক বছর ধরেই দেখা যাচ্ছে এই প্রবণতা। গত বছর দুই ঈদে ছয়টি করে মুক্তি পাওয়া সিনেমার সংখ্যা ১২টি।
৫ ঘণ্টা আগে
রোজার ঈদে প্রচারের জন্য তপু খান বানিয়েছেন নাটক ‘হ্যাপি ডিভোর্স’। নাটকটি লিখেছেন টিউন তেহরিন। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফারহান আহমেদ জোভান, কেয়া পায়েল, সুব্রত, শামীমা নাজনীন, রোজী সিদ্দিকী, সমাপ্তি মাসুক ও তাহমিনা সুলতানা মৌ।
৫ ঘণ্টা আগে
প্রতি সপ্তাহে নতুন সিনেমা বা ওয়েব সিরিজের জন্য দর্শকদের নজর থাকে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে। এ সপ্তাহেও মুক্তি পাচ্ছে নানা দেশের, নানা ভাষার কনটেন্ট। বাছাই করা এমন কিছু কনটেন্টের খোঁজ থাকছে এ প্রতিবেদনে।
৫ ঘণ্টা আগে
নাটকের পরিচিত মুখ অভিনেত্রী জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি। গানটাও ভালো করেন তিনি। আগে নাটক ও ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানে দুটি গান করেছেন। এবার ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত হয়েছে হিমির নতুন মৌলিক গান। এ প্রসঙ্গে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন শিহাব আহমেদ।
১ দিন আগে